শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন আনন্দ মিছিল করেছে

সকল দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে স্বপ্নের পদ্মা সেতু এখন বাস্তব। অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গেই গতকাল বসানো হয়েছে পদ্মা সেতুর সর্বশেষ স্প্যান। এর ফলে সকল সমালোচনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নতুন ইতিহাস গড়লেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধুর কন্যা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার এমন অবিস্মরণীয় কীর্তিতে আজ গর্বিত বাংলাদেশ।

এমন গৌরবময় অর্জনে তাই শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটি ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগ।
আজ (শুক্রবার) সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু এভিনিউ থেকে গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম সংলগ্ন রোড দিয়ে জিপিও হয়ে আবারও বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে শেষ হয় আনন্দ মিছিলটি।

এসময় কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি বাবু নির্মল রঞ্জন গুহ, সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন এবং সাধারণ সম্পাদক তারিক সাঈদ ছাড়াও মহানগরের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এবং থানা, ওয়ার্ডের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় স্বেচ্ছাসেবক লীগের হাজার হাজার নেতা-কর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে রাখে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ ও তার চারপাশ।

আনন্দ মিছিলের আগে সকাল সাড়ে দশটায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সকল দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু স্প্যান বসানো সম্পন্ন করা প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন কর বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ। এসময় সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু এবং সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ বক্তব্য রাখেন। বক্তব্যে তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা, ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করেন। তারা বলেন, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা-কর্মীরা মাঠে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

এ বিষয়ে দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন বলেন, সব ষড়যন্ত্র রুখে আমাদের নেত্রী আজ স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা বলেই শেখ হাসিনার পক্ষে এই কঠিন কাজটি করা সম্ভব হয়েছে। তাই শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

ভাসানচরে প্রথম রোহিঙ্গা শিশুর জন্ম

ভাসানচরে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রথম দলের এক দম্পতির ঘরে এসেছে নতুন অতিথি। মো. কাশেমের স্ত্রী রাবেয়া খাতুন তৃতীয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, যা ভাসানচরে জন্ম নেওয়া প্রথম রোহিঙ্গা শিশু। আজ শুক্রবার সকালে নোয়াখালী দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে ছেলে সন্তান প্রসব করেন রাবেয়া।
এর আগে প্রসবব্যথা শুরু হলে তাকে নৌ-অ্যাম্বুলেন্সে ভাসানচর থেকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয় তাকে। রাবেয়ার সঙ্গে তার শাশুড়ি মোমেনা খাতুন ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের একজন সেবিকা ছিলেন।
হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য জরুরি বিভাগের ডাক্তার বিমান চন্দ্র আচার্য জানান, রাবেয়া ও তার নবজাতক দুজনই সুস্থ রয়েছে।

আজ শুক্রবার ভাসানচর প্রকল্পের (আশ্রয়ণ প্রকল্প-৩) পরিচালক কমোডর এ এ মামুন চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এটি আসলে চমৎকার অনুভূতি, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের বিজয়ের মাসে আমরা কক্সবাজার থেকে ভাসানচরে স্থানান্তর করতে পেরেছি। নতুন শিশুর জন্মের বিষয়টি আরও আনন্দের। এখনও শিশুটির নাম রাখা হয়নি।’

মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার হয়ে ২০১৭ সালে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন কাশেম ও রাবেয়া। গত ৪ ডিসেম্বর তাদের নোয়াখালীর ভাসানচরে নেওয়া হয়। তাদের প্রথম সন্তানের জন্ম হয় মিয়ানমারে। দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয় কক্সবাজারের কুতুপালং ক্যাম্পে।
এখন ভাসানচরের ৭ নম্বর ক্লাস্টারের ৮ নম্বর হাউজে থাকছেন আবুল কাশেম ও রাবেয়া।

বাংলাদেশ আউটসোর্সিং কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ-এর কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে।

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

মোঃ মাহবুবুর রহমান আনিসকে আহবায়ক এবং মোঃ রমজান টিটুকে সদস্য সচিব করে বাংলাদেশ আউটসোর্সিং কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ-এর কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে।

সারা দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সকল আউটসোর্সিং কর্মীদের কল্যাণ এবং তাদের চাকুরীর নিশ্চয়তা বিধানসহ চাকুরী স্থায়ী করার লক্ষ্যে কাজ করতে কমিটি গঠনের নিমিত্তে এক সভা আজ ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডের একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত সকলের মতামতের ভিত্তিতে উল্লেখিত আহবায়ক কমিটি গঠিত হয়। নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ দেশের সকল আউটসোর্সিং কর্মীদেরকে এই সংগঠনের পতাকাতলে একীভূত করে তাদের সকল ন্যায্য দাবী আদায়ের অংগীকার ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ ফেরদৌস আলম। সভায় সারা দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিপুর সংখ্যক প্রতিনিধি যোগ দেন।

ঢাকাস্থ দত্তপাড়া ইউনিয়ন ঐক্য ফোরাম নামের নতুন সংগঠনের যাত্রা শুরু করেছেন উদ্যোক্তা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ বেলায়েত হোসেন রুবেল ।

পেশাজীবিদের বৃহত্তর ঐক্যের উদ্যোগ নিয়ে লক্ষ্মীপুর জেলার বহুল আলোচিত ইউনিয়ন ০৮ নং দত্তপাড়া ইউনিয়নের ঢাকাস্থ নয়াবাজারের ব্যবসায়ীগন ঢাকাস্থ দত্তপাড়া ইউনিয়ন ঐক্য ফোরাম নামের নতুন সংগঠনের যাত্রা শুরু করেছেন। রাজধানী ঢাকায় ০৮ নং দত্তপাড়া ইউনিয়নের পেশাজীবীদের একটি সুদৃঢ় ঐক্যই এই সংগঠনের মুল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বলে জানান সংগঠনের উদ্যোক্তারা ।সংগঠনের উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের বক্তব্য থেকে জানা যায় এটিই এই সংগঠনের প্রথম মত বিনিময় সভা যার মাধ্যমে তারা সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানাচ্ছেন। সভায় নয়াবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ীগন উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনের ইতিবাচক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সাধুবাদ জানিয়ে যারা যার অবস্থান থেকে সক্রিয় ভুমিকা পালনের আহবান জানান আয়োজনের অন্যতম উদ্যোক্তা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী দত্তপাড়ার ইতিহাস ঐতিহ্য সহ ইতিবাচক অর্জন তুলে ধরে তরুণ ব্যবসায়ী শোহেল রানা দত্তপাড়ার সুনাম রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান। তরুণদের এই ন্যায় ভিত্তিক উদ্যোগে প্রবীণ ব্যবসায়ীগন নিজেদের পুর্ণ সমর্থন জানিয়ে অগ্রগামী হওয়ার আশ্বাস দেন। বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক,বৃহত্তর নোয়াখালী পেপার মার্চেন্ট বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ -এর সাবেক কোষাধ্যক্ষ শামসুল ইসলাম কচি উক্ত সভায় তরুণদের দিক নির্দেশনা মুলক বক্তব্যে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ঢাকাস্থ দত্তপাড়ার সবাইকে সম্পৃক্ত করা ও সবার সাথে সমন্বয় করার পরামর্শ দেন। অন্যান্য নবীন ও প্রবীণ ব্যবসায়ীদের বক্তব্যে জানা যায় নয়াবাজার থেকে শুরু হওয়া এই ঐক্যের যাত্রা পুরান ঢাকার ব্যবসায়িক এলাকা আরামবাগ, বংশাল, সদরঘাট, মালিটোলা, সুরিটোলা, নীলক্ষেত সহ পুরো ঢাকাস্থ দত্তপাড়ার সকল পেশাজীবীদের একটি ঐক্যের ছায়াতলে নিয়ে আসার মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কর্মরত দত্তপাড়ার কৃতি সন্তানদের নাম উল্ল্যেখ করে বক্তারা নিজেদের ইউনিয়নের সুনাম রক্ষার্থে তাদের প্রত্যক্ষ ভুমিকার কথা জানান ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। আমাদের প্রতিনিধি জানান ঢাকায় দত্তপাড়ার বৃহৎ ঐক্যের আহবানে এটিই প্রথম সংগঠন। এমন ব্যাতিক্রম উদ্যোগ এর আগে কখোনোই কেউ নেননি। নয়াবাজারের কিছু তরুণ উদীয়মান ব্যবসায়ী এই সংগঠনের উদ্যোক্তা বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। একটি অরাজনৈতিক সামাজিক ঐক্যের লক্ষ্যে ও মানবিক সমাজকল্যাণের কাজে এই সংগঠনের কার্যক্রম চলমান থাকবে এমনটাই ধারনা করা হচ্ছে।
আসসালামুয়ালাইকুম
উদ্যোক্তা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃবেলায়েত হোসেন রুবেল বলেন
ঢাকাস্থ ০৮ নং দত্তপাড়া ইউনিয়ন পেশাজীবি ভাই ও বন্ধুগন। আমাদের যা ছিল সব অতীত, যা আছে তাই সম্পদ ও ভবিষ্যতের ভিত্তি। আমাদের ইতিবাচক অর্জন কম নয়। ঐক্যবদ্ধ দত্তপাড়ার সামর্থ মনে করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। আসুন নিজেদের ভাতৃত্ব,সৌহার্দ্য ও ঐক্যের পুনঃজাগরন ঘটাই। ঢাকাস্থ দত্তপাড়া ইউনিয়ন ঐক্য ফোরাম -এর যাত্রা শুরু হলো আলহামদুলিল্লাহ। নয়াবাজার কাগজ মার্কেট থেকে এই যাত্রা শুরু হলেও ধারাবাহিকভাবে রাজধানী ঢাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আমাদের নবীন প্রবীণ সকল পেশাজীবীদের উদার্ত আহবান জানাই নিজ উদ্যোগে এগিয়ে এসে সামাজিক সম্প্রীতির এই ঐক্যের ডাকে সাড়া দিতে। সম্পুর্ণ অরাজনৈতিক, সামাজিক ও মানবিক একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তি গড়ে তুলতে ব্যাক্তি স্বার্থ নির্ভর সকল ইচ্ছাকে উপেক্ষা করে আসুন মিলিত হই।
দল মতের উর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ ০৮ নং দত্তপাড়া ইউনিয়ন সৃষ্টিই পারে আমাদের যত দুর্নাম গুছিয়ে দিতে। সে লক্ষ্যেই সচেষ্ট হই ছোট বড় সবাই।
প্রস্তুত থাকুন আমরা আসছি
মতামত ও পরামর্শ দিন।
সবাইকে নিয়ে ভাল থাকতে ও ঐক্যবদ্ধ দত্তপাড়া গড়ে তুলতেই এই প্রয়াস
ঢাকাস্থ দত্তপাড়ার পেশাজীবী সকল ভাইদের সহযোগিতা কাম্য।

চলে গেলেন বাংলাদেশর ইসলামী ব্যাংকি এর কিংবদন্তী এম. আযীযুল হক

চলে গেলেন এম. আযীযুল হক
=====================

বাংলাদেশে ইসলামী ব্যাংকগুলোর প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে অনন্য এক নাম এম. আযীযুল হক। সর্ববৃহৎ ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডসহ আরও অনেকগুলো ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠা এবং শরীয়াহ মোতাবেক পরিচালনায় দক্ষ হাতে একজন অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করেছেন। ইতিমধ্যে তিনি দুনিয়ার সফর শেষ করেছেন। শুরু হয়েছে তাঁর অনন্তকালের সফর।
আজিজুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সুদীর্ঘ ৬২ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এ ব্যাংকার ১৯৫৮ সালে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে পাকিস্তানের হাবিব ব্যাংকে যোগদানের মাধ্যমে ব্যাংকিং ক্যারিয়ার শুরু করেন। তিনি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এবং ইসলামিক ফাইন্যান্স ও ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান নির্বাহী (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৫ সালে সেন্ট্রাল শরীয়াহ বোর্ড অব ইসলামিক ব্যাংকস্ অব বাংলাদেশ কর্তৃক প্রবর্তিত মর্যাদাপূর্ণ ‘অ্যানুয়াল ইসলামিক ব্যাংকিং অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেন। আজিজুল হক ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের স্বতন্ত্র পরিচালক ও ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।
মহান রব এই প্রথিতযশা ব্যাংকারের সকল নেক আমল কবুল করুন, উনার ভূল ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে উত্তম প্রতিদান দান করুন এবং তাঁর পরিবারবর্গকে ধৈর্য্য ধারন করার তওফিক দান করুন।

এম আজিজুল হক, সাবেক প্রধান নির্বাহী, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিঃ

প্রখ্যাত মুফাসসির গোলাম সরোয়ার সাঈদী লাইফ সাপোর্টে, সবার দোয়া কামনা করেছেন পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলার, কুমিল্লার আড়াইবাড়ি দরবার শরীফের পীর ও আড়াইবাড়ি কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা গোলাম সরোয়ার সাঈদী অসুস্থ হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছেন।

গেল কয়েকদিন আগে তিনি শ্বাসকষ্ট নিয়ে ঢাকার কমপোর্ট হাসপাতালে ভর্তি হন। অবস্থার অবনতি হলে ২৮ শে অক্টোবর তাকে আইসিইউতে নেয়া। অবস্থার আরো অবনতি হলে তাকে ঢাকার এপোলো হাসপাতালে নেয়া হয় এবং সেখানে তিনি লাইফ সাপোর্টে আছেন।

গোলাম সরোয়ার সাঈদীর পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। তার সুস্থতা কামনা করে দোয়া চেয়েছেন বিভিন্ন ইসলামিক স্কলারগন। জনপ্রিয় মুফাসসির মাওলানা মিজানুর রহমান আযহারী তার ফেসবুক পেজ এ গোলাম সরোয়ার সাঈদীর সুস্থতা কামনা করে স্ট্যাটাস দেন। তিনি দেশবাসীর কাছে তার জন্য দোয়া চেয়েছেন তার পরিবার।

চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন লক্ষীপুর টিভির ভাইস -চেয়ারম্যান, (আলিনুর হোসেন সোহাগ, এসিসিএ) এর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মোহাম্মদ অজি উল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ অজি উল্লাহ (৭৫) মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহে রাজিউন)। রোববার (১ নভেম্বর) ভোর ৬টা ৪০ মিনিটে ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

পরে রাত ৮টায় লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের করইতোলা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়। এসময় তাঁর রুহের মাগফেরাত ও বেহেশত কামনায় সম্মিলিতভাবে দোয়া-মোনাজাত করা হয়।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুমের পক্ষ থেকে জনাব মোহাম্মদ সোলায়মান দুলাল জাতীয় পতাকা ও ফুল দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা অজি উল্লাহর কফিনে সম্মাননা জানান।

জনাব মোহাম্মদ অজি উল্লাহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন কর্মকর্তা। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধের ২ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। তিনি কুমিল্লা জেলার সালদা নদীর তীরে পাকাস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পরও দীর্ঘদিন সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ অজি উল্লাহ একজন ধর্মপরায়ণ ও দেশপ্রেমিক মানুষ ছিলেন। তিনি যেমনি করে মাতৃভূমি ও স্বজাতির জন্য যুদ্ধ করেছিলেন, তেমনি করে মানুষের মাঝে সামাজিক মূল্যবোধ ও মানবিকতা জাগিয়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। তাঁর সন্তানেরাও বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার আদর্শ লালন করে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিয়োজিত রয়েছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ অজি উল্লাহ মৃত্যুকালে স্ত্রী, ৪ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রাসূল (সাঃ) এর প্রতি অবমাননাঃ বিক্ষোভে উত্তাল লক্ষ্মীপুর জেলার রাধাপুরসহ আশেপাশের গ্রাম।

মেশকাতুল ইসলাম সিয়ামঃ

ফাইল ফটো, লক্ষ্মীপুর টিভি।

ফ্রান্স সরকারের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব মুহাম্মদ সাঃ এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন এর প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুর জেলার ৬নং বাঙ্গাঁখা ইউনিয়নের রাধাপুর ও আশপাশের গ্রামে বিশাল মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাধাপুর ও আশপাশের ১২ টি মসজিদের মুসল্লীদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে রাধাপুর এ বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। বাদ জুমায় মুসল্লীরা বিক্ষোভ মিছিল এ অংশ নিয়ে রাধাপুর মিত্রের বাজার বায়তুন নূর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙনে প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নেয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রাধাপুর মিত্রের বাজার বায়তুন নূর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এর খতীব বরন্যে মুফাসসির মাওলানা নজরুল ইসলাম আশরাফী, ফতেহধর্মপুর মসজিদের খতীব মাওলানা আহমাদ উল্যাহ, হাবীবুল উলুম মাদ্রাসা মসজিদ এর খতীব আব্দুল আজীজ, পাটোয়ারী বাড়ি জামে মসজিদ এর খতীব ওমর ফারুক, ধোলাকান্দি জামে মসজিদ এর খতীব কামরুল হাসান, বায়তুল ওমর জামে মসজিদ এর খতীব আহমেদ উল্যা, মাওলানা ইসমাইল হোসেন, মাওলানা রশিদ আহমেদ, মাওলানা ইউসুফ কামাল, মাওলানা আব্দুল মোক্তাদির, মাওলানা সালাহউদ্দিন, রাধাপুর মিত্রের বাজার বায়তুন নূর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা, RUF স্পোর্টিং উইংস এর আহবায়ক তৌহিদুর রশিদ প্রমুখ। রাধাপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর পৃষ্ঠপোষক ও প্রতিবাদ সমাবেশ এর প্রধান আয়োজক আনোয়ারুল হক বাবুল সমাবেশে মোবাইলের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা ফ্রন্সের সকল পন্য বয়কট করার ঘোষণা দেন। এছাড়াও তারা বলেন বাংলাদেশ থেকে রাষ্ট্রীয় ভাবে ফ্রান্সের দূতাবাস বন্ধ করতে। বক্তারা আরো বলেন রাসূল সাঃ এর প্রতি অবমাননা কারীদের দ্রুত দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

৩রা নভেম্বর জাতীয় চার নেতা হত্যা দিবস

আজ ৩রা নভেম্বর, ১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতি হারালো তার অন্যতম শ্রেষ্ট ৪ সন্তানকে। কারার অন্ধকার ঘরে খুনিদের বিকৃত মানসিকতার স্বিকার হলেন বাংলাদেশের ৪ জাতীয় নেতা।

রাজনৈতিক নেতৃত্বেদানের পূর্বে ও নেতৃত্বদানের পাশাপাশি জাতীয় চার নেতার____
চারজনই ল’ পাশ করেছিলেন। আইন পেশায় নিযুক্ত ছিলেন।
সৈয়দ নজরুল ইসলাম ইতিহাসে অধ্যাপনা করেছেন।
কামরুজ্জামান একজন কবিও ছিলেন।
তাজউদ্দীন আহমদ একজন কোরআনে হাফেজ ছিলেন।
মনসুরা আলী পাবনা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতিও ছিলেন। পাশাপাশি ১৯৪৮ সালে তিনি যশোর ক্যান্টনমেন্টে প্রশিক্ষণ নেন এবং পিএলজির ক্যাপ্টেন পদে অধিষ্ঠিত হন।

কোথায় ছিল মানবতা যখন পানির জন্য চিৎকার করেও মৃত্যূর আগে তাদের পানি দেওয়া হয়নি কেন্দ্রীয় জেলখানায় !!!!!

একজন কবি, একজন কোরআনে হাফেজ, একজন শিক্ষক, একজন নেতাকে তো খুনীরা বেয়নেট দিয়ে খুচিঁয়ে খুচিয়েঁ হত্যা করলো। মুক্তিযু্দ্ধে নেতৃত্ব দেওয়াই কি তাদের অপরাধ ????

বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভার সবচাইতে ঘৃণিত বিশ্বাসঘাতক সদস্য হিসেবে পরিচিত এবং তৎকালীন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ এবং বঙ্গবন্ধুর দুই খুনি কর্নেল (অব.) সৈয়দ ফারুক রহমান এবং লে. কর্নেল (অব.) খন্দকার আব্দুর রশীদ জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার এ পরিকল্পনা করেন। এ কাজের জন্য তারা আগে ভাগে একটি ঘাতক দলও গঠন করে। এ দলের প্রধান ছিল রিসালদার মুসলেহ উদ্দিন। সে ছিল ফারুকের সবচেয়ে আস্থাভাজন অফিসার। ১৫ আগস্ট শেখ মনির বাসভবনে যে ঘাতক দলটি হত্যাযঞ্জ চালায় সেই দলটির নেতৃত্ব দিয়েছিল মুসলেহ উদ্দিন। দক্ষিণ এশিয়ার প্রখ্যাত সাংবাদিক অ্যান্থ’নী মাসকারেনহাস তার ‘বাংলাদেশ অ্যা লিগ্যাসি অব ব্লাড’ গ্রন্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন।
গোলাম মুরশিদ তার ‘মুক্তিযুদ্ধ ও তারপর’ গ্রন্থে’ লিখেছেন মোশতাক জেল হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন কেবল ফারুক আর রশিদকে নিয়ে। তিনি ঠিক করেছিলেন, যে কোন পাল্টা অভ্যুত্থান হলে কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক তাজউদ্দিন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী এবং কামারুজ্জামানকে হত্যা করা হবে। যাতে নতুন সরকার গঠিত হলেও এই নেতারা তাতে নেতৃত্ব দিতে না পারেন।
১৯৭১ এ তারা প্রমাণ করে দেখিয়েছে সৎসাহস থাকলে যে কোন শক্তিকে মোকাবেলা করা যায়।তারা দেখিয়েছে কিভাবে দা, কুড়াল, লগি, বৈঠা নিয়ে একটি দেশকে স্বাধীন করা যায়। বিশ্ববাসী দেখেছে কিভাবে গভীর মনোবল নিয়ে এ দেশের দামাল ছেলেরা অত্যান্ত দুর্ধর্ষ নিয়মিত একটি সেনাবাহিনীকে পরাজিত করেছে! এ জাতিকে বার বার প্রতিক্রিয়াশীলরা দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করেছে কিন্তু কোন বারই শেষ পর্যন্ত সফল হতে পারেনি।যারা এ জঘন্য কাজ করেছে তাদের অনেকেই আজ ইতিহাস।আর যারা বেঁচে থেকে- নিজেদের সভ্য বলে ভাবার চেষ্টা করছি তাদের জন্য এটা একটা অতীব জরুরী কাজ- সকল হত্যার বিচার নিশ্চিত করা।আসুন আমরা সবাই মিলে চিৎকার করে বলি “আইন সবার জন্যে সমান”। সবার বিচার পাওয়ার অধিকার আছে সবার জন্যে বিচারের দ্বার উন্মুক্ত হোক।আসুন, আমরা দলমত নির্বিশেষে জাতীয় চারনেতার মুক্তিযুদ্ধে অবদানকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরন করি। ঘৃনা করি, তাদের হত্যাকারী এবং সেই হত্যার পিছনে থাকা এবং হত্যাকান্ডের সুবিধাভোগী সকল কুচক্রীদের। তাদের হত্যার বিচারের জন্যে সোচ্চার হই। তাদের বিদেহী আত্মার প্রতি অশেষ সন্মান ও শ্রদ্ধা জানাই।

লক্ষ্মীপুরে ৪ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

সংবাদ প্রকাশের জেরে লক্ষ্মীপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক বাংলার মুকুল পত্রিকার ২ সম্পাদকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে রায়পুর পৌর সভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো: ইসমাঈল হোসেন খোকন বাদি হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। রায়পুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল জলিল মামলা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আসামীরা হলেন, দৈনিক বাংলার মুকুল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক একেএম মিজানুর রহমান মুকুল, নির্বাহী সম্পাদক আফরোজা আক্তার রাঙা, পত্রিকাটির রায়পুর উপজেলা প্রতিনিধি জহিরুল ইসলাম টিটু এবং দেনায়েতপুর গ্রামের বাসিন্দা মো: এসএন উদ্দিন রিয়াদ।

মামলার এজাহারে মেয়র উল্লেখ করেন, গতকাল ২৮ অক্টোবর তারিখে লক্ষ্মীপুরের স্থানীয় দৈনিক বাংলার মুকুলে তার তার নাম জড়িয়ে যে সংবাদটি প্রকাশিত হয় তা মিথ্যা ও বানোয়াট। সংবাদটিতে তার সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অন্যদিকে দৈনিক বাংলার মুকুল পত্রিকার সম্পাদক মিজানুর রহমান মুকুল বলেন, প্রকাশিত সংবাদের প্রিন্ট ভার্সেন একটি শব্দ অনিচ্ছাকৃত ভাবে প্রেসটাইপে ভুল হয়েছে। যার জন্য পরের দিন ২৯ অক্টোবরের সংখ্যায় ও অনলাইন ভার্সনে সংশোধনী দিয়ে দু:খ প্রকাশ করা হয়েছিল। এর পরেও মামলা হওয়ার বিষয়টি মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের কর্মরত সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব জরুরী সভা ডেকেছে। রাত ৮টায় সম্পাদক পরিষদ প্রতিবাদ সভা ডেকেছে। এছাড়াও আগামীকাল সকালে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন সাংবাদিক নিশ্চিত করেছেন।

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একদিনে আরও ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩২০ জন

শনিবার বিকালে সংবাদ মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণের হালনাগাদ এই তথ্য জানিয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ১ হাজার ৩২০ জনকে নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৭ হাজার ৬৮৪ জন। আরও ১৮ জন মারা যাওয়ায় মৃতের মোট সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫ হাজার ৯২৩ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১ হাজার ৪৪২ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত এক দিনে। তাতে সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৩ লাখ ২৪ হাজার ১৪৫ জন হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণ: সভাপতি গফুরের জামিন নামঞ্জুর

নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মিল্টন হোসেনের আদালত এই আদেশ দেয় বলে জানিয়েছেন আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান।তিনি বলেন, শুক্রবার রাতে তল্লা এলাকার বাড়ির সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। শুনানি শেষে শনিবার তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয় আদালত।গত ৪ সেপ্টেম্বর এশার নামাজ চলাকালে বিস্ফোরণে অর্ধশতাধিক মানুষ অগ্নিদগ্ধ হন। তাদের ৩৪ জন ইতোমধ্যে মারা গেছেন। আরও কয়েকজন এখনও চিকিৎসাধীন।

ওই ঘটনার পরদিন তিতাস, ডিপিডিসি, মসজিদ কমিটিসহ অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে ‘অবহেলাজনিত মুত্যু সংঘটনের’ অভিযোগ এনে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করে পুলিশ যার তদন্ত করছে সিআইডি।
সেই রাতের ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে ছয়টি এসি একসঙ্গে বিস্ফোরিত হওয়ার কথা বলা হলেও পরে গ্যাস থেকে দুর্ঘটনা ঘটার কথা বলেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা।এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস, জেলা প্রশাসন, তিতাস গ্যাস, ডিপিডিসি, সিটি করপোরেশন পৃথক পাঁচটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসতে থাকে অনিয়ম ও গাফিলতির নানা তথ্য।

বিস্ফোরণের ঘটনায় তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ মসজিদের উত্তর পাশের সড়কের মাটি খুঁড়ে পরিত্যক্ত পাইপলাইনে ছয়টি ছিদ্র দেখতে পায়। এ কারণে তিতাসের চার কর্মকর্তাসহ আটজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। মামলায় গ্রেপ্তারের পর তারা জামিনে রয়েছেন।

রক্তদান বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর

সংকলকঃ মোঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম
সংকলকঃ মোঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম,

রক্তদান একটি মহৎ কাজ।পৃথিবীতে প্রতিদিন এ নানান মানুষের প্রাণ বাঁচাতে রক্তের প্রয়োজন। আসুন আজ আমরা জানবো রক্তদান বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে আজ আমি আপনাদের মাঝে তা উপস্থাপন করছি।

প্রশ্ন ১ঃ-রক্ত দানের জন্য সর্বনিম্ন বয়স কত? উত্তরঃআপনি ইচ্ছে করলে ১৮ বছর বয়সের পর থেকেই রক্ত দান করতে পারেন। [বিঃদ্রঃ কেউ যখন স্বেচ্ছায় নিজ রক্ত অন্য কারো স্বার্থে দান করে, তাকে রক্তদান বলে। এ কারণে রক্তদাতার অবশ্যই সম্মতির প্রয়োজন আছে এবং এর মাধ্যমে পূর্ণ বয়স্ক নয় (১৮ বছরের নিচে) এমন কারো রক্ত নেওয়া নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এখনকার সময়ে অবশ্য ১৭ ববছর হলেই রক্ত দেওয়ার উপযুক্ত ধরা হয়।]

প্রশ্ন ২ঃ-কারা রক্তদান করতে পারবেন?
উত্তরঃ যারা সুস্থ মানুষ তারা রক্তদান করতে পারবেন। কোন অসুস্থ ব্যক্তি রক্তদান করতে পারবে না। যারা বাতজ্বর,ডায়াবেটিস, জন্ডিস, ম্যালেরিয়া, সিফিলিস, গনোরিয়া, হৃদরোগ,এইডস, চর্মরোগ, টাইফয়েড রোগী তারা রক্তদান করতে পারবে না। এছাড়া সকল সুস্থ ব্যক্তি রক্তদান করতে পারবে।

প্রশ্ন ৩ঃ- জ্বর,সর্দি ও অপারেশন হলে কতদিন পরে রক্ত দিতে পারবে?
উত্তরঃ জ্বর,সর্দি,কাশি হলে সুস্থ হওয়ার ১ সপ্তাহ পর রক্ত দিতে পারবে। অপারেশন হলে নূন্যতম ৬ মাস পর রক্ত দিতে পারবে।

প্রশ্ন ৪ঃ- রক্তদানের সর্বোচ্চ বয়স কত?
উত্তরঃ একজন সুস্থ ব্যক্তি ৪৭ বছর বয়স পর্যন্ত রক্তদান করতে পারবেন।

প্রশ্ন ৫ঃ- রক্তদানের জন্য সর্বনিম্ন ওজন কত?
উত্তরঃ রক্তদানের জন্য পুরুষের সর্বনিম্ন ওজন ৪৫ কেজি এবং নারীর সর্বনিম্ন ওজন ৫০ কেজি হতে হবে। এর চেয়ে কম হলে রক্তদান ঠিক হবে না।

প্রশ্ন ৬ঃ- নারীরা কখন রক্তদান করতে পারবে?
উত্তরঃ একজন সুস্থ নারী ১৭/১৮ বছর বয়স হলেই রক্তদান করতে পারবেন। তবে নারীর মেয়েলি রোগ চলাকালীন ও গর্ভাবস্থায় রক্তদান করতে পারবে না। মেয়েলি রোগ শেষ হওয়ার ৩ দিন পর রক্তদান করতে পারবেন এবং গর্ভপাত হওয়ার ৬ মাস পর রক্তদান করতে পারবেন।

প্রশ্ন ৭ঃ- একজন ব্যক্তি বছরে কতবার রক্তদান করতে পারবেন?
উত্তরঃ একজন সুস্থ পুরুষ বছরে সর্বোচ্চ ৪ বার এবং একজন সুস্থ নারী বছরে সর্বোচ্চ ৩ বার রক্তদান করতে পারবে।

প্রশ্ন ৮ঃ- এন্টিবায়োটিক গ্রহণ ও টিকাদেয়ার কতদিন পর রক্তদান করতে পারবে?
উত্তরঃ এন্টিবায়োটিক গ্রহণের ৭ দিন পর ও টিকাদেয়ার ২৮ দিন পর রক্তদান করতে পারবেন।

প্রশ্ন ৯ঃ- রক্তদানের পূর্ব শর্ত কী?
উত্তরঃ রক্তদানের পূর্ব শর্ত হলো সৎইচ্ছা। রক্তদাতার হিমোগ্লোবিন এর পরিমাণ, ব্লাড প্রেসার, এবং শরীরের তাপমাত্রা ঠিক থাকতে হবে।

প্রশ্ন ১০ঃ- কারা রক্তগ্রহন করতে পারবেন?
উত্তরঃ যাদের হিমোগ্লোবিন কম আছে, থ্যালাসেমিয়া রোগী গন রক্তগ্রহণ করতে পারবেন। রক্তের হিমোগ্লোবিন কমে গেলে মানুষ মারা যায় তাই ঐসময় এ রোগী রক্ত গ্রহন করতে পারবেন।

প্রশ্ন ১১ঃ- রক্তদানের উপকারিতা কী কী?
উত্তরঃ রক্তদানের অনেক গুলো উপকারিতা রয়েছে:-
◼ নিয়মিত রক্তদান করলে রক্তের কোলেস্টেরল কমে যায় এতে করে রক্তদাতার হার্ট আ্যটাক ও হৃদরোগের ঝুঁকি কম থাকে।
◼ বছরে ৩/৪ বার রক্তদান করলে রক্তের লোহিত কণিকা গুলো কে প্রাণবন্ততা বাড়িয়ে দেয়।
◼ রক্তদান করলে লিভার ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে। দেহে থাকা আয়রনের অতিরিক্ত মাত্রা, ক্যান্সারের ঝুঁকির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। এ জন্য রক্তদানের মাধ্যমে আপনি শরীরে আয়রনের একটি স্বাস্থ্যকর মাত্রা বজায় রাখতে পারে, যা ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমায়। এ ছাড়া লিভারের রোগেরও ঝুঁকি কমায়।
◼ এছাড়া নিয়মিত রক্তদান এর মাধ্যমে শরীরের অতিরিক্ত আয়রন এর মাত্রা হ্রাস পায়। যার ফলে রক্তদাতা হিমোক্রোমাটোসিস আক্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা পায় এবং তার ক্যান্সার এর ঝুঁকি কম থাকে।

আসুন আমরা নিয়মিত রক্তদান করি। নিজে সুস্থ থাকি অন্যোর প্রাণ রক্ষা করি।
রক্তদান সম্পর্কে আরো জানতে কল করুন স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতা সংগঠন “রেড ড্রপস বাংলাদেশ” এর অফিসিয়াল নাম্বারে 01742634180 ও 01745502230

সংকলকঃ
মোঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম,
সহ দপ্তর সম্পাদক, রাধাপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ;
সাংগঠনিক সম্পাদক, রেড ড্রপস বাংলাদেশ ;

“রাধাপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন” এর সহযোগী সংগঠন “RUF Sporting Wings ” এর প্রথম পরামর্শ ও কর্মপরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

প্রতিবেদকঃ খালেদ ইব্রাহিম-
আজ ৩০/১০/২০২০ ইং “রাধাপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন” এর সহযোগী সংগঠন “RUF Sporting Wings ” এর প্রথম পরামর্শ ও কর্মপরিকল্পনা সভায় অত্যান্ত সুন্দর, গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে রাধাপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর জন্য চমৎকার অসাধারণ উপহার ঘোষণা হয়।

★রাধাপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর নিজস্ব ভবন এর জন্য ৩ শতাংশ জমি প্রধান করেন RUF Sporting Wings এর আহবায়ক জনাব তৌহিদুর রশিদ।
★ রাধাপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর জন্য বাৎসরিক ৫লক্ষ টাকার (যাকাত এবং অনুদান ভিত্তিক) ফান্ড কালেকশনের আশ্বাস প্রধান করেন রাধাপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক শিল্পপতি জনাব, মোঃ আনোয়ারুল হক বাবুল।
★RUF Sporting Wings এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা প্রধান করেন রাধাপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর সহ-সভাপতি জনাব, মোঃ ইকবাল হোসেন।

RUF sporting wings এর নীতিনির্ধারকগন। ফাইল ফটো- লক্ষ্মীপুর টিভি।

★উক্ত প্রোগ্রামের আয়োজন,বাস্তবায়ন ও অসাধারণ আপ্যায়নের জন্য কৃতজ্ঞতা রাধাপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর সিনিয়র সহসভাপতি জনাব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সাহেবকে।

উক্ত প্রোগ্রাম বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন রাধাপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর সুযোগ্য সাধারণ সম্পাদক জনাব আবদুল হান্নান সাজু ও ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক জনাব শাহাদাত হোসেন শিপন।

অসচ্ছল পরিবারের পাশে আমানউল্যাহপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন

প্রতিবেদকঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম-
লক্ষীপুর সদর পূর্ব ৬ নং ভাঙ্গাখাঁ ইউনিয়ন এর সামাজিক সংগঠন আমানউল্লাহপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন আজ শুক্রবার বিকেল তিন ঘটিকায় অসচ্ছল পরিবারের মাঝে সহায়তা প্রধান করেন । দুটি পরিবারে মোট ১৮,০০০( আঠারো হাজার ) টাকা নগদ অর্থ সহায়তা প্রধান করা হয় ।

আমানউল্লাহপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর সভাপতি নুরুল আলম সোহাগ এবং সাধারন সম্পাদক আরিফুর রহমান’র নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সংগঠনের পক্ষে এই আর্থিক সহায়তা প্রধান করেন । প্রতিনিধি দলে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সহ-সভাপতি মো: শাহাব উদ্দিন ,১ম যুগ্ম সম্পাদক মো: আবদুস শহীদ, সহ-সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান শান্ত, প্রচার সম্পাদক মো: শাকিল হোসাইন, সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বিউটি রানী সহ আরো কয়েকজন।

সংগঠনটির সভাপতি নূরুল আলম সোহাগ বলেন,আমানউল্লাহপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর মূল লক্ষ্য সামাজিক সম্প্রীতি, নৈতিক মূল্যবোধ, শিক্ষিত, অপরাধ মুক্ত এবং অসচ্ছল পরিবারের মাঝে সহায়তার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের আজকের এই কার্যক্রম ।
ইতোপূর্বে আমরা করোনা সচেতনতায় এলাকার প্রতিটি ঘরে ঘরে লিফলেট বিতরন, ত্রান বিতরন,কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন, আলোচিত হিরা মনি হত্যায় মানববন্ধন সহ আরো বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম সফল ভাবে সম্পূর্ণ করেছি ।

ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও আমাদের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে ।

উল্লেখ্য, আমানউল্লাহপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কোন প্রকার সহায়তা প্রধান করার সময় সহায়তা গ্রহণকারীর ছবি এবং ভিডিও ধারন করে না । এবং কি সহায়তা গ্রহণকারীর নাম, ঠিকানা প্রকাশ করে না ।
সংগঠনটি মনে করে এতে করে সহায়তা গ্রহণকারীর সামাজিক মর্যাদাহানী হবার সম্ভাবনা থাকে ।

রাসূল সাঃ এর প্রতি অবমাননাঃ লক্ষ্মীপুরে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

প্রতিবেদকঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম

ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক হজরত মুহাম্মদ সাঃ এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন এর প্রতিবাদে ও ফ্রান্সের পন্য বয়কটের দাবীতে লক্ষ্মীপুরে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ শে অক্টোবর) সকাল ১০ টায় লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সামনে লক্ষ্মীপুর জেলা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার আয়োজনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেয় লক্ষ্মীপুর এর বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এর সদস্য, সাংবাদিক, ছাত্র, মানবাধিকার কর্মী ও সর্বস্তরের জনগণ।

মানববন্ধন এ বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক কাজী নাইম উদ্দিন, রাধাপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর সহ দপ্তর সম্পাদক মোঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম, বন্ধু সংঘের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, প্রেরণা এর সাধারণ সম্পাদক নাহিদ আলম, রেড ড্রপস বাংলাদেশ এর সদস্য জোবায়েদ হোসেন সানি প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ফ্রান্সের সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে রাসূল সাঃ এর প্রতি অবমাননার প্রতিবাদে আমরা এই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছি। আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে সরকারকের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি খুব দ্রুত রাষ্ট্রীয়ভাবে ফ্রান্সের সকল পন্য বয়কট করতে হবে এবং তাদের দূতাবাস বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করতে হবে। সাথে সাথে তারা সারাবিশ্বের মুসলিম নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাসূল সাঃ এর প্রতি অবমাননার প্রতিবাদ করে।

লক্ষ্মীপুরের রামনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

প্রতিবেদকঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম
লক্ষ্মীপুর এর সদর উপজেলার পোদ্দার বাজার জকসিন সড়কের রামনগর এলাকায় সিএনজি মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ শে অক্টোবর) দুপুর ২.৩০ মিনিটে দুর্ঘটনাটি ঘটে। জানা যায় রামনগর এলাকায় বিরাহিমপুর ব্রিজ এর মুখে লক্ষ্মীপুর থেকে আসা একটি সিএনজি এর সাথে পোদ্দার বাজার থেকে আসা একটি মোটরসাইকেল এর সংঘর্ষ হয়। সিএনজি এবং মোটরসাইকেল এ ৪ জন আরোহী ছিল। তাদের মধ্যে ঘটনাস্থলেই মারা যান ২ জন। একজন গুরুতর আহত হন। এখনো একজনের কোন সন্ধান পাওয়া যায় নি। আশপাশের মানুষ এর ধারণা সন্ধান না পাওয়া লোকটি পাশের খালে ডুবে গেছে।

গুরুতর আহত লোকটিকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়। নিহত ২ ব্যক্তির বাড়ি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পার্বতীনগর গ্রামে। আহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো জানা যায় নি।

লক্ষ্মীপুরে চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন পূর্ব জামিরতলী প্রাইমারী স্কুলের প্রধান রাস্তাটি প্রায় বিলুপ্ত!

লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন ১৩ নং দিঘলী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে অবস্থিত পূর্ব জামিরতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াতের মূল রাস্তাটি প্রায় বিলুপ্তির পথে, যেন দেখার কেউ নাই? উক্ত বিদ্যলয়টি দীর্ঘদিন যাবত সুনামের সাথে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের রাস্তাটির পূর্ব পাশে খাল, পশ্চিম পাশে দিঘি থাকায় বর্ষার সময় রাস্তার সম্পূর্ণ ভেঙে ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
পূর্ব জামিরতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন,ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে অনেক বার বলার পরেও তার কর্নপাত করেনি। তড়িঘড়ি করে এ রাস্তাটি না ধরলে হয়তোবা এই বিদ্যালয়ের আশা ছেড়েই দিতে হবে। কারণ যে হারে রাস্তা ভেঙ্গে প্রায় বিলুপ্তির পথে এভাবে ভাঙতে ভাঙতে বর্তমানে যে শুরু রাস্তাটা আছে সেটাও থাকবে না।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষিকা কামরুন নাহার মুঠোফোনে গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, পূর্ব জামিরতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি একমাত্র রাস্তাটি হল এটি, যা বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এ রাস্তাটি অতি দ্রুত দুই পাশের ঘাটোয়াল দিয়ে রাস্তাটি নির্মাণ না করলে একসময় দেখা যাবে বিদ্যালয় কোন ছাত্র-ছাত্রী পড়ালেখা করতে আসবে না। এর আগে অনেক ছাত্র-ছাত্রী এখানে পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন। বিদ্যালয়ের রাস্তাটির বেহাল দশার কারণে ছাত্র ছাত্রীরা অন্যান্য বিদ্যালয় চলে গেছে। বর্তমানে মাত্র ১৩০ জন ছাত্র-ছাত্রী প্রতিষ্ঠান পড়ালেখা করেন।
স্থানীয়দের মতে, একপাশে খাল ও অন্য পাশে দিঘি থাকায় মাঝখানে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অত্র বিদ্যালয়ের যাতায়তের একমাত্র রাস্তা এটি, বিকল্প কোন রাস্তা না থাকায় এই রাস্তাটি নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে শিক্ষার্থীরা সমস্যায় ভুগতেছি। প্রশাসনের নজরে এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি না আসায় স্থানীয় জনগন হতাশা প্রকাশ করেছে। একইসাথে তারা অতিসত্বর রাস্তাটির বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহন করার জন্য স্থানীয় প্রসাশনের সহযোগিতা কামনা করছেন।

ফাইল ফটোঃ লক্ষ্মীপুর টিভি।

স্বাধীনতা পুরষ্কার ২০২০ প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পুরষ্কৃত হলেন ৮ জন ব্যক্তি ও ১ প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ স্বাধীনতা পুরষ্কার ২০২০ প্রদান করা হয়েছে আজ। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় পুরষ্কার প্রদান করা হয়। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক পদকপ্রাপ্ত দের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে অংশগ্রহণ করেন।

গত ২০ শে ফেব্রুয়ারি স্বাধীনতা পুরষ্কার প্রাপ্তদের নাম প্রকাশ করে মন্ত্রীপরিষদ সচিব। এর পর ১ টি নাম সংশোধন করে গত ১২ মার্চ পূর্নাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করে। এ বছর ৮ জন ব্যাক্তি ও ১ টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরষ্কার প্রদান করা হয়।

এ বছর যে সকল বিশিষ্ট ব্যাক্তি স্বাধীনতা পুরষ্কার পেয়েছেন তারা হলো – স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদান এর জন্য বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দাস্তগীর গাজী বীর প্রতীক, প্রয়াত কমান্ডার (অব.) আবদুর রউফ, প্রয়াত মুহম্মদ আনোয়ার পাশা ও আজিজুর রহমান।

চিকিৎসাবিদ্যায় অবদান রাখায় অধ্যাপক ডা. মো. উবায়দুল কবীর চৌধুরী ও অধ্যাপক ডা. এ কে এম এ মুক্তাদির। সংস্কৃতিতে অবদান কালীপদ দাস ও লক্ষ্মীপুর জেলার কৃতিসন্তান ফেরদৌসী মজুমদার।

শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় টাঙ্গাইলের ভারতেশ্বরী হোমস্ কে এবার স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হয়।

স্বাধীনতা পুরষ্কার হিসেবে সকলে পাচ্ছে ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম ওজনের পদক, একটি সনদপত্র ও নগদ ৫ লক্ষ টাকা।

গত ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস এর দিন এই পুরষ্কার বিতরন এর কথা ছিল। করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে ওইদিন স্বাধীনতা দিবস এর সকল কর্মসূচি স্থগিত করা হয়।

দেশের মহান ব্যাক্তিদের সম্মাননা দেয়ার লক্ষ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই পুরষ্কার দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

রাসূল সাঃ এর প্রতি অবমাননাঃ লক্ষ্মীপুরে সাধারণ ছাত্রসমাজের মানববন্ধন

প্রতিবেদকঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম
ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয়ভাবে ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক হজরত মুহাম্মদ সাঃ এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন এর প্রতিবাদে ও ফ্রান্সের পন্য বয়কটের দাবীতে লক্ষ্মীপুরে সাধারণ ছাত্রসমাজের মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বুধবার (২৮ শে অক্টোবর) লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবের সামনে লক্ষ্মীপুর জেলার সাধারণ ছাত্রসমাজের আয়োজনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেয় লক্ষ্মীপুর এর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা ও সর্বস্তরের জনগণ। মানববন্ধন এর আগে লক্ষ্মীপুর শহর প্রদক্ষিণ করে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে সাধারণ ছাত্ররা।

বিক্ষোভ মিছিল এর নেতৃত্ব দেয় লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ এর শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণ কারীরা লক্ষ্মীপুর টিভিকে বলেন ফ্রান্সের সরকার রাষ্ট্রীয়ভাবে রাসূল সাঃ এর প্রতি অবমাননার প্রতিবাদে আমরা এই কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছি। আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে সরকারকের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি খুব দ্রুত রাষ্ট্রীয়ভাবে ফ্রান্সের সকল পন্য বয়কট করতে হবে এবং তাদের দূতাবাস বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করতে হবে। সাথে সাথে তারা সারাবিশ্বের মুসলিম নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান তারা যেন এখন ঐক্যবদ্ধ ভাবে ফ্রান্সকে প্রতিরোধ করে।