LATEST ARTICLES

ফ্যামিলি কার্ড কীভাবে পাবেন, আবেদন করতে যা যা লাগবে

দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক চাপে থাকা পরিবারগুলোর আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে এ কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ডের লক্ষ্য ও সুবিধা
এ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত পরিবারগুলোকে নিয়মিত নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। বিশেষভাবে পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা নারীর ক্ষমতায়নেও ভূমিকা রাখবে।সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যমান অনেক সামাজিক ভাতার তুলনায় ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় সহায়তার পরিমাণ বেশি হতে পারে। পাশাপাশি সহায়তা বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে।
আবেদন প্রক্রিয়া ও তথ্য সংরক্ষণ
জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ভিত্তিতে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা হবে। এতে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে, ফলে অনিয়ম, ভুয়া তালিকা ও মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ কমবে।প্রথম ধাপে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে। আবেদন করতে যা যা লাগবে যদিও পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি, তবু আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সম্ভাব্য আবেদনকারীদের নিচের কাগজপত্র সংগ্রহে রাখতে বলা হয়েছে— ১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ২. পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি ৩. একটি সচল মোবাইল নম্বর কোথায় আবেদন করবেন? পাইলট কার্যক্রম শেষে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। পাশাপাশি ঘরে বসে আবেদন করার সুবিধা দিতে একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও চলছে। প্রতি পরিবারে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হবে। এ কার্ডের মাধ্যমে মাসিক নগদ সহায়তা কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা হবে।সরকারের আশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলো সরাসরি উপকৃত হবে এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে। এদিকে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা প্রদানে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করে আরও ১৪ জনকে সদস্য করা হয়েছে। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। এ ছাড়া কমিটিতে মন্ত্রিপরিষদসচিব, মহিলা ও শিশুবিষয়ক সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
   

দেশের প্রয়োজনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ৫ দিন হয়েছে আমরা শপথ নিয়েছি। এখন দেশের প্রয়োজনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।আমরা আশা করেছিলাম আমাদের শপথের দিন বিরোধীদল উপস্থিত থাকবেন। আশা করেছিলাম, তারা আমাদেরকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করবেন এবং সামনের দিনগুলোতেও সেই প্রয়াস অব্যাহত থাকবে। একটা সরকার শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তাদের কর্মকান্ড শুরু করে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য যে যুদ্ধ, দীর্ঘদিনের যে প্রত্যাশা-আকাঙ্খা, আন্দোলন-সংগ্রাম, সেদিন যদি উনারা উপস্থিত থাকতেন, তাহলে ভবিষ্যতের গণতন্ত্রের প্রক্রিয়া আরও সুন্দর হতো। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাব আয়োজিত লক্ষ্মীপুর টাউন হল ও পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন। ভোটের পরিবেশ কেমন ছিল, ভোটটা কেমন হয়েছে, কতটুকু চ্যালেঞ্জ নিয়ে আমরা ভোট করেছি যার যার অবস্থান থেকে এটা ছিল দৃশ্যমান। কিন্তু ভোট হওয়ার দিন থেকেই আমি যদি বলি ভোটটা ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে, ম্যানেজ ইলেকশন হয়েছে, এটা আমাদেরকে আহত করে। এই বক্তব্যটি না দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়াটা একটা দৃষ্টান্ত হতে পারে। এ সময় পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আমাদের বিরোধী দলের অবস্থানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রয়েছেন। আমরা এবং আপনাদেরকে সত্যিকারভাবে জনগণের আকাঙ্খা-প্রত্যাশা পূরণ করার জন্য একটা দেশপ্রেমিক সরকার থাকবে। দেশপ্রেমিক সরকারের অংশ হিসেবে বিরোধীদলের মতের পার্থক্য থাকতে পারে, পথ ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু দেশের প্রয়োজনে আমরা এক এবং ঐক্যবদ্ধ থাকার চেষ্টা করবো। লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি আ হ ম মোশতাকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাঈদুল ইসলাম পাবেলের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, জেলা জামায়াতের আমীর এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ননী গোপাল ঘোষ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জেড এম ফারুকী ও লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাইন উদ্দিন পাঠান প্রমুখ।    

নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর শপথ ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার নির্দেশ

নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল রোববার এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, মঙ্গলবার বিকেল চারটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। শপথ গ্রহণকারী নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করে অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশ এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। পুলিশ অধিদপ্তর সূত্র বলছে, নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং অনুষ্ঠানস্থলকে কেন্দ্র করে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতেও যথাযথ নিরাপত্তা দিতে পুলিশ অধিদপ্তর, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সকে (এসএসএফ) নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতে পুলিশ প্রোটেকশন, পিজিআর প্রোটেকশন, এসএসএফ প্রোটেকশন, জ্যামার (নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ), এসএসএফ টেস্টার, অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসকের ব্যবস্থা থাকে। সাধারণত বঙ্গভবনের দরবার হলে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হলেও এবার ব্যতিক্রম হতে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হচ্ছে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়। কাল সকালে শপথ নেবেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। বিকেল চারটায় শপথ নেবেন মন্ত্রীরা। নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি।

চরমোনাই পীরের বাসায় তারেক রহমান

চরমোনাই পীরের বাসায় তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক: জামায়াত আমীর ও এনসিপির আহ্বায়কের পর এবার ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতা চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় গেলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে চরমোনাই পীরের রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরীর বাসায় যান তারেক রহমান। এসময় বিএনপির চেয়ারম্যানকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। এসময় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমীর ফয়জুল করিম উপস্থিত ছিলেন। সোমবার বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের পর গতকাল প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।  

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: বিজয়ী ও রাজনীতির চ্যালেঞ্জ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি ফলাফলের ভিত্তিতে জানা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোট ২১৮টি আসনে বিজয় অর্জন করেছে, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ জোট ৭৩টি আসনে জয়ী হয়েছে এবং স্বতন্ত্র ও অন্যান্য প্রার্থী ৮টি আসনে সফল হয়েছেন। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে জামায়াতে ইসলামী দলের অসাধারণ নির্বাচন অভিযান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারা এই নির্বাচনে “অসম্ভবকে সম্ভব” করেছেন। দলটি অব্যাহত পরিশ্রম, প্রচুর অর্থ ব্যয় এবং নৈতিক ও অনৈতিক নানা পদ্ধতির সমন্বয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। রাজনীতির বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি বিএনপি এবং অন্যান্য দলের নেতাকর্মীরা জামায়াতে ইসলামী দলের মত পরিশ্রমী এবং উদ্যোগী হত, তাহলে এই নির্বাচনেই তারা ২৫০ আসনের বেশি জয়ী হতে পারতেন। কিন্তু বাস্তবে তা সম্ভব হয়নি, যা বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের দুর্বলতা ও অপর্যাপ্ত প্রস্তুতির প্রতিফলন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ হিউম্যানিস্ট পার্টি-বিএইচপি-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, দেশের রাজনীতির মূল নীতি হওয়া উচিত ন্যায়পরায়ণতা, সমন্বয় এবং সর্বজনীন কল্যাণে অঙ্গীকার। তবে বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, আদর্শের আড়ালে হিংসা, বিদ্বেষ ও ব্যক্তিগত স্বার্থের প্রাধান্য বেড়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, “রাজনীতিবিদরা যদি সচেতন না হন, তাহলে এই মনোভাব দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। রাজনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের সেবা, অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন।” বিশেষজ্ঞ সুফি সামস্ বলেন, দেশের রাজনীতির মূল নীতিকে পুনরায় ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন রাজনৈতিক নেতাদের আন্তরিক প্রতিশ্রুতি এবং কর্মীদের মানসিকতার পরিবর্তন। তিনি যোগ করেছেন, ন্যায্য ও দায়িত্বশীল রাজনীতিই বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির মূল ভিত্তি হতে পারে। নির্বাচনের ফলাফল প্রমাণ করলো, রাজনৈতিক দল ও নেতাদের পরিশ্রম, সততা এবং ন্যায্য প্রক্রিয়া ছাড়া জয়ী হওয়া সহজ নয়। এটি ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ঢাকা-৪ আসনে বিজয়ী জামায়াতের প্রার্থী জয়নুল আবেদীন

ঢাকা-৪ আসনে প্রাথমিক ফলাফলে প্রায় তিন হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মোট ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে চারটায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিজ কার্যালয়ে ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার (রিটার্নিং কর্মকর্তা) শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এ ফল ঘোষণা করেন। ঢাকা-৪ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১১৬টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হয়। মোট ভোটার ৩ লাখ ৬২ হাজার ৫০৬ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬২১ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৫৫২টি। সে হিসাবে বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৬২ হাজার ৬৯টি। ভোট পড়ার হার ৪৫ শতাংশ। এ আসনে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মো. মোসাদ্দেক বিল্লাহ হাতপাখা প্রতীকে ৬ হাজার ৫১৮ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান ফুটবল প্রতীক নিয়ে ২ হাজার ৮৬৭ ভোট পেয়েছেন।

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করবেন ড.-আ-ন-ম-এহছানুল-হক-মিলন

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার জিয়ারত করবেন কচুয়ার মাটি ও মানুষের জননন্দিত জননেতা, সাবেক সফল শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজমুন নাহার বেবী। স্থান ও সময়:১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ইং, রোজ: শনিবার, সকাল ১১:০০টা, তিনি বিএনপি সকল আঙ্গ-সংগঠনের নেতা কর্মীদের কে উপস্থিত থাকা জন্য অনুরোধ জানান।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুরে ৪টি সংসদীয় আসনে জয় লাভ করেছে বিএনপি

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি আরিফ: লক্ষ্মীপুরে ৪টি আসনে বিএনপির জয় । ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুরে ৪টি সংসদীয় আসনে জয় লাভ করেছে বিএনপি। লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে ৯৩ টি কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশ শেষে ৮৫৪৫৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম,তার নিকটতম প্রার্থী হিসেবে ৫৬৪৩৭ ভোট পেয়ে ২য় স্থান অর্জন করেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপির শাপলা কলির প্রার্থী মাহবুব আলম। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী জাকির হোসেন পাটোয়ারী পেয়েছেন ১০৮৮০ ভোট। জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান মাহমুদ পেয়েছেন ৪১০ ভোট। ২৭৫ লক্ষীপুর-২(রায়পুর- সদর আংশিক) আসনে মোট কেন্দ্র ১৫১টি। এতে ৭৭৮৬৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও ধানের শীষের প্রার্থী আবুল খায়ের ভুঁইয়া। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমীর মাষ্টার রুহুল আমিন ভুঁইয়া দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ৬৬৫৯৩ ভোট পেয়ে ২য় হন। লক্ষীপুর-৩(সদর) আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৩০ টি। এতে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ধানের শীষ প্রতীকে ১৩৩৭৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ১১৭৭৬৯ ভোট পেয়ে ২য় হন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ও দাঁড়পাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. রেজাউল করিম। লক্ষীপুর-৪(রামগতি-কমলনগর) আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১২২ টি। এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক ও ধানের শীষের প্রার্থী এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান ১১৩৯৮৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন।৭০৯০৮ ভোট পেয়ে ২য় হন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এআর হাফিজ উল্যাহ।

লক্ষ্মীপুর চকবাজার জামে মসজিদে সাধারণ মুসল্লীবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়

পবিত্র জুম্মার নামাজ শেষে লক্ষ্মীপুর চকবাজার জামে মসজিদে সাধারণ মুসল্লীবৃন্দের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় তিনি বলেন লক্ষ্মীপুর সদর-৩ আসনে নির্বাচিত হওয়ায় সর্বস্তরের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। এবং শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন লক্ষ্মীপুর ২ আসনের সর্বস্তরের জনগন এবং দলের নিবেদিত প্রাণ নেতাকর্মীবৃন্দ আমার সশ্রদ্ধ সালাম গ্রহন করবেন আসসালামু আলাইকুম। প্রথমেই শুক্রিয়া জ্ঞাপন করছি মহান রবের প্রতি যিনি আমাকে সম্মানিত করেছেন।আমি আপনাদের প্রতি এবং প্রবাসি ভাইদের প্রতি কৃতজ্ঞ। এই জনপদ আমাকে ধোকা দেয় নি। শেষ পর্যন্ত আপনারাও আমাকে ছেড়ে যাননি।। আমি আবারো আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি ও সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। অনেক তো কথা হলো এখন থেকে শুরু হবে কাজ কাজ আর কাজ। করবো কাজ গড়বো দেশ,সবার আগে বাংলাদেশ। এই বিজয় ধানের শীষের বিজয়,এই বিজয় জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের বিজয়।

ঢাকা-৪ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ কদমতলী ‍ও শ্যামপুর থানাধীন এলাকার ঢাকা-৪ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সৈয়দ জয়নুল আবেদীন প্রার্থীর দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা বৈধ ঘোষণা করেছেন। শনিবার (৩ জানুয়ারি) ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঢাকা-৪ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন বৈধ ঘোষণা করেন। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য (ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী) সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি (ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী) মোহাম্মদ কামাল হোসেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সহকারী সেক্রেটারি (ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী) ড. মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা (ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী) হাজী হাফেজ এনায়েত উল্লাহ, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি (ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী) কবির আহমেদ এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য (ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী) এডভোকেট মো. জসীম উদ্দীন সরকারসহ নিজ নিজ আসনের কর্মী ও সমর্থকবৃন্দ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, তাদের কর্মী-সমর্থক এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।