সৌদি আরবে বসবাসকারী প্রবাসীদের মধ্যে যারা ফাইনাল এক্সিট ভিসা নিয়েছেন, তাদের ফাইনাল এক্সিট ভিসার মেয়াদ কোন প্রকার বাড়তি ফি ছাড়াই আগামী অক্টোবর ৩১ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে দিয়েছে সৌদি আরবের জেনারেল ডিরেক্টরেট অফ পাসপোর্ট (জাওয়াজাত)। সৌদি আরবের পবিত্র মসজিদদ্বয় এর অভিভাবক কিং সালমান এর দেয়া অনুমতিক্রমে প্রবাসীদের ফাইনাল এক্সিট ভিসার
ব্যাপারে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাওয়াজাত। করোনাভাইরাস মহামারীতে সৌদি আরবে এখনো পুরোদমে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়নি, এরফলে সৌদি আরবে অবস্থানরত প্রবাসীরা যারা ফাইনাল এক্সিট ভিসা করেও দেশে ফিরে যেতে পারছেন না, তারা আটকে পড়েছেন।
ফাইনাল এক্সিট ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে আটকে পড়া সকল প্রবাসীর ভিসার মেয়াদ ইতিপূর্বে সেপ্টেম্বর ৩০ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছিলো। এবারে জাওয়াজাত প্রবাসীদের সুবিধার্থে কোনপ্রকার জরিমানা ছাড়াই অটোমেটিকভাবে ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করে দিয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করে দেয়া হয়েছে। সৌদি আরবের প্রায় ২৮ হাজার ৮৮৪ জন প্রবাসীর ফাইনাল এক্সিট ভিসার মেয়ার অটোমেটিকভাবে বৃদ্ধি করে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জাওয়াজাত।
আবারো প্রবাসীদের সুবিধার্থে জরিমানা ছাড়াই ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করলো সৌদি
মানছে না স্বাস্থ্যবিধি, বাড়ছে সংক্রমন, সনাক্তের হারে শুভঙ্করের ফাঁকি!

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দেশে ১৫ লাখ ৫০ হাজার ২০৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যা ৩০ সেপ্টেম্বরে বেড়ে দাঁড়ায় ১৯ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫৫ জনে। অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাসের ৩০ দিনে মোট ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৪৫২ জনের করোনা টেস্ট করা হয়েছে। এদিকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ১২ হাজার ৯৯৬ জন, যা ৩০ সেপ্টেম্বরে বেড়ে দাঁড়ায় ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৪৭৯ জনে। অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাসে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ৪৮৩ জন। এ হিসেবে সেপ্টেম্বর মাসে গড় শনাক্তের হার ১২.৭০ শতাংশ। দেশে গত দুই মাসে করোনার সংক্রমণ ধাপে ধাপে কমে আসার তথ্য পাওয়া গেলেও বাস্তব চিত্র অনেকটাই ভিন্ন। বরং এ পরিসংখ্যানে বড় ধরনের শুভঙ্করের ফাঁকি রয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জুলাইয়ের চতুর্থ সপ্তাহ থেকে বিমানযাত্রীদের করোনা টেস্ট করানো বাধ্যতামূলক হওয়ায় প্রবাসী কর্মীসহ হাজার হাজার বিদেশগামী সুস্থ মানুষ শুধু নেগেটিভ সনদ সংগ্রহের জন্য নমুনা পরীক্ষা করাচ্ছেন, যা প্রতিদিনের নমুনা পরীক্ষার মোট সংখ্যার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। তাই টেস্টের সংখ্যা অনুযায়ী শনাক্তের হার কম দেখাচ্ছে।
শুধুমাত্র সনদ সংগ্রহের জন্য নমুনা পরীক্ষা করানো দেড় লাখ বিদেশগামী সুস্থ বিমানযাত্রীর হিসাব বাদ দেওয়া হলে করোনার উপসর্গ নিয়ে টেস্ট করানো মানুষের সংখ্যা দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৫২ জন। এদের ওপর ভিত্তি করে করোনায় শনাক্তের হার নির্ণয় করা হলে তা ২০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) সূত্রে জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসী কর্মী,শিক্ষার্থী ও পর্যটকসহ প্রায় দেড় লাখ মানুষ বিদেশে গেছেন। যাদের প্রত্যেককেই করোনা টেস্ট করাতে হয়েছে।
এদিকে সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী গত ২৩ জুলাই থেকে বিদেশগামী যাত্রীদের জন্য যে ১৬টি সরকারি হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠানে কোভিড পরীক্ষা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে তার কয়েকটিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেখানে দেড় থেকে দুই শতাংশের পজিটিভ রেজাল্ট আসছে; বাকি সবারই নেগেটিভ। তবে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার, ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথ ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন-রাজধানী ঢাকার এই তিন প্রতিষ্ঠানেও শনাক্তের হার সামান্য কিছুটা বেশি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলোজি বিভাগের একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলেন, শনাক্তের হার কম বলেই করোনা সংক্রমণ কমতে শুরু করেছে, এটা ভাবার কোনো কারণ নেই। নমুনা পরীক্ষা কমেছে, তাই শনাক্ত কমছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের করোনার প্যাটার্ন মিলছে না উলেস্নখ করে এ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আরও বলেন, সংক্রমণের হার কমছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হলে আরও টেস্ট বাড়াতে হবে। এতে কী ধরনের ফল আসে তার ওপর নির্ভর করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে সবার ইনফেকশন হয়ে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে, সেজন্য সংক্রমণ কমে যাচ্ছে, এটা ঠিক নয়। মাস্ক পরা, হাত ধোয়া, সামাজিক দূরত্বের মতো স্বাস্থ্যবিধিও আমরা মেনে চলছি না, তাই প্রকৃত অবস্থা বুঝতে আরও সময় লাগবে।

গল্পঃ নিঃশব্দ সমাপ্তি!!
নিঃশব্দ সমাপ্তি
লেখকঃ এস এম সায়েম
অনেক খুঁজেছে শুধু খুঁজেই যাচ্ছে। ভার্সিটির প্রতিটি অলিগলিতে, মাঠের কোণায় আড্ডার জায়গায়।চায়ের দোকানের ভাঙ্গা টুলে, পুকুর পাড়ের কাট গোলাপ গাছের ছায়ায়।কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। মনে হচ্ছে পুরো পৃথিবীটা শুন্যতায় ছেঁয়ে গেল। এক পর্যায়ে অদ্রিতা তার ব্যর্থ পরিশ্রমের ইতি টেনে শিমুলতলার বেঞ্চটিতে বসে কাঁদতে কাঁদতে চিৎকার করে বলল-অণি তুই কোথায়????
এতক্ষণ যার কথা বলছিলাম তার নাম অণিরুদ্ধ।অণিরুদ্ধ,অদ্রিতা,সিমু,মৌ,হাসিব,সৌমিক আর নিলয় এরা ছিলো ভার্সিটির একটা গ্রুপ।তাদের বন্ধুত্ব ও বন্ধন সবার ঈর্ষনীয় ছিল।অণি আর অদ্রিতা বলতে গেলে বন্ধুর চেয়েও বেশিকিছু।
ভার্সিটির প্রতিটি অলিগলিতে তাদের দুষ্টুমির চিহ্ন স্পষ্টত।অণি ছিলো সবার জন্য একটা অনন্যময় বন্ধু। কারো দুঃখ,মন খারাপ বলতে গেলে সব কিছুই ভুলে যেত অণির সঙ্গ পেলে। আজ অদ্রিতা এত খোঁজার কারণটা খুবই আশ্চর্যজনক।একটা মূহুর্তও মন খারাপে সময় কাটত না তার শুধুমাত্র অণির জন্য।তাদেরকে অনেকে মডেল কাপলও বলতো। প্রত্যেকটা সময় তাদের মাঝের খুনসুটিগুলো সবাইকে দারুনভাবে আকর্ষিত করতো।
অদ্রিতা চোখ মুছতে মুছতে গেল মাঠের কোণায় যেখানে বসে কত মারামারি করতো তারা। একবার সবগুলা এসাইনমেন্ট অদ্রিতা হাতে করিয়ে তাকে চকলেট খাওয়ানোর কথা বলে আর খাওয়ায়নি দেখে পুরো মাঠে একজন একজনকে দৌঁড়ালো, একপর্যায়ে অদ্রিতা মেয়েদের প্রধান অস্ত্র চোখের পানি ছাড়তে শুরু করলো।তখন অণি কাছে আসতেই ইচ্ছেমত মারলো আবার সেই অণির কাঁধেই মাথা রেখে সব ভুলে হাসতে শুরু করলো।
অদ্রিতা মাঠের কোণা ছেড়ে ক্যান্টিনে গিয়ে এক কাপ কপি হাতে বসলো ।তারা রোজ গানের আসর বসাতো অণির গিটারের আওয়াজ আর অদ্রিতার সুমধুর কন্ঠের কোনো জুড়ি ছিলোনা।দুজনেই যেন একটা বিশাল মঞ্চ কাঁপিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।ক্যান্টিনের কতদিনের বিল যে অদ্রিতার হাতে ধরিয়ে দিতো তার কোনো ঠিক নেই।একজন একজনের খাবার কেড়ে খাওয়ার দৃশ্যটা যেন চোখে ভাসে।
নাহ অদ্রিতা আর ধরে রাখতে পারেনি নিজেকে সে সোজা ক্যাম্পাসে তাদের ক্লাসে চলে যায়।সেখানেও রোজ দুজনে একসাথে বসতো।আজও মনে পড়ে অণি ক্লাসে বসেই অদ্রিতার পুরো একটা স্কেচ করে ফেলেছিলো।কি নিখুঁত ছিলো।অদ্রিতা তো সেই স্কেচটা রোজ দেখে আর নতুন করে অণির মায়ায় জড়িয়ে যায়।
রিক্সা করে শহরটা কত ঘুরাঘুরি হতো তাদের তার ঠিক নেই।হুটহাট করে অণি হারিয়ে যেত আর তাকে না পেয়ে অদ্রিতার কতবার যে পথের ধারে একা একা কাঁদতে হয়েছে।দেখা যেত মিনিট দশেক পর আবার হয়তো ফুল নয়ত অবাক করা কিছু নিয়ে এসে পিছন থেকে হাতটা ধরে হাঁটতে থাকতো।অদ্রিতা ভাবতে তারা যেন কতযুগ এভাবে হেঁটে আসছে।খুশিতে আর অভিমানে এক মিশ্রিত মুখ তৈরী হতো তার। সে ভাবতো এ হাত যেন কখনো না আলাদা হয়।এ যেন এক বিশ্বাস আর ভরসার ভিত্তি।
ওইযে কাটগোলাপ গাছের কথা বলেছিলাম।অদ্রিতা সেখানেই বসে আছে এখন।তার এখনো স্পষ্ট মনে পড়ে ভার্সিটির শুরুতে এই কাটগোলাপ গাছের নিচেই অণির সাথে তার পরিচয় তাও আবার ঝগড়া দিয়ে।নিচ থেকে ধরা যায় এমন একটা কাটগোলাপ নেওয়ার জন্য অদ্রিতা লাপাচ্ছিলো আর ওদিকে অণি পিছন থেকে বলে উঠলো এরকম করে এজীবনে আপনার ফুল পাওয়া হবেনা।অদ্রিতা সবসময়ই কথা ভিন্নভাবে নিত।সোজাকথা সহজ কথাকে কঠিন করে নিত।সে অণির সামনে এসে বলল- কি বলতে চাচ্ছেন হুমমমম।আমি বাটুল!!অণিও মজা শুরু করলো-আমার তো তাই মনে হয়।এভাবেই ঝগড়া শুরু আর অণি নিজেই ফুলটা নিয়ে চুপচাপ অদ্রিতার মাথায় পরিয়ে দিয়ে চলে গেল।সেদিনের মত আজও অদ্রিতা নিশ্চুপ হয়ে পথের দিকে তাকিয়ে আছে।
এত আনন্দ এত সুখের মাঝে কাল হয়ে দাঁড়ালো এক পথশিশু।একদিন অদ্রিতা দেখলো অণি একটা ছোট ছেলের হাত ধরে পথের ধারে হাঁটছে।এভাবে কয়েকদিনই দেখলো তাই কৌতুহলটা মিটানোর জন্য অদ্রিতা একা ছেলেটির সাথে দেখা করে আর এমনভাবে কথা বলল যেন সে অণি আর ছেলেটির সম্পর্কের সব জানে।ছেলেটি কথার মাঝেই বলল-আইচ্ছা আপা ভালা মানুষগুলা দুনিয়াতে বেশিদিন বাঁচেনা কেন?অদ্রিতা কিছুটা চমকে গিয়ে জিগ্যেস করলো -কে সেই ভালো মানুষ?কেন আপা আপনে জানেননা অণি ভাই বেশিদিন বাঁচবো না।কথাটা যেন গলায় কাঁটার মত বিধলো অদ্রিতা চুপচাপ উঠে চলে আসলো আর অণিকে কল দিলে জরুরী দেখা করতে বলল।
দুজনেই চুপ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ওই কাটগোলাপ গাছের নিচে।অণিরুদ্ধের ব্রেইন টিউমার ডাক্তার বলেছে লাস্ট স্টেজে আছে যেকোনো সময় কিছু ঘটতে পারে।।অণি নিজেকে আটকে রাখতে পরেনি অদ্রিতাকে জড়িয়ে কাঁদতে লাগলো অভিমানি অদ্রিতার রাগ ভাঙ্গানোর জন্য।অদ্রিতাও কাঁদছে আর বারবার দুঃখ আর অভিমান নিয়ে বলছে তুই আমাদের আগে বলিসনি কেন???????
এভাবেই আমাদের পাশের অনেক প্রিয়জন নিজেদেরকে লুকিয়ে রাখে হয়তো যদি আমাকে বাকী সময় কারো সহানুভূতি নিয়ে বাঁচতে হয়।আর সবচেয়ে কাছের মানুষটাকে জানানো হয়না তার কষ্ট হবে বলে।এমন অনেক কাহিনী এখনো বাস্তবতায় চলমান।।গল্পটা লিখলাম আমার এক পরিচিত জনের স্মৃতি হিসেবে।আমার সাথে তার পরিচয় ছিলো ৩ ঘন্টা ২০ মিনিটের।।।তার কাহিনীটাই তুলে ধরলাম।
ডিপ্রেশন বা হতাশাঃ উত্তোরনের উপায়-
লেখকঃ নাদিম রহমান
ডিপ্রেশন এমন একটা জিনিস যেটার জন্য মানুষ অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নেয়। আসলে ডিপ্রেশন হঠাৎ করে হয় না। মানুষ যখন তার অতীত এর ভুলের জন্য ভবিষ্যতে এর ফলাফল খারাপ হবে এইটা চিন্তা করে তখন সে ডিপ্রেশনে পড়ে যায়। আসলে ডিপ্রেশনে পড়ার নানা কারন আছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত এইটা ভাবার কারনে মানুষ ডিপ্রেশনে ভুগে।
তবে ডিপ্রেশন দূর করার জন্য ইসলাম অনেক সাহায্য করে। একটা গল্প দিয়ে শুরু করি।
একজন লোক তার নাম রফিক। তিনি একজন বিরাট ব্যাবসায়িক মানুষ ছিলেন। তার ব্যাবসা খুব ভালো চলছিল। হঠাৎ করে একদিন রাতে আগুন লেগে তার দোকান পুড়ে যায়। এতে রফিক সাহেবের অনেক ক্ষতি হয়। তিনি অনেক হতাশ হয়ে পড়েন। কীভাবে কী করবেন বুঝতেছেন না। তিনি অনেক ডিপ্রেশনে পড়ে যায়। তার একদিন রাতেও ঠিক মতো ঘুম হয় না। এইভাবে কেটে গেলো ৫ দিন।
রফিক সাহেবের রাতে ঘুম আসে না দেখে তিনি রাতে বাসা থেকে বেরিয়ে রাস্তার ধারের ল্যাম্প পোস্ট এর নিচে গিয়ে মাথায় হাত দিয়ে চিন্তা করতে লাগলো। তাকে অনেকক্ষন যাবত একটা লোক খেয়াল করতে ছিলেন। তার পর ঐ লোকটা রফিক সাহেবের কাছে আসলো। এর পর তাদের কথোপকথন……
লোক : ভাই আপনার কি হয়েছে। আপনার কি মন খারাপ??
রফিক : না ভাই। আপনি আপনার কাজে যান তো..! (ধমক সুরে)
লোক : ভাই আমার সাথে শেয়ার করেন হয়তো আমি আপনার সমস্যার সমাধান দিতে পারবো।
রফিক : তাহলে শুনুন…
(এর পর রফিক তার সব কথা বললো)
রফিক সাহেবের কথা শুনে কিছুক্ষন চুপ থাকার পর লোকটা তাকে বললো ” আমি আপনাকে কয়টা কাজ দিব। আপনি ৭ দিন কাজগুলা করবেন। তাহলে দেখবেন আপনার হতাশা দূর হয়ে যাবে। কাজগুলো হলো…..
১. দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন।
২. নিজেকে গভীরভাবে অনুভব করবেন।
৩. রাতে ঘুমানোর চেষ্টা করবেন। যদি ঘুম না আসে তাহলে আল্লাহর ইবাদত করবেন।
৪. সৃষ্টিকর্তার কাছে মুনাজাত এ দোয়া করবেন।
৫. আপনার পছন্দের কোন একটা নিরব জায়গায় যাবেন৷ আর বাতাসের সাথে ঘন ঘন দীর্ঘশ্বাস ফেলবেন।
৬. কোরআন অর্থ সহ পড়বেন। ”
এরপর লোকটা বললো সাতদিন পড় ঠিক এই জায়গায় আমরা আবার দেখা করবো।
রফিক সাহেবে লোকটার কথা শুনার পর বাসায় চলে গেলেন। এবং পরের দিন সকাল থেকে লোকটার কথা মতন এই কাজগুলো করা শুরু করেন। এইভাবে করতে করতে রফিক সাহেব ৬ দিন পর তার হতাশা কাটিয়ে সুস্থ জীবনে পিরে এসেছে। এখন সে তার সকল কাজে এক্টিভ৷ সে এখন আবার তার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান নতুন করার চিন্তা করছে।
আজ সপ্তম দিন। আজর রাতে সে ঐ জায়গায় লোকটার সাথে দেখা করতে যায়। লোকটা তাকে জিজ্ঞেস করে ” কি জনাব এখন কি আর হতাশা আছে?” রফিক সাহেব বললেন ” না আমি এখন আমার কাজে যথেষ্ট এক্টিভ”
এর পর লোকটা বললো ” ইসলাম ই পারে ডিপ্রেশন থেকে আমাদের মুক্তি দিতে” এই বলে লোকটা চলে গেলেন।….
এইগল্পটা থেকে আমাদের শিক্ষার বিষয় হলো আমারা যখনই হতাশায় পড়বো তখন বেশি বেশি আল্লাহর ইবাদত করবো। তাহলে ইনশাআল্লাহ আমার ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পাবো।
এইছাড়াও জ্ঞানী লোকেরা কিছু কথা বলেছেন তাদের কথাগুলো অনুসরণ করতে পারি কথা গুলো হলো:
১.নিজের মন থেকে এই depression নামক রোগটিকে দূর করতে গেলে প্রথমে তো তোমাকে এই সরল সত্যটা বুঝতে হবে যে, জীবন এতটাও সহজ নয় | যদি জীবনে Ups & Downs-ই না থাকে তাহলে সেই জীবনের কোনো অর্থই থাকেনা | জীবনে কোনো সমস্যা না থাকলে কোনো মানুষই এর সঠিক অর্থটা বুঝতে পারতো না |
২.Depression থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য একটি মানুষকে সবার আগে তার অতীতের খারাপ স্মৃতি গুলিকে ভোলা প্রয়োজন কারণ সেইসব স্মৃতিই একটি মানুষকে জীবনে নতুন কিছু করতে বা নতুন ভাবে ভাবতে বারংবার বাঁধার সৃষ্টি করে |
৩.Depressed মানুষরা সাধারণত Negative বিচার ভঙ্গি দিয়ে পৃথিবীকে দেখে থাকে | যেহেতু তাদের মন সেইসময় খারাপ থাকে তাই এই জিনিসটাই হওয়াই স্বাভাবিক | এই কাজটা থেকে দুরে থাকার চেষ্টা করতে হবে।
উপরোক্ত এই কাজগুলো করলে আশা করি আমরা খুব সহজেই ডিপ্রেশন বা হতাশা থেকে মুক্তি পাবো।
Remember one thing ” Al-Quran save us from depression “
নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কে?
লেখকঃ মোঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম
বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে স্বাধীন হয়। স্বাধীনতার আজ ৪৯ বছর। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় স্বাধীনতার ৪৯ বছরেও আমরা পূর্ণ স্বাধীন নই। স্বাধীনতার পর থেকেই আমরা নানা ভাবে স্বাধীনতা হীনতায় ভুগতেছি। আজ আমার দেশের কৃষক শ্রমিক, নারী পুরুষ সবাই কোন না কোন ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পায় না। আজ আমি সবার বিষয় নিয়ে লিখবো না। লিখবো নারীর স্বাধীনতা নিয়ে। স্বাধীনতার পর থেকেই আমাদের নারীরা নানা ভাবে নির্যাতিত নিপীড়িত। নারীর কাজ করার স্বাধীনতা থাকলেও তারা তাদের ইজ্জত রক্ষার স্বাধীনতা পায় না।
বাংলাদেশের আজকের এই অগ্রগতির পিছনে নারীর অবদান কোন অংশেই কম নয়। তারা আজ অনেক শিক্ষিত ও কর্মঠ। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় নারীরা প্রতিনিয়ত কর্মক্ষেত্রে, রাস্তায় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। ব্যাক্তিত্ব হীন কিছু পুরুষের কাছে আজ নারীরা নিরাপদ নয়।
প্রতিনিয়ত ই আমাদের দেশে নারীরা ধর্ষণের শিকার হয়। বাংলাদেশ পুলিশ এর মতে গত বছর ২০১৯ সালে প্রতিদিন ১৪ জন নারী ও ২ জন শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র এর (আসক) ২০১৯ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, সারা দেশে ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার ১ হাজার ৪১৩ নারী ও শিশু।
অফিসে, গণপরিবহনে, বাসায় সব জায়গায় তারা আজ নিরাপত্তা হীন। এমনকি যেখানে প্রতিটি নাগরিক এর নিরাপদ স্থান সেই আইনের দায়িত্বশীল ব্যাক্তির হাতে ধর্ষিত। যদি এই দায়িত্বশীল ব্যাক্তিরা ধর্ষণ করে তাহলে নারীর নিরাপত্তা দিবে কে?
আজকে দেশের অধিকাংশ নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের বিচার হয় না। আমরা দেখেছি কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এর মতো স্থানে সামরিক বেষ্টনীর মধ্যে তনু নামে একটি মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যা করে। সেই তনুর অপরাধীরা এখনো গ্রেফতার হয় নি। সিলেটের খাদিজা কে কুপিয়ে জখম করে বদরুল নামে এক নেতা। তাকে গ্রেফতার করা হলেও তার কোন বিচার হতে দেখিনি। রিশাকে হত্যাকারী সেই মানুষটির রায় হয়েছে তবে এখনো বিচার কার্যকর হয় নি। আদৌ হবে কিনা তাও অনিশ্চিত। ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত কে ধর্ষণ হত্যা করে অধক্ষ্য সিরাজ। তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে রায়ও হয়েছে তবে এখনো বিচার কার্যকর হয় নি। অনেক সময় অপরাধী গ্রেফতার হলেও তারা টাকা দিয়ে,ক্ষমতার অপব্যবহার করে পার পেয়ে যায়। আইনের অধিকাংশ দায়িত্বশীলই এখন টাকা ও ক্ষমতার কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। যদি ওরা এভাবে বিক্রি হয়ে যায় তাহলে অবশ্যই বিকল্প কোন গোষ্ঠী বের হতে হবে যাদের কাছে নারী নিরাপদে থাকবে।
আজ একটি নারী তার বাবা,ভাই এর কাছে নিরাপদ নয়। আজকে আমরা প্রায় সময় দেখি বাবা মেয়েকে ধর্ষণ করে। ভাই বোনকে ধর্ষণ করে। আজ যেখানে তার বাবা ভাই এর কাছে নিরাপদ নয় সেখানে বাইরের মানুষের কাছে কিভাবে নিরাপদ হবে?
আজকের সমাজে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে যে শিক্ষার প্রয়োজন সেই শিক্ষা পায় না যুব সমাজ। যুব সমাজ কে নৈতিকতা সম্পন্ন করতে হবে। যদি তারা নৈতিকতা সম্পন্ন না হয় তাহলে তারা তো এসব নীতি নৈতিকতা হীন কাজ জড়িয়ে পড়বে। প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে যদি শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা দেয়া যায় তাহলে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। নারী নির্যাতন আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। নারী নির্যাতন রোধে বিভিন্ন সভা সেমিনারের আয়োজন করা। নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া দরকার। দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে সরকারকে উদ্যোগে নিতে হবে। তাহলেই নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। আসুন নারীকে সম্মান করি। নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করি।।
লেখকঃ
মোঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম
সহঃ প্রচার সম্পাদক-
রাধাপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ও
সাংগঠনিকসম্পাদক-
রেড ড্রপস বাংলাদেশ।
“দুদকের মামলায় শ্রীঘরে লক্ষ্মীপুরে জজ কোর্টের গাড়ি চালক”
নিজস্ব প্রতিবেদক :
সরকারী অফিসের গাড়ি চালকদের দুর্নীতি যেন থামছেইনা! এবার অভিযোগ উঠেছে লক্ষ্মীপুর জজ কোর্টের গাড়ি চালক নূর হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে। অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তা বেনামে আপন সহোদরের নামে ভোগ দখলের অভিযোগে লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের গাড়ী চালক নুর হোসেন পাটওয়ারী ও তার ভাই আমির হোসেন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুদক। দুর্নীতি দমন কমিশনের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে পৃথক দুটি মামলায় দুজনকে কারাগারে প্রেরন করা হয়।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদ বাদী হয়ে মামলাগুলো দায়ের করেন।
আজ (১১ অক্টোবর) রবিবার সকালে এ বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা দায়েরা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন। পিপি জনান,দুদকের মামলায় নূর হোসেন পাটোয়ারী জেলা ও দায়রা জজ জনাব রহিবুল ইসলাম এর আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বিবাদীর আইনজীবী এডভোকেট হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন,দুদকের কাছে সম্পদের হিসাব না দেওয়া ও জামিন অযোগ্য ধারা হওয়ায় তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
আসামি নুর হোসেন ও আমির হোসেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের যাদৈয়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ উল্যা পাটওয়ারীর ছেলে। নুর হোসেন লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের গাড়ি চালক ও আমির হোসেন একজন ব্যবসায়ী। এজাহার সূত্র জানায়, আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগ দখলে থাকার অভিযোগে দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয় ২০১৯ সালের ৮ জুলাই নুর হোসেন ও আমির হোসেনকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করে। এরআগে ওই কার্যালয় তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করে।
২০১৯ সালের ১৯ নভেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয় নোয়াখালী কার্যালয়কে ওই দুই ভাইয়ের সম্পদ বিবরণীর আদেশ জারির নির্দেশ দেয়। এ প্রেক্ষিতে ২৯ ডিসেম্বর নোয়াখালী কার্যালয় বিবরণীর আদেশ জারি করেন। এরমধ্যে নুর হোসেনকে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ও আমির হোসেনকে ১৬ ফেব্রুয়ারি সম্পদ বিবরণীর ফরম বুঝিয়ে দেয়া হয়।তিনি সম্পদের হিসাব না দেওয়া তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। দুদকের নোয়াখালী কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিদর্শক
আবুল কালাম আজাদ তাদেরকে ফরম বুঝিয়ে দিয়ে অফিস কপিতে স্বাক্ষর নেন। কিন্তু ফরম বুঝে পাওয়ার দিন থেকে ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করার কথা থাকলেও তারা তা করেনি। এমনকি তারা সময় বৃদ্ধির আবেদনও করেননি। এজন্য দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।
সপ্তাহে ৩ কোটি কামাবেন কেভিন ডি ব্রুইনি
বাংলাদেশি অংকে যেটি ৩ কোটি টাকারও বেশি!
আগের চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৩ সাল পর্যন্ত ক্লাবটিতে থাকার কথা ডি ব্রুইনির। বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে ২ লাখ ৮০ হাজার ইউরো বেতন পান এই তারকা মিডফিল্ডার। তবে ২৯ বছর বয়সী এই ফুটবলারের সঙ্গে আরো দীর্ঘমেয়াদে চুক্তি সারতে চায় সিটিজেনরা। সে হিসেবেই বেতনটাও আরো আকর্ষণীয় করার কথা ভাবছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।
৫৪ মিলিয়ন ইউরো ট্র্যান্সফার ফি’তে ২০১৫ সালে সিটিতে যোগ দেন কেভিন ডি ব্রুইনি। এরইমধ্যে বেশকিছু ক্লাব তার দিকে হাত বাড়ালেও বেলজিয়ান তারকা জানিয়েছেন, তিনি এবং তার পরিবার ম্যানচেস্টারে বেশ সুখেই আছেন। তবে আর্থিক কেলেঙ্কারির দায়ে গেলবছর ম্যানসিটিকে ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা-উয়েফা নিষিদ্ধ করায়, ক্লাবটিতে নিজের ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কার কথাও স্বীকার করেছিলেন ব্রুইনি। গেল ৫ বছরে দলের হয়ে ৭টি মেজর ট্রফি জিতেছেন ব্রুইনি। জিতেছেন ইপিএলও। নিজেও হয়েছেন লিগটির সেরা ফুটবলার। বর্তমান সময়ের সেরা মিডফিল্ডারের স্বীকৃতিটাও কুড়িয়ে নিয়েছেন এরইমধ্যে। সবমিলিয়ে বেলজিয়ান তারকাকে নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট সিটিজেনরা। এবার তাকেও সন্তুষ্ট করার পালা ক্লাব কর্তৃপক্ষের।
বিশেষ গুদাম বানাচ্ছে করোনা টিকা মজুতে ভারত
করোনার টিকা যথাযথভাবে মজুত করতে দেশব্যাপী বিশেষ কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করছে ভারত। ভ্যাকসিন ভালো রাখতে হলে মাইনাস ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় তা সংরক্ষণ করা জরুরি বলে জানা গেছে। বিশেষজ্ঞদের আশা, একটি ভারতীয় ও অন্তত তিনটি বিদেশি টিকা কয়েক মাসের মধ্যে হাতে আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে মাইনাস ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সেগুলিকে মজুতের বন্দোবস্ত করতে হবে।
করোনার টিকা মজুত করতে আগেভাগেই দেশ জুড়ে কোল্ড স্টোরেজের বন্দোবস্ত করার কথা ভাবছে দেশটির সরকার। সরকারি-বেসরকারি ওষুধ নির্মাতা সংস্থা, কৃষি বিপণন ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ সংস্থা, এমনকি স্টার্ট-আপ সংস্থাগুলির সঙ্গেও এই বিষয়ে কথা বলেছে সরকারি বিশেষজ্ঞ কমিটি।
collected news somoy tv
গুচ্ছ না ক্যাট পদ্ধতি চূড়ান্ত নয় এইচএসসি না হলেও ভর্তি পরীক্ষা হবে
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি গুচ্ছ না কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা (ক্যাট) পদ্ধতিতে নেয়া হবে সেটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। যদিও বুধবার সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে গুচ্ছ পদ্ধতির পরীক্ষায়। সমন্বিতভাবে এ পরীক্ষা নেয়া হবে। জানুয়ারি মাসে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রম শুরু হতে পারে।তবে তখন যে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং সশরীরে পরীক্ষাটি নেয়া যাবে সেটি কেউ নিশ্চিত করতে পারবে না। পরীক্ষার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ই সিদ্ধান্ত নেবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ইতোমধ্যে তিনটি পদ্ধতির প্রস্তাব এসেছে। প্রথমে গুচ্ছ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী ভর্তির চিন্তা নিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সঙ্গে ইউজিসি বৈঠকে বসেছিল গত বছরের শেষদিকে। প্রথম বৈঠকে এ পদ্ধতি বাদ দিয়ে সমন্বিত এবং পরে ক্যাট পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সমন্বয়ে একটি কমিটিও করা হয়। ওই কমিটিই ভর্তিতে ক্যাট পদ্ধতির প্রস্তাব করে।
কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আমাদের একটা কমিটি আছে। গত ২৩ মার্চ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের নিয়ে একটি সভা ছিল।করোনার কারণে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। করোনার বর্তমান পরিস্থিতিতে আসছে শীতকাল। বিশ্ববিদ্যালয় কবে খুলবে এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ভর্তি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অনলাইনে সভা করে সব সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না।
তবু সরকার যেহেতু এইচএসসির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখন আমাদের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ভাবতে হবে। পরিস্থিতি ভালো হলে অবশ্যই ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে, এর বিকল্প নেই।
ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং বুয়েট বাদে দেশের বাকি সব বিশ্ববিদ্যালয় সম্মিলিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে নীতিগতভাবে একমত পোষণ করেছে। গত বছর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়ে গুচ্ছভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরা ক্যাট প্রবর্তন করতে চাচ্ছেন। আর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) চাচ্ছে গুচ্ছ পদ্ধতি। এ অবস্থায় শেষ পর্যন্ত কোনটি গ্রহণ করা হবে সেটা নিয়ে টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।জানা গেছে, করোনা সংক্রমণের ভয়ে এইচএসসি না হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হবেই। এটা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাদের মতে, অপরিহার্য পরীক্ষা বাতিল করা হল, অথচ একই পরিস্থিতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সেক্ষেত্রে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় কোন পরীক্ষাটি অপরিহার্য তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে জানুয়ারি মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর কথা বলা হলেও করোনার কারণে পরীক্ষা পেছাতে পারে। সেক্ষেত্রে শীতের শেষে ফেব্রুয়ারি বা মার্চে পরীক্ষাটি নেয়া হতে পারে।তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি অপেক্ষা করতে না চায় তাহলে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে আয়োজন করা হলেও সশরীরে পরীক্ষাটি হবে না। এ সংক্রান্ত আলোচনার লক্ষ্যে আগামী ১৫ অক্টোবর বৈঠক ডেকেছে ইউজিসি। সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
যদিও বুধবার সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে গুচ্ছ পদ্ধতির পরীক্ষায়। সমন্বিতভাবে এ পরীক্ষা নেয়া হবে। জানুয়ারি মাসে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রম শুরু হতে পারে।তবে তখন যে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং সশরীরে পরীক্ষাটি নেয়া যাবে সেটি কেউ নিশ্চিত করতে পারবে না। পরীক্ষার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ই সিদ্ধান্ত নেবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ইতোমধ্যে তিনটি পদ্ধতির প্রস্তাব এসেছে। প্রথমে গুচ্ছ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী ভর্তির চিন্তা নিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সঙ্গে ইউজিসি বৈঠকে বসেছিল গত বছরের শেষদিকে। প্রথম বৈঠকে এ পদ্ধতি বাদ দিয়ে সমন্বিত এবং পরে ক্যাট পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সমন্বয়ে একটি কমিটিও করা হয়। ওই কমিটিই ভর্তিতে ক্যাট পদ্ধতির প্রস্তাব করে।
কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আমাদের একটা কমিটি আছে। গত ২৩ মার্চ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের নিয়ে একটি সভা ছিল।করোনার কারণে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। করোনার বর্তমান পরিস্থিতিতে আসছে শীতকাল। বিশ্ববিদ্যালয় কবে খুলবে এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ভর্তি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অনলাইনে সভা করে সব সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না।
তবু সরকার যেহেতু এইচএসসির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখন আমাদের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ভাবতে হবে। পরিস্থিতি ভালো হলে অবশ্যই ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে, এর বিকল্প নেই।
ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং বুয়েট বাদে দেশের বাকি সব বিশ্ববিদ্যালয় সম্মিলিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে নীতিগতভাবে একমত পোষণ করেছে। গত বছর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়ে গুচ্ছভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে।
বড় হিসেবে পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নতুন পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় না আসায় অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন। সব ক’টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে একসঙ্গে নিয়ে আসতে না পারায় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা বা ক্যাটের আয়োজন কিছুটা ধাক্কা খাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রত্যাশা, স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে সব বিশ্ববিদ্যালয় একটি ভর্তি পরীক্ষার অধীনে চলে আসবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, অ্যাডমিশন কমিটি, ডিনস কমিটি ও একাডেমিক কাউন্সিলে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে কোন পদ্ধতিতে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হবে। শিগগিরই এসব আলোচনা শুরু হবে। সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেবে কিনা ও করোনার মধ্যে শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষা দিতে হবে কিনা জানতে চাইলে ভিসি বলেন, এর প্রতিটি বিষয়ই ওইসব কাউন্সিল ও কমিটিতে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, আমরা গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করাব। এক্ষেত্রে তিনটি গুচ্ছ হবে। এগুলো হচ্ছে- কৃষি, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি এবং সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।
প্রথম দুটির জন্য দুটি পরীক্ষা হবে। শেষেরটির জন্য বিজ্ঞান, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান এবং বিজনেস স্টাডিজে তিনটি পরীক্ষা হবে। তিনি বলেন, আলোচনা অনুযায়ী বড় পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা পরীক্ষায় শিক্ষার্থী ভর্তি করবে।
তবে বিদ্যমান পরিস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক স্বার্থ সামনে রেখে বড় পাঁচটিও গুচ্ছবদ্ধ পরীক্ষায় চলে আসবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি। ১৫ অক্টোবর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়ে একটি বৈঠক আছে। সেখানে বিষয়টি আলোচনা হবে বলে আশা রাখছি।
অবশ্য ইতোমধ্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেছেন, এ পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় না এলেও বাকিদের নিয়ে আসন্ন শিক্ষাবর্ষ থেকেই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গুচ্ছ বলি আর ক্যাট বলি- সমন্বিতভাবে পরীক্ষায় শিক্ষার্থী ভর্তি এখন সময়ের দাবি। গোটা ভারতে একটি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সেখানে আমাদেরও পারার কথা।
দেশে বর্তমানে ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যে ৩৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করে থাকে। গত ২০ ফেব্রুয়ারি বুয়েট এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা ক্যাটে আসবে না। ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২৪ ফেব্রুয়ারি। এর দু’দিন পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় একই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছিল।
ইউজিসি কর্মকর্তারা বলেন, প্রতি বছর গড়ে ৯ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে। তবে এ বছর সবাইকে পাস করিয়ে দেয়ায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৬৫৭৮৯ জন। দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রথম বর্ষে ৬০ হাজারের মতো আসন আছে। এর বিপরীতে পরীক্ষা দেন ৫-৬ লাখ শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আলাদা পরীক্ষার আয়োজন করায় এসব শিক্ষার্থী শারীরিক ও মানসিক ভোগান্তি পোহায়।
আর্থিক ব্যয় তো আছেই। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে পাস করিয়ে দেয়ার ঘোষণায় এ বছর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা জমজমাট হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা। উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের সব মেডিকেল কলেজে অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়। গত বছর কোনোরকম ঝামেলা ছাড়াই সাত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভিত্তিক বা সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে।
আইপিএলে নামতে পারলেন না গেইল
একের পর এক ম্যাচ হারতে হারতে এখন পয়েন্ট টেবিলে সবার নিচে কিংস এলেভেন পাঞ্জাব। টুর্নামেন্টে অন্তত ২টি করে ম্যাচ জিতেছে বাকি সাত দল। শুধুমাত্র পাঞ্জাবই নিজেদের প্রথম ছয় ম্যাচে পেয়েছে মাত্র একটি জয়ের দেখা, তাও চার ম্যাচ আগে।টানা চারটি ম্যাচ হারলেও দলের অন্যতম সেরা তারকা, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের রাজা ক্রিস গেইলকে মাঠে নামায়নি পাঞ্জাব। যা নিয়ে আইপিএলসহ পুরো ক্রিকেটাঙ্গনেই চলছে নানান গুঞ্জন। আইপিএল ক্যারিয়ারে যার রয়েছে দেড়শ’র বেশি স্ট্রাইকরেটে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার রান, তাকে কি না দলেই নিচ্ছে না পাঞ্জাব!
এর পেছনে কি শুধু গেইলের বয়সের কাঁটা ৪১ ছুঁয়ে ফেলাটাই একমাত্র কারণ? নাকি অন্য রয়েছে অন্য ক্রিকেটীয় ব্যাখ্যা? অবশ্য পাঞ্জাবের অন্যান্য বিদেশি খেলোয়াড় বিশেষ করে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের টানা ব্যর্থতার পর ক্রিকেটীয় ব্যাখ্যার জায়গা বাকি থাকে খুবই কম। যেমনটা জানালেন দলের কোচ অনিল কুম্বলেও।হায়দরাবাদের বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালীন সময়ে ব্রডকাস্টারদের দেয়া সাক্ষাৎকারে কুম্বলে বলেন, ‘আজ (বৃহস্পতিবার) আমরা গেইলকে খেলাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে ফুড পয়েজনিংয়ের কারণে বেশ দুর্বল বোধ করছে গেইল। তাই তাকে নিতে পারছি না আমরা।’
বৃহস্পতিবার রাতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে ৫৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে টুর্নামেন্টের অন্যতম দারুণ সূচনা করা পাঞ্জাব। এই ম্যাচে খেলার কথা ছিল গেইলের। কিন্তু অদ্ভুত এক কারণে খেলতে পারেননি তিনি। যা সবার কাছে পরিষ্কার করেছেন পাঞ্জাবের হেড কোচ কুম্বলে। মূলত খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে তাকে নিতে পারছে না পাঞ্জাব
টপঅর্ডারে ফর্মে রয়েছে দলের অধিনায়ক লোকেশ রাহুল এবং আরেক ওপেনার মায়াঙ্ক আগারওয়াল। তবু আইপিএল ক্যারিয়ারে যার রয়েছে ছয়টি সেঞ্চুরি, গত আসরেও যিনি ১৫৩ স্ট্রাইকরেটে করেছেন ৪৯০ রান, সেই গেইলের একটা অন্যরকম চাহিদাই থাকার কথা টুর্নামেন্টে। যে কারণে বিশ্লেষকদের অনেকেই বলছেন অফফর্মে থাকা দলের আরেক বিদেশি খেলোয়াড় ম্যাক্সওয়েলের বদলে গেইলকে নেয়ার কথা। এখনও পর্যন্ত ছয় ম্যাচে মাত্র ৪৮ রান করতে পেরেছেন ম্যাক্সওয়েল, স্ট্রাইকরেট আশির ঘরে। তাই তার বদলে গেইলের দলে ঢোকা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।
সরকার নয়, বিএনপির টপ টু বটম পদত্যাগ করা উচিত: কাদের
সরকার নয়, আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থতার দায়ে বিএনপির টপ টু বটম পদত্যাগ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকায় নিজের সরকারি বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির আন্দোলন শুধু মুখে আর পত্রিকার পাতায় ও ফেসবুক স্ট্যাটাসে।
তিনি বলেন, বিএনপি দেশে-বিদেশে যেখানেই সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র করুক না কেন, সে সম্পর্কে সরকার সজাগ। তিনি বলেন, যেকোনো অপকর্ম রাজনৈতিক রঙ দিয়ে আড়াল করতে চায় না সরকার।
বার্ষিক পরীক্ষা না হলে অটো প্রমোশন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
:করোনা মহামারিতে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে অটো প্রমোশন দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার ৩১টি উপজেলার শতভাগ বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অনলাইনে নোয়াখালীর শুভশ্রী রায় নামে এক ছাত্রীর বক্তব্য শোনার পর প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি জানি আমাদের শিক্ষার্থীদের সত্যিই খুব কষ্ট হচ্ছে। এই যে এতদিন পর্যন্ত স্কুল নাই, ক্লাস নাই, পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে। কিছু করারও উপায় নেই, কারণ এটি শুধু বাংলাদেশ না সারাবিশ্বই এই সমস্যায় ভুগছে।’
শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষার প্রসঙ্গে সরকারপ্রধান বলেন, ‘টেলিভিশনের মাধ্যমে অনলাইনে আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। বইপত্র তো আছেই। সব শিক্ষার্থীকে বলবো ঘরে বসেই তারা পড়াশোনা করুক।’
‘তারপর দেখি আমরা কীভাবে কী করতে পারি। কারণ সামনে তো ফাইনাল পরীক্ষা। পরীক্ষা তো আর হবে না, সেক্ষেত্রে আর কী করা যেতে পারে। প্রমোশনটা দেওয়া কিংবা পড়াশোনা যাতে চলতে পারে সেই ব্যবস্থাটাই করা’─যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে ১৮ জেলার ৩১টি উপজেলার শতভাগ বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এতে দেশের মোট ২৮৮টি উপজেলা শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় এলো। এর ফলে দেশের ৯৭ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করবে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জেলার প্রশাসক, জনপ্রতিনিধি ও নানা পেশাজীবীর কথা শোনেন প্রধানমন্ত্রী।
সংগৃহীত সংবাদ ঢাকা টাইম্সের।
আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক বলেন যেকোনো মূল্যে রাজশাহী মহানগরীকে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত করা হবে
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কাশিয়াডাঙ্গা বিভাগের আয়োজনে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছ। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা কলেজ অডিটোরিয়ামে বিট পুলিশিং সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, অতিরিক্ত কমিশনার সুজায়েত ইসলাম। সভায় সভাপতিত্ব করেন, কাশিয়াডাঙ্গা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আরেফিন জুয়েল। সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন, কাশিয়াডাঙ্গা জোনের এডিসি ডি,এম, হাসিবুল বেনজীর। পুলিশ কমিশনার তাঁর বক্তব্যে বলেন, রাজশাহী মহানগরী হবে সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত। তিনি নিজেই জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশকে রোল মডেল এবং অনুকরণীয় হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সভায় আরোও উপস্থিত ছিলেন, কাশিয়াডাঙ্গা বিভাগের কাশিয়াডাঙ্গা, কর্ণহার ও দামকুড়া থানার মুক্তিযোদ্ধা, চেয়ারম্যান, ওয়ার্ড কাউন্সিলর, মেম্বারগণসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রায় ৩০০ জন স্থানীয় জনসাধারণ।
আমিন উদ্দিন হলেন নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল
বৃহস্পতিবার আমিন উদ্দিনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন হয়। আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, “মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বর্তমান সভাপতি জনাব এ এম আমিন উদ্দিনকে আজ বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।”আমিন উদ্দিন তিন দশক ধরে সর্বোচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে কাজ করে আসছেন। ১৯৮৯ সালের ২৮ অক্টোবর তিনি সুপ্রিম কোর্টে তালিকাভুক্ত হন।
আমিন উদ্দিন ২০১৯-২০২০ মেয়াদে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ছিলেন। এবার পুনর্নির্বাচিত হয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। তার আগে তিনি সমিতির সম্পাদকও নির্বাচিত হয়েছিলেন।
৪০ বছরেও বর না পাওয়ার কষ্টে নায়িকা পপি
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সময় এন্টারটেইনমেন্টের কাছে একান্ত সাক্ষাৎকারে ব্যক্তি জীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এ অভিনেত্রী ।
পপি বলেন
দেখতে দেখতে অনেক সময় চলে গেল। চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে অনেক নাম কামিয়েছি। দর্শকরা আমাকে ভালোবাসেন। তাদের ভালোবাসায় আমি ‘চিত্রনায়িকা পপি’ হয়েছি। তবে চলচ্চিত্রের বাইরেও আমার একটা পরিবার আছে। সেই পরিবারের বাবা-মা ভাইবোন রয়েছে। কিন্তু এর বাইরেও নিজের জীবন বলে একটা কথা আছে। আমিও কাউকে নিয়ে জীবন শুরু করতে চাই। তবে মনের মতো মানুষ আর যোগ্য ব্যক্তি না পাওয়ার কারণে এখনো বিয়ে করা হয়ে ওঠেনি।’
আপনার নামে সাথে জায়েদ খানের নাম জড়িয়ে গুঞ্জন রয়েছে। এ প্রসঙ্গে কী বলবেন? এমন প্রশ্নে পপি বলেন, চলচ্চিত্রে একই পরিবারের সদস্য আমরা। আমাদের গণ্ডি এক জাগায়তেই। কাজ করতে গিয়ে প্রত্যেকের সঙ্গে যোগাযোগ থাকে। সেই জায়গা থেকে মানুষ অকারণে গসিপ তৈরি করে সেটা আমাদের ক্যারিয়ারের জন্য হুমকি। আমি প্রত্যেকের কাছে অনুরোধ করব অযোগ্য ব্যক্তির সঙ্গে আমাকে জড়িয়ে আমার ক্ষতি করবেন না। তার সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল না। যেটুকু ছিল সেটুকু হচ্ছে প্রফেশনাল। ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। কুলি ছবির মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর দুই দশকের ক্যারিয়ারে অসংখ্য সুপার-ডুপারহিট সিনেমা উপহার দেন তিনি। পেয়েছেন একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ক্যারিয়ারে বহু প্রাপ্তি থাকলে এখন পর্যন্ত এই নায়িকা ব্যক্তি জীবনে একাই রয়েছেন
collected: somoy tv
থানার সেবা বদলে গেছে ডিআইজি হাবিবের অনন্য উদ্যোগে
পুলিশ সম্পর্কে ভুক্তভোগীদের চিরাচরিত এমন মন্তব্য আমূল বদলে গেছে ঢাকা রেঞ্জের আওতাধীন এলাকায়। পুলিশি সেবাকে জনবান্ধব, হয়রানি ও দুর্নীতিমুক্ত করার লক্ষ্যে ঢাকা রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হাবিবুর রহমান `বেস্ট প্র্যাকটিস’ নামে এ উদ্যোগ সফলতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করছেন। যার সুফল পাচ্ছেন সেবাপ্রত্যাশী মানুষ।গ্রামীণ ব্যাংক কেরানীগঞ্জ বাস্তা শাখার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার জাহিদুল ইসলাম। চলতি মাসের ২৫ তারিখে ব্যাগসহ অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাগজপত্র হারিয়ে ফেলেন তিনি। নিয়ম অনুযায়ী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় গিয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
থানার কর্মকর্তাদের ব্যবহার ও সেবার বিষয়ে জানতে চাইলে জাহিদুল বলেন, ‘ব্যাগ হারিয়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই। কেরানীগঞ্জ থানায় গিয়ে বলি, আমি জিডি করতে চাই। একজন পুলিশ কর্মকর্তা খুব আন্তরিকভাবে আমার কথা শোনেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে জিডি লিখে দেন। এমনকি ওই সময় সেখানে লোক না থাকার কারণে আমাকে নাস্তা খাওয়াতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। বিষয়টি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে।’এমন ইতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা এখন পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের আওতাধীন প্রত্যেক থানা এলাকার মানুষের কাছ থেকে শোনা যাচ্ছে। যারা সেবার জন্য থানা-পুলিশের দারস্থ হয়েছিলেন। কাঙ্ক্ষিত সেবা পেয়েছেন।
সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হোক বা মামলা, টাকা না দিলে কাজ হয় না। তদন্ত কর্মকর্তাকে ঘুষ না দিলে এগোয় না তদন্ত। উপরন্তু অযাচিত নানা প্রশ্নবানে হতে হয় জেরবার। এর ইতিবাচক দিক বিবেচনায় সারাদেশে এই `বেস্ট প্র্যাকটিস’ মডেল অনুসরণের তাগিদ এসেছে। ইতোমধ্যে ডিএমপিসহ সব মেট্রোপলিটন পুলিশ, বিভাগীয় পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশকে এই সেবা বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
১৮৬১ সালে পুলিশ আইনে প্রতিষ্ঠিত এই বাহিনীতে এ ধরনের উদ্যোগ এটাই প্রথম বলে জানা যায়। এই মডেল সেবার সমন্বয়কের দায়িত্বে আছেন ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি আসাদুজ্জামান। তিনি সবিস্তারে জানালেন এই উদ্যোগের বিষয়টি।
আসাদুজ্জামান জানান, ব্যতিক্রমধর্মী এ সেবা বাস্তবায়নের শুরুতে ঢাকা বিভাগের ৪৩ জন সার্কেল এসপিকে নিয়ে একটি বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। এরপর শুরু হয় নতুন এই সেবা বাস্তবায়নের কাজ। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকা রেঞ্জের থানাগুলোতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নথিভুক্ত হওয়া সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও মামলা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার কার্যক্রম শুরুর আগেই অর্থাৎ সকাল ৯টার মধ্যে সার্কেল অফিসে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। বর্তমানে দুটি থানা মিলিয়ে একটি সার্কেল অফিস। সকাল ৯টার মধ্যে অবশ্যই সার্কেল অফিসে নথি পৌঁছাতে হয়। প্রত্যেক সার্কেল অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বাধ্যবাধকতা রয়েছে প্রতিটি সাধারণ ডায়েরি, মামলার কপি তাকে পড়তে হবে। তিনি খতিয়ে দেখবেন কোন জিডি বা মামলা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপযুক্ত।এরপর গুরুত্বপূর্ণ জিডি ও মামলার কপি অভিযোগকারীর মোবাইল নম্বরসহ নির্দিষ্ট ছক পূরণ করে বেলা ১১টার মধ্যে তিনি বিভাগীয় প্রধানের (ডিআইজি) অফিসে পাঠিয়ে দেন। ডিআইজি অফিস থেকে শুরু হয় তদারকি। ডিআইজি অফিসের তদারকি সেল সাধারণ ডায়েরি বা মামলার বাদীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে থানার সেবার মান সম্পর্কে জানতে চান।
এসময় আরো জানতে চাওয়া হয়, সাধারণ ডায়েরি বা মামলা করতে কোনো টাকা নেয়া হয়েছে কিনা? সেবাপ্রত্যাশীর সঙ্গে কেমন ব্যবহার করা হয়েছে? দীর্ঘ সময় ধরে বসিয়ে রাখা হয়েছে কিনা? মামলা বা জিডির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তদন্ত করতে এসেছিলেন কিনা? তদন্ত করতে এসে কোনো ধরনের খরচের টাকা নিয়েছেন কিনা? মামলার প্রয়োজনে কোনও ধরনের কাগজ বের করা বা তৈরি করার জন্য টাকা চেয়েছেন কিনা? তিনি যে কারণে জিডি করেছেন সেই সেবাটি তিনি পেয়েছেন কিনা?
এমন বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। সাধারণ ডায়েরি বা মামলার বাদির কাছ থেকে যদি কোনও একটি প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ আসে এবং অভিযোগ গুরুতর হয় তাহলে সঙ্গে সঙ্গে রেঞ্জ অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারকে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।এই কঠোর পর্যবেক্ষণ ও তদাকির ফলে মামলার বাদি বা জিডি করতে আসা ব্যক্তির কাছ থেকে কোনও টাকা-পয়সা সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা নিতে পারেন না। সেবাও দেওয়া হয় দ্রুত। ভালো ব্যবহার পান ভুক্তভোগীরা। এ উদ্যোগের ফলে ঢাকা রেঞ্জের মধ্যে মামলা বা জিডির ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেন প্রায় ৯৫ ভাগ কমে গেছে। অতিরিক্ত ডিআইজি আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে থানার পুলিশ সদস্যরা কেমন ব্যবহার করছেন এখন আমরা সেই বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি। খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ পেলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কোনো সেবাগ্রহীতা থানায় এলে তাকে সালাম দিয়ে তার সমস্যা জানতে চাইতে হবে। তাকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সেবা দিতে হবে।’
আসাদুজ্জামান বলেন, ‘জিডি বা মামলা দায়ের হওয়ার পর একবার তদরকি করা হয়। এরপর ১৫ দিন বা এক মাস পরে ওই মামলার অগ্রগতির বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হয়। তখনও যদি কোনও ধরনের অভিযোগ পাওয়া যায় সঙ্গে সঙ্গে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।’এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ ডায়েরি, মামলা, পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার বা রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামির কাছ থেকে নির্যাতনের নামে অর্থ আদায় হয় কিনা। ডিবি পুলিশের হাতে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার, মোবাইল কোর্টসহ যেকোনও গ্রেপ্তারের বিষয়ে নির্ধারিত ছক মেনে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। যা পুলিশ সুপার কার্যালয় ও রেঞ্জ অফিসের মাধ্যমে তদারকি করা হয়।
অতিরিক্ত ডিআইজি বলেন, ‘আরও একটি গুরুতর অভিযোগ আছে পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সেবা পেতে টাকা দিতে হয়। আমরা এটা বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছি। একজন আবেদনকারী যখন পাসপোর্টের আবেদন বা পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করবেন তখন এটি পুলিশের আওতায় আসার পরে একটি সার্ভারে এন্ট্রি দেয়া হয়। এরপর সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সেবাগ্রহীতার কাছে এসএমএস চলে যাবে। সেবাপ্রত্যাশীর কাছে যে এসএমএস যাবে সেখানে তদন্তকারী কর্মকর্তার নাম ও মোবাইল নম্বর দেয়া হবে। আর তদন্তকারী কর্মকর্তা যে এসএমএস পাবেন সেখানে সেবাগ্রহীতার ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর থাকবে।’
এক্ষেত্রেও সেবাগ্রহীতার কাছে জানতে চাওয়া হবে সেবাটি পেতে তার কোনও টাকা খরচ করতে হয়েছে কিনা? অথবা টাকা না দেওয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে ভুল রিপোর্ট দেয়া হয়েছে কিনা? জরুরি পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য তিন দিন ও সাধারণ পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য সাত দিন সময় দেওয়া হয়ে থাকে। পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। এক্ষেত্রে সেবাপ্রত্যাশী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে এসএমএস দেওয়া হয়। সেবাপ্রত্যাশীর ভেরিফিকেশন শেষ হলে এসএমএস দিয়ে জানিয়ে দেয়া হয় কখন কোথা থেকে তিনি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট গ্রহণ করবেন।
ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপে জানা যায়, বর্তমান সময়ের বিস্তর অভিযোগ পাওয়া যায় মোবাইল ব্যাংকিং নিয়ে। গ্রাহকের মোবাইল থেকে বিভিন্ন সময়ে নানা কৌশলে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। এটি নিয়েও কাজ করছে ঢাকা রেঞ্জ পুলিশ।
অতিরিক্ত ডিআইজি আসাদুজ্জামান জানান, ঢাকার প্রত্যেক সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অথবা সহকারী পুলিশ সুপারদের এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা রেঞ্জের প্রতিটি থানার ওসিকে তার দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকার মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টদের নাম, পরিচয় ও যোগাযোগের ঠিকানা রাখতে হবে। পাশাপাশি তাদের সবাইকে নিয়ে মাসে একবার আলোচনা সভা করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমনকি ব্যাংকের ম্যানেজারদের সঙ্গে আলোচনা সভা করতে হবে। প্রতিদিন রাতে টহল গাড়িকে এলাকার ভেতরের ব্যাংকের বুথের নিরাপত্তা ও বুথের দায়িত্বে থাকা প্রহরীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এ উদ্যোগের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নকারী ঢাকা রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হাবিবুর রহমান ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘মুজিববর্ষে আমাদের অঙ্গিকার হচ্ছে, পুলিশ হবে জনতার। তারই অংশ হিসেবে আমরা কাজ করছি। জনবান্ধব পুলিশিং শুরু করেছি। পুলিশ জনগণের বন্ধু, আমরা এই বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করছি। থানায় সেবা নিতে এসে মানুষ যে ভোগান্তিতে পড়ে, আমরা তা বন্ধ করতে চাই। মানুষ ইতোমধ্যে এর সুফল পাচ্ছে।ডিআইজি হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের এই সেবাটি মডেল হিসেবে নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি মহোদয় দেশের সব থানাকে এই সেবা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন। বর্তমানে ঢাকা বিভাগের সব থানায় এই সেবা কার্যক্রম চলছে। সেবাপ্রত্যাশী মানুষ এখন পুলিশের কাছে আসতে ভয় পায় না। এটাই আমাদের অর্জন। মানুষ পুলিশকে ভয় পাবে না; বরং বন্ধু ভাববে। যে কোনো সমস্যায় পুলিশের সঙ্গে অবলীলায় যোগাযোগ করবে- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
লক্ষ্মীপুরের বশিকপুর ইউনিয়নে প্রবাসীর স্ত্রী ও শিশু কন্যাকে কুপিয়ে জখম, ঢাকায় প্রেরণ
নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুরের বশিকপুর ইউনিয়নের বালাশপুর গ্রামের দেওয়ান বাড়িতে ঘরে ডুকে মরিয়ম (৩৩) ও সাদিয়া (৮) নামে এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী ও শিশু মেয়েকে দাড়ালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে।এ ঘটনায় মুমূর্ষ অবস্থায় মা-মেয়ে দুজনকে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরাে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন। আজ শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের বালাইশপুর গ্রামের নিজ ঘরে এ হামলার শিকার হন তারা। তবে কি কারণে এ হামলা হয়েছে জানাতে পারেনি কেউ।জাহিদ নামে এক প্রতিবেশি বখাটে এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে।
আহতরা হলেন দেওয়ান বাড়ী নিবাসী সৌদি প্রবাসী নবী উল্যার স্ত্রী মরিয়ম বেগম ও তার মেয়ে ৮ বছরের শিশু সাদিয়া। তাদের দুই হাত ও মাথায় দাড়ালো অস্ত্রের আঘাতের ছিহ্ন রয়েছে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ডাঃ আসিফ মাহমুদ জানান, দুই হাতের কব্জি কাটা ও মাথায় জখম নিয়ে মা ও মেয়েকে জরুরী বিভাগে আনা হয়। প্রাথমিক ভাবে তাদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আশঙ্কা মুক্ত না হওয়ায় মাকে পঙ্গু হাসপাতাল ও মেয়েকে নিওরো সাইন্স মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, রাত আনুমানিক ৮ টার দিকে নবী উল্যার বাড়ি থেকে তার স্ত্রী ময়িমের চিৎকার শুনে তারা ঘটনা স্থলে যায়। এসময় তারা রক্তাক্ত জখম অবস্থায় মা ও মেয়েকে পড়ে থাকতে দেখেন। একই বাড়ির জাহিদ নামে এক বখাটে তাদের উপর হামলা করে বলে স্থানীয়দের জানায় আহত প্রবাসীর স্ত্রী। একপর্যায়ে মুমূর্ষ অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে তাদের দুজনকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে অবস্থার অবনতি দেখে চিকিৎসক তাদের ঢাকায় প্রেরন করেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)জসিম উদ্দিন জানান ঘটনা স্থল পরিদর্শণ করা হচ্ছে। জাহিদ নামে একটি ছেলে তাদের কুপিয়ে আহত করেছে বলে স্থানীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় তদন্ত করেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এই নিউজ লেখা পর্যন্ত সর্বশেষ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ও নোয়াখালীর কৃতি সন্তান আতাউর রহমান ভূইয়া মানিক বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এর নব-নির্বাচিত সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ও নোয়াখালীর কৃতি সন্তান আতাউর রহমান ভূইয়া মানিক বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন এর নব-নির্বাচিত সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর টিভি পরিবারের পক্ষ থেকে আপনাকে অভিনন্দন।।
জাজিরা এয়ারওয়েজ বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করলো
বাংলাদেশে ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু করেছে কুয়েতের জাজিরা এয়ারওয়েজ। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে কুয়েত থেকে উদ্বোধনী ফ্লাইট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছে।বিমানবন্দর সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।জানা গেছে, শুক্রবার (২ অক্টোবর) ভোর ৪টায় যাত্রী নিয়ে কুয়েতের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়ে যাবে ফ্লাইটি।
কুয়েত ও ঢাকা রুটে ফ্লাইট চলাচলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে যাত্রী নেবে জাজিরা এয়ারওয়েজ। এয়ারবাস এ৩২০ উড়োজাহাজের মাধ্যমে যাত্রী পরিবহন করবে এয়ারলাইন্সটি। সপ্তাহের প্রতি মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার ফ্লাইট পরিচালনা করবে তারা।
সুখবর সৌদি প্রবাসীদেরঃ ভিসা দেয়া শুরু হবে রবিবার থেকে
আগামী ৪ঠা অক্টোবর থেকে সৌদি আরবের নতুন ভিসা দেয়া হবে। যারা ইতিমধ্যে ভিসার আবেদন করেছেন তাদের ভিসা দেয়া হবে রোববার থেকে। বুধবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। এদিকে বাংলাদেশে অবস্থানকারী প্রবাসী বাংলাদেশীদের সৌদি আকামার মেয়াদ আরো ২৪ দিন বাড়ানো হয়েছে।
বুধবার আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে নিজ কার্যালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন জানান,‘সমস্যাটি সমাধানে আমরা আন্তরিকভাবে এবং সবাই মিলে কাজ করছি।’ করোনার কারনে দেশে এসে আটকা পড়া বাংলাদেশিদের জন্য আকামা কিংবা ভিসার মেয়াদ আরও তিন মাস বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে মঙ্গলবার সৌদি আরবকে চিঠি দেয় বাংলাদেশ। সরকারের পক্ষ থেকে আশঙ্কা করা হচ্ছে, প্রবাসীরা কোন রকম বিশৃঙ্খলা তৈরি করলে সৌদি সরকার উল্টো তাদের ব্যাপারে নেতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। উল্লেখ্য এর আগে দেশে আটকা পড়াদের জন্য মোট তিন দফায় বাংলাদেশিদের আকামার মেয়াদ বাড়িয়েছে সৌদি সরকার।
এর আগে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রবাসী কল্যানমন্ত্রী ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ জানিয়েছিলেন, যদি বাংলাদেশি প্রবাসীদের ভিসা ও আকামার মেয়াদ বাড়ানো হয়; তাহলে সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
উল্লেখ্য যে বাংলদেশের অভিবাসী কর্মীদের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য তেল সমৃদ্ধ দেশ সৌদি আরব। গত বছর বাংলাদেশি অভিবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৮.৩৫৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সৌদি থেকেই পাঠানো হয়েছে ৩.৬৪৭ বিলিয়ন (১৯.৮৭ শতাংশ) মার্কিন ডলার। ছুটিতে দেশে ফিরে করোনার কারনে অনেক শ্রমিকের ফেরা হয়নি কর্মস্থলে, অনেকে আছেন অনিশ্চয়তায়। তাই ভিসা জটিলতার সমাধান ও আকামার মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন সেসকল শ্রমিকদের।
