বাংলাদেশের ৪৫টি সিনেমা নিয়ে চলচ্চিত্র উৎসব কলকাতায়

 

আগামী ২৮ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশের ৪৫ সিনেমা নিয়ে কলকাতার নন্দনে শুরু হচ্ছে ‘৫ম বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব’।  চারদিনের এ উৎসবের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ফারুক আহমেদ জানান, সিনেমা বাছাইয়ের জন্য গত ১২ জুলাই বৈঠকে বসেছিলেন তারা। সেখানে প্রাথমিকভাবে ৪৫টি সিনেমা বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত হয়।

এর মধ্যে পাঁচটি প্রামাণ্যচিত্র এবং দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও রয়েছে। প্রাথমিক এই তালিকায় কোরবানির ঈদের মুক্তি পাওয়া শাকিব খানের ‘প্রিয়তমা’, আফরান নিশো-তমা মির্জার ‘সুড়ঙ্গ’, অপু বিশ্বাসের ‘লাল শাড়ি’ ও চয়নিয়া চৌধুরীর ‘প্রহেলিকা’র নাম আছে। এছাড়া গত বছরের প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের জোয়ার তোলা সিনেমা ‘হাওয়া’ ও ‘পরাণ’ দেখানো হবে উৎসবে।

প্রাথমিক তালিকায় আরও রাখা হয়েছে ‘রিকশা গার্ল’, ‘জেকে ১৯৭১’, ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’, ‘রেডিও’, ‘১৯৭১ সেই সব দিন’, ‘নকশীকাঁথার জমিন’, ‘শ্যামা কাব্য’, ‘দু:সাহসী খোকা’, ‘শ্রাবণ জ্যোৎস্নায়’, ‘গুণিন’, ‘বিউটি সার্কাস’, ‘দামাল’, ‘পায়ের তলায় মাটি নাই’, ‘পাপপূণ্য’, ‘সাঁতাও’, ‘মা’, ‘দেশান্তর’, ‘স্ফুলিঙ্গ’, ‘চিরঞ্জীব মুজিব’, ‘বিক্ষোভ’, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’, ‘নোনা জলের কাব্য’, ‘মৃধা বনাম মৃধা’, ‘কূড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’, ‘গলুই’, ‘গণ্ডি’, ‘ন ডরাই’, ‘আলফা’, ‘পুত্র’, ‘আয়নাবাজি’, ‘দেবী’ ও ‘গেরিলা’।

প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে রয়েছে ‘হাসিনা এ ডটারস টেল’, ‘অবিনশ্বর’, ‘একটি দেশের জন্য’, ‘চিরঞ্জীব বঙ্গবন্ধু’, ‘কাঙ্গাল হরিনাথ’। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে রয়েছে ‘ওমর ফারুকের মা’ ও ‘ধড়’।

‘৫ম বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব’-এর পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকছে, সেখানে উপস্থিত থাকবেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকেও।

এছাড়া বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের এক ঝাঁক তারকাশিল্পীও উৎসবে থাকছেন।

ঈদ ফুরিয়ে গেলেও শাকিবের ‘প্রিয়তমা’র জয়জয়কার চলছেই

 

‘প্রিয়তমা’র দৃশ্যে ইধিকা পাল ও শাকিব খান (ছবি: ভার্সেটাইল মিডিয়া)

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার জয়জয়কার চলছেই। পরিচালক হিমেল আশরাফ আজ (২১ জুলাই) সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, ঢাকাসহ সারাদেশের মোট ৬২টি সিনেমাহলে সগৌরবে চলছে এটি। এরমধ্যে চট্টগ্রামের সুগন্ধা এবং মাইজদীর রওশনবাণীতে নতুন ঢুকেছে এই সিনেমা।

খুলনার সঙ্গীতা, কুষ্টিয়ার স্বপ্নীল, সাভারের বিলাস ও সিলেটের গ্র্যান্ড সিনেপ্লেক্সে দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়েছে ‘প্রিয়তমা’। এছাড়া ৫৬টি সিনেমাহলে চতুর্থ সপ্তাহ ধরে দর্শকরা উপভোগ করছেন এটি।

‘প্রিয়তমা’র চতুর্থ সপ্তাহের সিনেমাহল তালিকা (ছবি: ভার্সেটাইল মিডিয়া)

প্রযোজনা ও পরিবেশনা সংস্থা ভার্সেটাইল মিডিয়ার দাবি, তৃতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মিলিয়ে ৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে ‘প্রিয়তমা’র। তাদের কথায়, “ঈদ ফুরিয়ে গেলেও প্রিয়তমা রয়ে গেছে। দর্শকদের সীমাহীন ভালোবাসায় সিনেমাটি ইতোমধ্যে ব্লকবাস্টার হয়েছে।

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার জয়জয়কার চলছেই। পরিচালক হিমেল আশরাফ আজ (২১ জুলাই) সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, ঢাকাসহ সারাদেশের মোট ৬২টি সিনেমাহলে সগৌরবে চলছে এটি। এরমধ্যে চট্টগ্রামের সুগন্ধা এবং মাইজদীর রওশনবাণীতে নতুন ঢুকেছে এই সিনেমা।

খুলনার সঙ্গীতা, কুষ্টিয়ার স্বপ্নীল, সাভারের বিলাস ও সিলেটের গ্র্যান্ড সিনেপ্লেক্সে দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়েছে ‘প্রিয়তমা’। এছাড়া ৫৬টি সিনেমাহলে চতুর্থ সপ্তাহ ধরে দর্শকরা উপভোগ করছেন এটি।

‘প্রিয়তমা’র চতুর্থ সপ্তাহের সিনেমাহল তালিকা (ছবি: ভার্সেটাইল মিডিয়া)

প্রযোজনা ও পরিবেশনা সংস্থা ভার্সেটাইল মিডিয়ার দাবি, তৃতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মিলিয়ে ৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে ‘প্রিয়তমা’র। তাদের কথায়, “ঈদ ফুরিয়ে গেলেও প্রিয়তমা রয়ে গেছে। দর্শকদের সীমাহীন ভালোবাসায় সিনেমাটি ইতোমধ্যে ব্লকবাস্টার হয়েছে।”

‘প্রিয়তমা’র দৃশ্যে শাকিব খান (ছবি: ভার্সেটাইল মিডিয়া)

গত সপ্তাহের শুরুতে ভার্সেটাইল মিডিয়া জানায়, দ্বিতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মিলিয়ে ৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে ‘প্রিয়তমা’র। গত ২৯ জুন দি অভি কথাচিত্রের পরিবেশনায় মুক্তির পর প্রথম সাতদিনে ঢাকাসহ সারাদেশে ৩১৫০টির বেশি প্রদর্শনী থেকে সিনেমাটির ১০ কোটি ৩০ লাখ টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে।

পরিচালক হিমেল আশরাফ মনে করেন, “শুধু সিনেমা নয়, ‘প্রিয়তমা’ এখন একটি উৎসব।”

গত ৭ জুলাই উত্তর আমেরিকায় মুক্তি পায় ‘প্রিয়তমা’। যুক্তরাষ্ট্রের ১৮টি রাজ্যের ৩৭টি এবং কানাডার চার প্রদেশের ৫টি সিনেমাহলে দেখানো হয়েছে এটি।

পরিবেশনা সংস্থা স্বপ্ন স্ক্যায়ারক্রো জানিয়েছে, আমেরিকা ও কানাডায় ‘প্রিয়তমা’ প্রথম সপ্তাহে ৪২টি সিনেমাহলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় করা বাংলাদেশি সিনেমা (শীর্ষে আছে হাওয়া)। হলিউড সিনেমার মহোৎসবের মাঝেও প্রথম তিন দিনে এটি আয় করে ৪৪ হাজার ডলার। উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে বাংলাদেশি সিনেমার ইতিহাসে এখন পর্যন্ত চতুর্থ সর্বোচ্চ ওপেনিং এটি। প্রথম সপ্তাহ শেষে ‘প্রিয়তমা’র আয় দাঁড়ায় ৮৪ হাজার ডলার। উত্তর আমেরিকায় প্রথম সপ্তাহের আয়ের বিবেচনায় এটি এখন বাংলাদেশের সিনেমা ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা।‘প্রিয়তমা’য় শাকিব খানের সঙ্গে প্রথমবার জুটি বেঁধেছেন কলকাতার নায়িকা ইধিকা পাল। ওপার বাংলার টেলিভিশন অঙ্গনের পরিচিত মুখ তিনি। স্টার জলসার ‘কপালকুণ্ডলা’, জি বাংলার ‘রিমলি’ ও ‘পিলু’ ধারাবাহিকে তার অভিনয় মন কেড়েছে দর্শকদের। এবার বাংলাদেশের সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হলো এই তারকার।

হিমেল আশরাফ ২০১৭ সালে বাপ্পি চৌধুরী ও আঁচলকে নিয়ে নিজের প্রথম সিনেমা ‘সুলতানা বিবিয়ানা’ পরিচালনা করেন। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন সমুদ্রে ঘুরতে গিয়ে হারিয়ে যাওয়া ফারুক হোসেন। ‘প্রিয়তমা’র চিত্রনাট্যকারও তিনিই। ‘সুলতানা বিবিয়ানা’ প্রযোজনা করেছে আরশাদ আদনানের প্রতিষ্ঠান ভার্সেটাইল মিডিয়া। ‘প্রিয়তমা’র প্রযোজকও তিনিই। এতে আরো অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, লুৎফর রহমান জর্জ, ডন, শহিদ উন নবী, এলিনা শাম্মিসহ অনেকে।

প্রিয়তমা’ সিনেমার তিনটি গান শ্রোতাপ্রিয়তা পেয়েছে। এরমধ্যে ‘কোরবানি কোরবানি’র কথা, সুর ও কণ্ঠ কলকাতার আকাশ সেনের। তার সুর-সংগীতে ও আসিফ ইকবালের কথায় ‘ও প্রিয়তমা’ গেয়েছেন বালাম ও কোনাল। প্রিন্স মাহমুদের সুর-সংগীত ও সোমেশ্বর অলির কথায় ‘ঈশ্বর’ গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন রিয়াদ।

 

 

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন মাহি

আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন মু. জিয়াউর রহমান। এরপর চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সেই নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে মাহি বলেন, ‘এখানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে গণসংযোগ করছি। তা ছাড়া প্রতি দুই ইউনিয়ন মিলে একটা করে অনুষ্ঠানের আয়োজন করছি। সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, ভালো-মন্দ জানার চেষ্টা করছি। তারাও আমাকে পেয়ে অনেক খুশি। এ যেন এক অন্য রকম ভালো লাগা, ভালোবাসায় নিজেকে নিয়োজিত করেছি।’

বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন মাহি। রাজনীতিতে ব্যস্ত সময় পার করলেও খুব শীঘ্রই অভিনয়েও ফিরছেন তিনি।

আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশকে সামনে রেখে প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

রোববার (২৩জুলাই) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে  প্রকল্প সমূহের জুলাই ২০২২ থেকে জুন ২০২৩ পর্যন্ত বাস্তবায়ন আগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় শতভাগ আরএডিপি বাস্তবায়ন সম্পর্কে এসবচ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আরএডিপি ১০৩ দশমিক ০৪ শতাংশ বাস্তবায়ন অবশ্যই প্রশংসারযোগ্য। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ গত দুই বছর পরপর শতভাগ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে এবং এরই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হবে। বিতরণ কোম্পানিগুলোকে গ্রাহকদের সাথে আস্থার সম্পর্ক বাড়াতে পরিকল্পনা মাফিক যোগাযোগ কার্যক্রম বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

উল্লেখ্য যে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় জিওবি ও বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ঠ প্রকল্প ৭টি, নিজস্ব প্রকল্প ২৫টি ও গ্যাস উন্নয়ন তহবিলভুক্ত ১২টিসহ মোট ৪৪ টি প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ ছিল ৪০৫৩ দশমিক ২০ কোটি টাকা। আর্থিক ব্যয় ৪১৭৬র দশমিক ৫৫ কোটি টাকা। আর্থিক অগ্রগতির হার ১০৩ দশকিম ৪ শতাংশ। ২০২১-২০২২ অর্থবছরে আর্থিক অগ্রগতি ছিল ১০ দশমিক ৫২ শতাংশ।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো: খায়েরুজ্জামান মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিপিসি’র চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ এনডিসি, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রধানগণ সংযুক্ত ছিলেন।

ইতালি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

 

রোববার (২৩ জুলাই) স্থানীয় সময় বেলা ১টা ৪০ মিনিটে ইতালির রোমের ফিউমিসিনো বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি তার সফরকালীন আবাসস্থলে যান। এর আগে রোববার সকালে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে (কিউআর-৬৪৩) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী।

দোহায় ট্রানজিট বিরতির পর কাতার এয়ারওয়েজের আরেকটি ফ্লাইটে (কিউআর-১৩১) রোমে আসেন তিনিইতালির রাজধনী রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) আয়োজিত ফুড সিস্টেম সামিটে যোগ দিতে  পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (২৩ জুলাই) স্থানীয় সময় বেলা ১টা ৪০ মিনিটে ইতালির রোমের ফিউমিসিনো বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি তার সফরকালীন আবাসস্থলে যান।

এর আগে রোববার সকালে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে (কিউআর-৬৪৩) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী।

দোহায় ট্রানজিট বিরতির পর কাতার এয়ারওয়েজের আরেকটি ফ্লাইটে (কিউআর-১৩১) রোমে আসেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেসের আমন্ত্রণে জাতিসংঘের খাদ্য ব্যবস্থাপনা+২ স্টকটেকিং মোমেন্ট (ইউএনএফএসএস+২) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন।

ইউএনএফএসএস+২ শীর্ষ সম্মেলনটি ২৪ থেকে ২৬ জুলাই ইতালির রোমে ফুড এন্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন (এফএও)-এর সদর দপ্তরে ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা: অভিন্ন যাত্রায় বৈচিত্র্যময় পথ’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ২০ জুলাই এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে ‘শক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতা’ ও সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি’ এই দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হতে পারে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ২৪ জুলাই এফএও সদর দফতরে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি বক্তা হিসেবে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।

ফোরামে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকার প্রধান, কৃষি বিশেষজ্ঞ, খাদ্য উৎপাদনকারী, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত থাকবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী ‘ফুড সিস্টেম অ্যান্ড ক্লাইমেট অ্যাকশন’ শীর্ষক পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে অংশ নেবেন।

একই দিন সন্ধ্যায় তিনি এফএও সদর দপ্তরে বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

জাতিসংঘের এফএও এর মহাপরিচালক কু ডংইউ এবং ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড অফ এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্টের (আইএফএডি) প্রেসিডেন্ট আলভারো লারিও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

প্রধানমন্ত্রী ২৫ জুলাই ইউরোপের ১৫টি দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতদেও নিয়ে আয়োজিত ‘আঞ্চলিক দূত সম্মেলনে’ যোগ দেবেন।

এছাড়া শেখ হাসিনার ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার কথা রয়েছে এবং সেখানে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।

তিনি ইতালিতে প্রবাসী বাংলাদেশি আয়োজিত একটি কমিউনিটি রিসেপশনেও যোগ দেবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, কৃষিমন্ত্রী ড. মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র্র মজুমদার, সংসদ সদস্যগণ এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ইউএনএফএসএস+২-এ যোগ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর ২৬ জুলাই স্বদেশের উদ্দেশে রোম ত্যাগের কথা রয়েছে।

গত ২০২১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর এ অনুষ্ঠিত ‘জাতিসংঘের খাদ্য ব্যবস্থাপনা শীর্ষ সম্মেলনে’ গৃহীত সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করার লক্ষ্যে ইউএনএফএসএস+২ এর যাত্রা শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালে ‘জাতিসংঘের খাদ্য ব্যবস্থাপনা শীর্ষ সম্মেলনে’ ভার্চুয়ালি যোগ দেন এবং পাঁচ দফা সুপারিশ প্রস্তাব পেশ করেন।

সার্ভেয়ারের চাকরি নাকি সম্পদ গড়ার পরশ পাথর

 

• মাসিক বেতন সবমিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা
• রাজধানীতে ৭টি ফ্ল্যাট ও ২০ কাঠার বেশি জমির মালিক
• অধিকাংশ সম্পদ শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের নামে গড়া
• ১৫ মে দুদকের মুখোমুখি হয়েছিলেন সার্ভেয়ার মনির

ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার, জাতীয় বেতন স্কেলের ১৪তম গ্রেডের কর্মচারী। বেতন সবমিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা। এই বেতনের একজন ব্যক্তি যদি ২০ বছর চাকরি করেন, তারপরও বেতন-বোনাস মিলিয়ে আয় ৭০ লাখ টাকাও হবে না। পারিবারিক ব্যয়ের হিসাবটা না হয় বাদই দেওয়া হলো।

অথচ ১৪তম গ্রেডের সরকারি এ কর্মচারীর সম্পদের পরিমাণ শুনলে যে কারও মাথা ঘুরে যাবে। রাজধানীর বহুতল ভবনে সাতটি ফ্ল্যাট, আছে ২০ কাঠার অধিক জমি। সর্বসাকুল্যে মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা হলে কীভাবে এ সময়ে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব? হয়তো আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপের ছোঁয়ায় তিনি এত সম্পদের মালিক বনে গেছেন

বলছি ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত সার্ভেয়ার মনির হোসেনের কথা। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কৃষ্ণপুরে। আগে ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এল এ শাখায় কর্মরত ছিলেন। সেখানে চাকরির তিন বছরের মাথায় দুর্নীতির অভিযোগে তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বদলি করা হয়। কিন্তু অবৈধ অর্থ ও ক্ষমতার জোরে আবারও ঢাকায় বদলি হয়ে আসেন তিনি।

মনিরের অবৈধ সম্পদের মধ্যে রয়েছে– গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কৃষ্ণপুরে একতলাবিশিষ্ট আলিশান বাড়ি, রাজধানীর শান্তিবাগ এলাকায় ১০তলা রোজ গার্ডেন ভবনে একাধিক ফ্ল্যাট, ডেমরার হাজি বাদশা মিয়া রোডে গ্রিন কটেজ- ১ ও গ্রিন কটেজ- ২-এ তিনটি ফ্ল্যাট, একই এলাকায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের পাঁচ কাঠার প্লট, সাত কাঠা জমিতে নির্মিত ২০টি দোকান এবং একই এলাকায় গ্রিন কটেজ- ৩ ও গ্রিন কটেজ- ৪ ভবনে একাধিক ফ্ল্যাটের বুকিং রয়েছে বলে জানা গেছে ।

অবৈধ সম্পদের মধ্যে আরও রয়েছে– রায়েরবাগে চান্দিনা ভিলেজে জমি, একই এলাকার মিন্টু চত্বরের পাশে সহকর্মী ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সার্ভেয়ার বশির ও তার (মনির) নামে ২০ কাঠা জমি।

দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত এসব সম্পদ নিজের নাম ছাড়াও স্ত্রী, শ্যালক ও ভায়রা, এমনকি শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নামেও গড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা পোস্টের অনুসন্ধানেও তিনি এবং তার আত্মীয়দের নামে কয়েকটি ফ্ল্যাট ও জমি থাকার সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে, দুর্নীতির মামলা থেকে বাঁচতে অধিকাংশ সম্পদ আত্মীয়দের নামে গড়েছেন বলে জানা গেছে।

সার্ভেয়ার মনিরের অঢেল সম্পদের খোঁজে এরই মধ্যে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে গত ১৫ মে তলব করে সার্ভেয়ার মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদও করে সংস্থাটির অনুসন্ধান কর্মকর্তা। যদিও জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের অধিকাংশ বিষয় তিনি অস্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। একইসঙ্গে অর্জিত সম্পদ নিজের নয় বলে দাবি করেন মনির।

এ বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জনসংযোগ দপ্তরে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। পরে জনসংযোগ দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে তারা এ বিষয়ে ‘অবগত নন’ বলে জানান। অন্যদিকে, সার্ভেয়ার মনিরকে কল করে ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করে দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে বলেন, মনির হোসেনের সম্পদের খোঁজে কর অফিস, রাজউক, ভূমি অফিস, রেজিস্ট্রার অফিস, সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকসহ অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সব নথিপত্র এখনও হাতে পাওয়া যায়নি। তবে, আমাদের গোয়েন্দা অনুসন্ধানে অনেক সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে।

‘আসলে দুদকের মূল অনুসন্ধান হচ্ছে অভিযোগে থাকা সম্পদের সঙ্গে মনির হোসেনের সম্পৃক্ততা খুঁজে বের করা। কারণ, অধিকাংশ সম্পদই তার শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের নামে করা। সেগুলো আসলেই মনিরের কি না, সেটা প্রমাণ করা এবং এরপর মনির হোসেনের অর্থের উৎস জানতে চাওয়া। জবাব যথাযথ না হলে মামলার আসামি হবেন তিনি। মনির ছাড়াও ভূমি অফিসের আরও বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে’— জানান ওই কর্মকর্তা।

সার্ভেয়ার মনিরের যত সম্পদ

সার্ভেয়ার মনির হোসেন মূলত ঢাকা জেলা প্রশাসকের এল এ শাখায় থেকে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। অবৈধ অর্থের মাধ্যমে তার নিজ নামে ও স্ত্রীর নামে সম্পদ ক্রয় করলেও পরবর্তীতে শ্যালক, ভায়রা ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নামে একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট, মার্কেট ও দোকান এবং ব্যাংকে টাকা রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সম্পদের বর্ণনায় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মনির হোসেন গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কৃষ্ণপুরে একটি একতলাবিশিষ্ট বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করেছেন। রাজধানীর ডেমরার শান্তিবাগ এলাকায় রোজ গার্ডেন নামের ১০তলা ভবনে নিজ নামে একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে। এমন একটি ফ্ল্যাটে পরিবারসহ বসবাস করছেন তিনি।

ডেমরার হাজি বাদশা মিয়া রোডের ভুট্টো চত্বরের কাছে শর্মা বাড়ির পেছনে গ্রিন কটেজ- ১ নামের ১০তলা ভবনের চতুর্থ ও অষ্টম তলায় সার্ভেয়ার মনিরের স্ত্রী ও ভায়রার নামে ১০৫০ বর্গফুটের দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে। বিষয়টি ওই ভবনের একজন নিরাপত্তাকর্মী নিশ্চিত করেছেন।

একই এলাকায় গ্রিন কটেজ- ২ নামের আরও একটি আটতলা ভবনে মনির হোসেনের নামে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। সেখানে দেড় কোটি টাকা মূল্যের তার পাঁচ কাঠার প্লট রয়েছে। প্লটটি তিনি ২০২২ সালের শুরুর দিকে শ্যালকের নামে কেনেন বলে জানা গেছে।

ওই জমির পাশেই নিজ মালিকানাধীন সাত কাঠার একটি জমিতে ২০টি দোকান নির্মাণ করেছেন মনির। মার্কেটটি ‘সার্ভেয়ার মনির মার্কেট’ হিসেবে পরিচিত। যার বাজার মূল্য দুই কোটি ২০ লাখ টাকা বলে জানা গেছে। এসব সম্পত্তি তিনি স্ত্রী ও শ্যালকের নামে ক্রয় করেছেন।

একই এলাকায় গ্রিন কটেজ- ৩ নামের ১০তলা একটি ভবন নির্মাণাধীন। যার প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়া গ্রিন কটেজ- ৪ ভবনটির পাইলিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে। ভবন দুটিতে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নামে একাধিক ফ্ল্যাটের বুকিং দিয়েছেন মনির

মনিরের অর্জিত স্থাবর এসব সম্পদের অংশীজন হিসেবে আছেন সার্ভেয়ার আফান উল্ল্যা ও সার্ভেয়ার বশির (নারায়ণগঞ্জ)। এছাড়া স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড কোনাপাড়া শাখায় একাধিক হিসাবসহ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে মনিরের অঢেল টাকা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

অন্যান্য অভিযোগ

সার্ভেয়ার মনিরের বিরুদ্ধে অসদুপায়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতেরও অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, তিনি ঢাকা জেলা ডিসি অফিসের এল এ শাখার একটি সংঘবদ্ধ অসাধু চক্রের সঙ্গে জড়িত। এ চক্রের সহায়তায় বিভিন্ন প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তির ছত্রছায়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ওই চক্রের মূলহোতাদের মধ্যে ঢাকা ডিসি অফিসের বেশ কয়েকজন সার্ভেয়ার ও কানুনগোর নাম রয়েছে।

জানা যায়, তাদের ডিসি অফিস থেকে বদলি করা যায় না। তারা বিভিন্ন এল এ কেসের কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত টাকায় তারা রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক ফ্ল্যাট, বাড়ি, গাড়ি এবং নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন।

সার্ভেয়ার মনির হোসেন মূলত ঢাকা জেলা প্রশাসকের এল এ শাখায় থেকে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। অবৈধ অর্থের মাধ্যমে তার নিজ নামে ও স্ত্রীর নামে সম্পদ ক্রয় করলেও পরবর্তীতে শ্যালক, ভায়রা ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নামে একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট, মার্কেট ও দোকান এবং ব্যাংকে টাকা রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে ।

মনিরের অবৈধ সম্পদের মধ্যে রয়েছে– গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কৃষ্ণপুরে একতলাবিশিষ্ট আলিশান বাড়ি, রাজধানীর শান্তিবাগ এলাকায় ১০তলা রোজ গার্ডেন ভবনে একাধিক ফ্ল্যাট, ডেমরার হাজি বাদশা মিয়া রোডে গ্রিন কটেজ- ১ ও গ্রিন কটেজ- ২-এ তিনটি ফ্ল্যাট, একই এলাকায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের পাঁচ কাঠার প্লট, সাত কাঠা জমিতে নির্মিত ২০টি দোকান এবং একই এলাকায় গ্রিন কটেজ- ৩ ও গ্রিন কটেজ- ৪ ভবনে একাধিক ফ্ল্যাটের বুকিং রয়েছে বলে জানা গেছে ।

মনির হোসেনের সম্পদের খোঁজে কর অফিস, রাজউক, ভূমি অফিস, রেজিস্ট্রার অফিস, সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকসহ অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সব নথিপত্র এখনও হাতে পাওয়া যায়নি। তবে, আমাদের গোয়েন্দা অনুসন্ধানে অনেক সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে ।

সূত্র:Dhaka Post এফ এম আবদুর রহমান মাসুম

 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল বললেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি

বুধবার (১৯ জুলাই) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক‌ শেষে এ ঘোষণা দেন তিনি।‌

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ‘আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ সম্ভব নয়। একই সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ নিয়ে দুটি কমিটি হচ্ছে।

করোনাকালীন শিক্ষাক্রমের ক্ষতি পোষাতে গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল করে শীতের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করা নির্দেশ দেন। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির পাঠদান ও মূল্যায়ন শেষ করার নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন, ‌‘আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা সম্ভব নয়। এছাড়াও মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলের গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল করে শীতের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

বায়ুশক্তি উৎপাদনে ১৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে ডেনমার্ক

বুধবার (১৯ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে ডেনমার্কের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত উইনি ইস্ট্রুপ পিটারসেন এই আগ্রহের কথা জানান।প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূতকে উদ্ধৃত করে বলেন, ‘ডেনমার্ক সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় বায়ুশক্তি উৎপাদনে বাংলাদেশে ১৩০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী।মিডিয়া ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়নে ডেনমার্কের মতো বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সহায়তা কামনা করেন। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সারা দেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করেছে, যেখানে বিদেশি ও দেশি উভয় ধরনের বিনিয়োগ প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ডেনমার্কের মধ্যে ৫০ বছরের উন্নয়ন অংশীদারিত্বের প্রশংসা করেন।  রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এ সময় শেখ হাসিনা জানান, তার সরকার দেশে দারিদ্র্যের হার অনেকাংশে কমিয়ে এনেছে। দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্রের জন্য আমরা দীর্ঘ সংগ্রাম করেছি।

ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত বলেন, তার দেশ বিশ্বব্যাপী আইসিটি খাতে ষষ্ঠ বৃহত্তম রফতানিকারক দেশ। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের আইসিটি খাতও দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

পিটারসেন বলেন, দুই দেশ মানবউন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমরা সহযোগিতার মাধ্যমে অনেক কিছু অর্জন করেছি।‍‍`

বিদায়ী রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, তিনি বাংলাদেশে ভালো বন্ধুদের সঙ্গে ভালো সময় কাটিয়েছেন। তিনি উন্নয়ন অংশীদারিত্বের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে কিছু বই উপহার দেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করছে পাক প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) জাতির উদ্দেশ্য দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে শাহবাজ শরিফ বলেন, তার সরকারের মেয়াদ ১৪ আগস্ট তারিখে শেষ হবে।

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেননি যে ১২ আগস্ট তারিখে তিনি ও তার জোট সরকারের শরিকরা স্বাভাবিকভাবে পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দিবেন, নাকি দেশটির প্রেসিডেন্টকে তা দ্রুত ভেঙে দেওয়ার পরামর্শ দেবেন।

ভাষণে নিজের দলের অর্জন সম্পর্কে শাহবাজ বলেন, খুব অল্প সময়ের জন্য ক্ষমতা গ্রহণ করেও বিচক্ষণতার সঙ্গে নীতি বাস্তবায়ন করে অর্থনীতিকে আমরা ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছি।

পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ মাসের ক্ষমতায় জোট সরকার রাষ্ট্রকে বাঁচিয়েছে, রাজনীতি নয়।

তিনি বলেন, জোটের দলগুলো কঠিনতম সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশকে খেলাপির হাত থেকে বাঁচাতে তাদের রাজনীতি বিসর্জন দিয়েছে। আমরা সবসময় আমাদের ভোট ব্যাংক নিয়ে চিন্তা না করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানো নিয়ে চিন্তিত ছিলাম।

পাক প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আইএমএফ প্রোগ্রাম অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে সবচেয়ে বড় বাধা ছিল। যা আগের সরকার সবচেয়ে কঠিন শর্তে সম্মত হয়েছিল।

তিনি বলেন, গত সরকার দেশকে খেলাপির দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছিল।

মনে করা হচ্ছে এই মেয়াদে শাহবাজ শরিফের জাতির উদ্দেশে দেওয়া এটাই শেষ ভাষণ। তাই ইমরান খান সরকারের সময়ে নেয়া নানা পদক্ষেপের সমালোচান করেন তিনি। পাশাপাশি এই সরকারকে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবকে।

এদিকে বৃহস্পতিবার পাকিস্তান মোট তিন বিলিয়ন আইএমএফ প্যাকেজের মধ্যে ১.২ বিলিয়ন ডলার হাতে পেয়েছে। গত তিন দিনে দেশটির ব্যাংকগুলোতে বিদেশি তহবিল থেকে মোট ৪.২ বিলিয়ন ডলার সমপরিমান অর্থ এসেছে। এসব বৈদেশিক বিনিয়োগের কারণে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১৩-১৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এরপরই পদত্যাগের ঘোষণা দেন শাহবাজ শরিফ।

ঢাকা-৫: দ্বাদশ নির্বাচনে মাঠ গরম করছেন যেসব নৌকার মাঝি জনমতে এগিয়ে কামরুল ইসলাম রিপন

একপ্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার এলাকার মধ্যে চাঁদাবাজির বিষয়ে আপনি যেটা বললেন সেটা ৮০ ভাগ সত্য। বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন উপায়ে চাঁদাবাজি হচ্ছে। বাস-টেম্পো স্টেশন, এটা-সেটা সমানে চাঁদাবাজি হচ্ছে। এটা আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। ভ্যান গাড়ি নিয়ে গেলেও নাকি চাঁদা দিতে হয়, সব জায়গায় একই অবস্থা। এসব চাঁদাবাজি কারা করে সেটা আমি জানি না। প্রশাসনকে এ ব্যাপারে শক্ত হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন যদি শক্ত হয় তাহলে আমরা আরও শক্তিশালী হতে পারি।

তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসনকে চিঠি দিয়ে বলেছি, যারা চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে। এমনকি এতে আমার কোনো আত্মীয়-স্বজন জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যাবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছি। এছাড়াও আমি ব্যাক্তিগতভাবে কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্ছারন করে বার ফেসবুকে বলেছি, আমি পুলিশ প্রশাসনকেও বলেছি। আমার কোনো আত্মীয়-স্বজন, আমার ভাই, আমার নিজের ছেলেও যদি করে তাহলেও তাদের ছাড়বেন না। আমার ভাইদের কেউ চেনে না, আমার ছেলেও এগুলোর মধ্যে নেই। আমার ৫টা ভাই, তাদের কেউ চেনে না। কিছু স্বার্থান্বেষী মহল আমার নাম ভাঙিয়ে এগুলো করে। আমি তাদের চিনিও না। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারে একমাত্র পুলিশ প্রশাসন। তাদের হস্তক্ষেপ ছাড়া এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। তবে কাজী মনিরুল ইসলাম মনুর অভিযোগ, কিছু মনোনয়ন প্রত্যাশী দিন দিন নৌকাকে ডুবাতে এবং আওয়ামী লীগের সুনাম নষ্ট করার ষড়যন্ত্রে মাঠে নেমেছেন। তারা নিজেদের বলয় তৈরি করে চাাঁদাবাজি ও জমি দখলের মতো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছেন। ওইসব মনোনয়ন প্রত্যাশীরা অপকর্ম করছেন আর আমার নামও ভাঙিয়ে আমাকে বিব্রতকর অবস্থা ফেলে দিচ্ছেন।

 

কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এমপি বলেন, আমার দায়িত্বপালনের ২ বছর তিন মাস চলছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন চিত্র নাগরিকদের সামনে তুলে ধরছি। এলাকার মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার চেষ্টা করছি। জনগণই বলতে পারে আমি কতটুকু খারাপ আর কতটুকু ভালো করেছি। দলের নেতাদের সঙ্গে আমার দূরত্ব বাড়েনি। অনেকে মনে কষ্ট নিয়ে হয়ত বলতে পারেন আমাকে এই দিল না, সেই দিল না। আমরা কী দিতে পারি? দূরত্ব বলতে এমন নয় যে আমি তাদের নিয়ে মিছিল করি না। আমি তাদের নিয়ে মিছিল করি, দলের সকল প্রোগ্রামে যাই। দূরত্ব কীভাবে হলো আমি জানি না। আমি নেতাকর্মীদের সঙ্গে আছি, থাকব।

 

তিনি বলেন, আমাদের এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুব ভালো। এখানে কর্মীদের মধ্যে কোনো মারামারি নেই। দলে পক্ষ-বিপক্ষ থাকবে, পৃথিবীর সবখানেই এটা আছে। আমাদের এখানে মারামারি, ধরাধরি, অমুক-তমুক, এটা সেটা, এগুলো নেই। আমার এই দুই থানার নেতাকর্মীদের সঙ্গে অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক আছে।

 

স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যাত্রাবাড়ি থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে যেমরা-যাত্রাবাড়ি থানার তৃণমূল নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত। এতদিন দলের যে সকল নেতাকর্মী ক্ষোভ-অভিমানে নিষ্ক্রীয় ছিল, তারাও এখন আওয়ামী লীগের প্রতিটি সভা ও শান্তি সমাবেশসব দলের সকল কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি,আগের এমপি মনখোলে কারো সঙ্গে কথাও বলেনি। শুধুমাত্র নির্বাচন আসলে মাঠে নেমেছিল। কিন্তু কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এমপি হয়েও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রতিদিন আড্ডা দিচ্ছেন এবং তাদের চাওয়া-পাওয়া এবং মান-অভিমানের কথা শুনে তাৎক্ষনিকভাবে ব্যাবস্থা নিচ্ছেন।

 

ঢাকা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান আলহাজ্ব মশিউর রহমান মোল্লা সজল। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গণসংযোগ শুরু করে দিয়েছি। বিভিন্ন ওয়ার্ডে যাচ্ছি, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলছি। চলার পথে সবার সাথে কুশল বিনিময় করছি। এলাকার মুরব্বীদের সঙ্গে কথা বলছি, তাদের থেকে দোয়া নিচ্ছি। এছাড়া আওয়ামী লীগ বা দল থেকে যেসব নির্দেশনা আসছে সে অনুযায়ী কাজ চলছে।

 

তিনি বলেন, দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় এবং জনগণ যদি আমাকে ভোটে জয়যুক্ত করে, তবে বর্তমানে যে অনিয়মগুলো চলছে তা বন্ধ হয়ে যাবে। এখানে চাঁদাবাজি, মাদক, জমি দখল, অবৈধ বালি ব্যবসার সমস্যা প্রকট। আমি চেষ্টা করব এসব সমস্যা দূর করতে। সবচেয়ে যে বড় বিষয় হচ্ছে, দলীয় শৃঙ্খলা বা চেইন অব কমান্ড। উপনির্বাচনের পর এটি একদমই ভেঙে গেছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো চেইন অব কমান্ড নেই। ঐক্যবদ্ধ হয়ে কেউ কাজ করছে না। বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে কাজ করলেও সেটা নিয়ে আমার কথা নয়। তবে বড় কোনো কর্মসূচিতে ঐক্যবদ্ধ হতে পারছি না। একটা পক্ষ আমরা রাস্তায় থাকছি, আরেকটা পক্ষ রাস্তায় নেই। দ্বাদশ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন চান স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি কামরুল ইসলাম রিপন।

 

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ আসনের প্রত্যেকের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছি। এই আসনটি হলো ঢাকার এন্ট্রি পয়েন্ট। এখানে জামায়াত-বিএনপির অবস্থানের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলন করে যাচ্ছি।

 

তিনি বলেন, হেফাজত, জামায়াত-বিএনপির সকল কর্মসূচি প্রতিহত করতে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা আমার নেতাকর্মীরা দখলে রেখেছিল, সেটা এখনও দখলেই আছে। যুব সমাজ আমার সঙ্গে কাজ করে। করোনাকালীন সময়ে আমি প্রত্যেক ঘরে ঘরে গিয়েছি। এই ঈদে শেখ হাসিনার নির্দেশে কয়েক হাজার পরিবারকে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছি।

 

আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশিদ মুন্না। তিনি বলেন, ১৯৯০ সাল থেকে ছাত্র রাজনীতি করছি। ৯২ সালে থানা আওয়ামী লীগের প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ৯৮ সালে সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। ২০০৪ সালে কাজী মনু সভাপতি, আমি সাধারণ সম্পাদক (অবিভক্ত ডেমরা), ২০১৬ সালে কাজী মনু সভাপতি আমি সাধারণ সম্পাদক। লড়াই, সংগ্রাম, আন্দোলন, ত্যাগ, পরিশ্রম কম করিনি। ২০০৮ সালে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। দলের প্রেক্ষাপটে আমি মনে করি এবার আমার হক, আমার নেতাকর্মীদের হক। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ একটা বড় দল। ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায়, গ্রুপিং থাকবে না, এটা কি হয়? গ্রুপিং অবশ্যই থাকবে।

 

উল্লেখ্য, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৮, ৪৯, ৫০, ৬০, ৬১, ৬২, ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯ ও ৭০ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ নির্বাচনী এলাকার সংসদীয় আসন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৭১ হাজার ১২৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৬৪ জন আর নারী ভোটার ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৫ জন। এ আসনটি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জন্য রাজধানীর প্রবেশমুখ হওয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এরআগে ২০২০ সালের ৬ মে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান মোল্লা মৃত্যুবরণ করেন। ওই বছরই উপ-নির্বাচনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু।

সরকারের সময় শেষ হয়ে এসেছে: মির্জা আব্বাস

মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর মগবাজার এলাকায় সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি আদায়ে পদযাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন মির্জা আব্বাস।এ সময় মির্জা আব্বাস বলেন, আজকের এই মিছিল থেকে প্রমাণ হবে বিএনপির নেতাকর্মীরা এ সরকারকে ভয় পায় না। বিএনপি নেতাকর্মীরা কাউকে ভয় পায় না। বিএনপি নেতাকর্মীরা আজ এই পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করে প্রমাণ করেছে রাজপথ আমাদের দখলে। বিএনপির শীর্ষ এই নেতা বলেন, এই সরকারের সময় শেষ হয়ে এসেছে। তাই তারা উল্টাপাল্টা আচরণ শুরু করেছে। বিশ্ববাসী এই সরকারের উপর অতিষ্ট। সারাদেশের জনগণ এই সরকারের উপর অতিষ্ট। তাই এ সরকার আর বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। আজকের এই পদযাত্রা থেকে আমরা প্রমাণ করব বিএনপি এই সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেবে না।ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে এ পদযাত্রায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, কেন্দ্রীয় নেতা নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম, রকিবুল ইসলাম বকুল, কামরুজ্জামান রতন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ইশরাক হোসেন, রফিকুল ইসলাম রাসেল, যুবদলের সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের এস এম জিলানী প্রমুখ।

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মানসে কর্মসূচি দিচ্ছে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী

মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) বিকেলে চট্টগ্রাম পুরাতন রেলওয়ে স্টেশন চত্বরে মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত কেন্দ্র ঘোষিত শান্তি ও উন্নয়ন শোভাযাত্রা পূর্ব আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে করার উদ্দেশ্যে সমাবেশের নামে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মানসে সারাদেশে নানা কর্মসূচি দিচ্ছে। ক’দিন আগে চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জায়গায় তারুণ্যের সমাবেশ করেছে। পরশুদিন খুলনা শহরেও তারুণ্যের সমাবেশ করেছে। সেখানে সব ষাটোর্ধ্ব, ৫০-৬০ বছরের তরুণ। মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেব যদি তারুণ্যের ডেফিনেশনটা একটু বলতেন, ভালো হতো।

 

তিনি বলেন, ‘বিএনপি বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়েছে। আজকেও তারা বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশে একটা বিশৃঙ্খলা তৈরি করা। আওয়ামী লীগ গণমানুষ থেকে গড়ে উঠা রাজপথের দল। আমরা রাজপথে আছি, নির্বাচন পর্যন্ত রাজপথে থাকব, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে টানা পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসিয়ে তারপর আমরা ঘরে ফিরবো।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন,‘ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের সাথে আমাদেরও বৈঠক হয়েছে, তথ্যমন্ত্রী হিসেবে আমার সাথে ব্যক্তিগতভাবেও বৈঠক হয়েছে। তারা স্পষ্ট বলেছে যে, বাংলাদেশের সংবিধান ও আইন কানুন মেনে এখানে যাতে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হয় সেটিই তারা চায়। তারা তত্ত্বাবধায়ক কিংবা নির্বাচনকালীন সরকার এসব কোন কিছুর কথা বলে নাই।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে সরকার ও নির্বাচন কমিশনের উপর কালিমা লেপনের উদ্দেশ্যে একজন প্রার্থীর উপর হামলা করা হয়েছে। যারা করেছে তারা দুষ্কৃতিকারী। তারা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এটি করেছে। আমরা এর নিন্দা জানাই। তবে অনেকে শুধু প্রচার পেতে ঘুরে ঘুরে নির্বাচন করে, সেটিও মাথায় রাখতে হবে।

মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন বাচ্চু, নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, নগর আওয়ামী লীগ নেতা নোমান আল মাহমুদ এমপি, ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, সফর আলী, চট্টগ্রাম-১০ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চু প্রমুখ।

বুড়িগঙ্গায় ওয়াটারবাস ডুবি, ৪ জনের লাশ উদ্ধার

ঢাকার কেরানীগঞ্জে তেলঘাট এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় ওয়াটারবাস ডুবিতে চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রোববার (১৬ জুলাই) রাত ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সদরঘাট নৌ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাসান মারুফ।

উদ্ধার অভিযানে নৌ পুলিশের পাশাপাশি অংশ নিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ড।

ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন জানান, উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। ওয়াটারবাসটিকে পানি থেকে উঠানোর চেষ্টা চলছে। ফায়ার সার্ভিস এখন পর্যন্ত তিনজনকে সচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেছে।

এর আগে সদরঘাট নৌ-থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম জানিয়েছিলেন, রাজধানীর শ্যামবাজার ঘাট থেকে ৫০-৬০ জন যাত্রী নিয়ে একটি ওয়াটারবাস কেরানীগঞ্জের তেলঘাটে যাচ্ছিল। এসময় বালুবাহী একটি বাল্কহেড ওয়ারবাসটিকে ধাক্কা দিলে সাথে সাথেই ওয়াটারবাসটি ডুবে যায়। এতে অনেক যাত্রী সাঁতরে পাড়ে উঠতে পারলেও কিছু যাত্রী নিখোঁজ রয়েছে। তবে নিখোঁজের সঠিক সংখ্যা এখনো জানা যায়নি।

বিএনপির ফাঁপা বেলুন চুপসে যেতে শুরু করেছে: কাদের

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নেতারা বলছেন, দেশ নাকি ক্রান্ত্রিলগ্নে দাঁড়িয়ে আছে। আসলে বিএনপির রাজনীতিই আজ ধ্বংসের শেষপ্রান্তে। তাদের মিথ্যাচারের ফাঁপা বেলুন চুপসে যেতে শুরু করেছে। তারা সরকার বিরোধিতার নামে দেশবিরোধিতায় লিপ্ত। তারা শুধু ক্ষমতা চায়, কিন্তু নির্বাচনে ভয় পায়। তাই তারা অনির্বাচিত সরকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির তথাকথিত আন্দোলন হচ্ছে যেনতেনভাবে ক্ষমতা দখলের আন্দোলন। এই আন্দোলনে জনগণের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তথাকথিত আন্দোলনের নামে সন্ত্রাস ও সহিংসতার মাধ্যমে তারা ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির আন্দোলন মানে জাতীয় সম্পদ নষ্ট ও অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে মানুষ হত্যা করা। যারা জনগণকে শত্রু জ্ঞান করে, তারা কখনো জনগণের আস্থা পায় না। বিদেশি প্রভুদের ওপর ভর করে তারা যে আন্দোলন করছে, তাতে জনগণের মুক্তি তো মিলবেই না, বরং দেশকে দুর্বল করবে। বিদেশিদের আপন করতে গিয়ে দেশের জনগণকে প্রতিপক্ষ বানিয়েছে বিএনপি। ’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মার্কিন ভিসানীতি প্রকাশের পর বিএনপি নেতারা আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে উঠেছিলেন। সরকার ও জনগণের মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করে নিজেদের অপরাজনৈতিক অভিলাষ বাস্তবায়নের উন্মাদনায় মেতে উঠেছিলেন। বিএনপি নেতারা এতদিন ভিসানীতি নিয়ে রাজনীতির মাঠ গরম করেছেন। আর এখন বলছেন ‘কোন দেশের ভিসানীতিতে কী আছে, না আছে, দেখতে চাই না।’

তিনি বলেন, ‘আসলে বিএনপির সৃষ্ট ষড়যন্ত্রের জালে তারা নিজেরাই আটকে গেছে। বিএনপির সন্ত্রাস ও সহিংস রাজনীতির অপতৎপরতার কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ায় তারা এখন উল্টো সুরে কথা বলতে শুরু করেছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশের আইন-আদালতের ওপর সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করে না। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলে। আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী, এমনকি দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধেও মামলা রয়েছে। অনেকেই গ্রেপ্তার হয়েছেন, কারাবরণ করেছেন। সরকারের হস্তক্ষেপ থাকলে এমন হয় না।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি ভাড়াটিয়া সাইবার সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে অপপ্রচারের অপকৌশল আরও তীব্র করেছে। দলটি জন্মলগ্ন থেকেই মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চর্চা করে আসছে। তারা সত্যকে যেমন ভয় পায়, তেমনি দেশের জনগণ এবং সংবিধান ও আইন-আদালতকেও ভয় পায়।’

রোববার বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবসকে স্মরণ ও এর প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘ওয়ান-ইলেভেনের অসাংবিধানিক ও অবৈধ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৭ সালের এই দিনে বেআইনি ও অযৌক্তিকভাবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে কারাবন্দী করে। সেদিন শুধু শেখ হাসিনাকে অবরুদ্ধ করা হয়নি, অবরুদ্ধ করা হয়েছিল দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের স্বাধীনতাকেও।’

তিনি বলেন, ‘২০০৮ সালের ১১ জুন দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগ ও নানামুখী ষড়যন্ত্রের পর তৎকালীন অবৈধ তত্ত্বাবধায়ক সরকার গণদাবির মুখে শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের আস্থা ও নির্ভরতার ঠিকানা শেখ হাসিনাকে মুক্ত করে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্য দিয়ে এ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরায় ফিরে আসে। যুগপৎভাবে বিকাশ ঘটে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে আজ উন্নয়ন-অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির অভিযাত্রায় অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুখী-সমৃদ্ধশালী শান্তিপূর্ণ-কল্যাণকর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমরা বদ্ধপরিকর।’

সেনাবাহিনীতে চাকরি, বিবাহিতদের জন্যও সুযোগ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সম্প্রতি জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটিতে ৫৯তম বিএমএ স্পেশাল, ৫২তম ডিএসএসসি এবং ৩৬তম ডিএসএসসি কোর্সে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
পদের নাম: ইলেকট্রিক্যাল এন্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৫০। ইংরেজি মাধ্যম হলে ‘ও’ লেভেলে ৬টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ২টিতে ‘এ’ গ্রেড, ৩টিতে ‘বি’ গ্রেড ও ১টিতে ‘সি’ গ্রেড এবং ‘এ’ লেভেলে ২টি বিষয়েই ন্যূনতম ‘বি’ গ্রেড। এছাড়া মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের উপর বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে কমপক্ষে সিজিপিএ-৩ থাকতে হবে।

পদের নাম: আর্মি এডুকেশন কোর। শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় জিপিএ-৪.০০। ইংরেজি মাধ্যম হলে ‘ও’ লেভেলে ৬টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ৪টিতে ‘বি’ গ্রেড, ১টিতে ‘সি’ গ্রেড ও ১টিতে ‘ডি’ গ্রেড এবং ‘এ’ লেভেলে ২টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ১টিতে ‘সি’ গ্রেড এবং ১টিতে ‘ডি’ গ্রেড। এছাড়া স্ব-স্ব বিষয় সমূহের উপর স্নাতকোত্তর ডিগ্রিতে কমপক্ষে সিজিপিএ-৩ থাকতে হবে।

পদের নাম: রিমাউন্ট ভেটেরেনারি এন্ড ফার্ম কোর। শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় জিপিএ-৪.০০। ইংরেজি মাধ্যম হলে ‘ও’ লেভেলে ৬টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ৪টিতে ‘বি’ গ্রেড, ১টিতে ‘সি’ গ্রেড ও ১টিতে ‘ডি’ গ্রেড এবং ‘এ’ লেভেলে ২টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ১টিতে ‘সি’ গ্রেড এবং ১টিতে ‘ডি’ গ্রেড। এছাড়া ভেটেরিনারি সায়েন্স এন্ড এনিমেল হাসবেন্ডারি/এনিমেল হাসবেন্ডারি থেকে স্নাতকে সিজিপিএ-৩ থাকতে হবে।

পদের নাম: জাজ অ্যাডভোকেট জেনারেল। শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষায় জিপিএ-৪.০০। ইংরেজি মাধ্যম হলে ‘ও’ লেভেলে ৬টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ৪টিতে ‘বি’ গ্রেড, ১টিতে ‘সি’ গ্রেড ও ১টিতে ‘ডি’ গ্রেড এবং ‘এ’ লেভেলে ২টি বিষয়ের মধ্যে ন্যূনতম ১টিতে ‘সি’ গ্রেড এবং ১টিতে ‘ডি’ গ্রেড। এছাড়া এলএলবি থেকে স্নাতকে জিসিপিএ কমপক্ষে ৩ থাকতে হবে। এলএলএম/এমএএলএলএম ডিগ্রিতে কমপক্ষে সিজিপিএ-৩ থাকতে হবে।

বয়সসীমা: পুরুষ: অবিবাহিত। তবে ১ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে যাদের বয়স ২৬ বছরের উপর হবে সে সকল বিবাহিত পুরুষ প্রার্থীগণও আবেদন করতে পারবেন। মহিলা: অবিবাহিত/বিবাহিত।

প্রার্থী নির্বাচন পদ্ধতি: লিখিত পরীক্ষা (পেশাগত বিষয় ১০০ নম্বর) আগামী ১১ আগস্ট সকাল ৯টায় শহীদ বীর বিক্রম রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল, ঢাকা সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল সেপ্টেম্বর মাসের ৪র্থ সপ্তাহে প্রকাশিত হবে।

বেতন-ভাতা: সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সশস্ত্র বাহিনীর বেতনক্রম অনুযায়ী অফিসার ক্যাডেট/ট্রেইনি অফিসারগণ বেতন ও ভাতা প্রাপ্ত হবেন। পরবর্তীতে কমিশন্ড অফিসার হিসেবে প্রযোজ্য বেতন ভাতা ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক সুবিধা প্রাপ্ত হবেন।

আবেদন পদ্ধতি: বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে https://joinbangladesharmy.army.mil.bd/ গিয়ে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ তারিখ: ৪ আগস্ট, ২০২৩।

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও বুশরা বিবির বিয়ে ইসলামবিরোধী

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক–ই–ইনসাফ দলের চেয়ারম্যান ইমরান খান এবার বিয়ে নিয়ে নতুন বিপদে পড়লেন। গতকাল বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (এডিএসজে) ইসলামাবাদ, মুহাম্মদ আজম খান এক ঘোষণায় জানান বুশরা বিবির সঙ্গে ইমরান খানের অবৈধ বিয়ের মামলা গ্রহণযোগ্য। খবর জিও টিভির।

ইসলামাবাদের একটি স্থানীয় আদালতে ১২ এপ্রিল মুফতি সাঈদ তার বক্তব্য রেকর্ড করার সময় এমন দাবি করেন। বুশরা বিবির ইদ্দতের সময় পার হওয়ার আগেই ইমরান খানের সঙ্গে তার বিয়ে নিয়ে ইসলামাবাদের একটি আদালতে পিটিশন করা হয়েছে। পরবর্তীতে ইসলামাবাদের দেওয়ানি আদালত এই পিটিশনকে অগ্রহণযোগ্য বলে ঘোষণা করে। তবে শেষমেশ গতকাল এ রায় খারিজ করে দিয়েছেন এডিএসজে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইমরানের বিরুদ্ধে মুহম্মদ হানিফ এই পিটিশনটি দাখিল করেছেন। তিনি দাবি করেন, ২০১৭ সালের নভেম্বরে বুশরা বিবির তালাক হয় এবং তিনি ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি ইদ্দতকালীন সময়ে ইমরান খানকে বিয়ে করেন। এটি শরিয়া ও ইসলামবিরোধী। ২০১৮ সালে ইমরান খান ও বুশরা বিবির বিয়ের দায়িত্ব সম্পন্ন করার কাজে নিয়োজিত ছিলেন মুফতি মোহাম্মদ সাঈদ। তিনি বলেছেন, বুশরা বিবির ইদ্দতকালে এ বিয়ে হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে একসঙ্গে ঘুরছেন শাকিব-অপু

২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন শাকিব। এদিকে শাকিবের যাওয়ার ঠিক দুই সপ্তাহের মধ্যে ১৩ জুলাই রাতে ছেলে জয়কে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান অপু। জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গেছেন অপু।

এ মুহূর্তে শাকিব-অপু দুজনেই রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। তবে অবাক হওয়ার মতো বিষয় হলো— দুজনকে একসঙ্গে দেখা গেছে নিউইয়র্কের রাস্তায়; এমনটিই দাবি করেছে দেশের একটি জাতীয় দৈনিক ।

সংবাদমাধ্যমটি দাবি করেছে, নিউইয়র্কে শাকিব-অপুর ঘোরাঘুরির একটি ভিডিও ক্লিপ এসেছে তাদের হাতে। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, বেশ ফুরফুরে মেজাজে গাড়ি চালাচ্ছেন শাকিব। ঠিক তার পাশের আসনে বসে আছেন অপু। আর পেছনের আসনে বসা তাদের সন্তান আব্রাম খান জয়।

নিউইয়র্কের বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার দুপুরে জয়সহ সেখানে পৌঁছান অপু। স্থানীয় সময় সেদিন রাতে এবং গতকাল (শুক্রবার) শাকিব-অপু এবং তাদের সন্তান জয়কে একসঙ্গে নানা জায়গায় ঘুরতে দেখা গেছে।

প্রসঙ্গত, হঠাৎ করেই ২০১৭ সালের ১০ এপ্রিল একটি বেসরকারি টেলিভিশনে উপস্থিত হয়ে শাকিবের সঙ্গে নিজের গোপন বিয়ে ও সন্তানের খবর জানান অপু।

সেখান থেকেই জনসমক্ষে আসে যে, ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল বিয়ে হয় তাদের। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার একটি হাসপাতালে জন্ম হয় শাকিব-অপুর ছেলে জয়ের। সেই সময় টেলিভিশনের পর্দায় সন্তান কোলে অপুর কান্নার ছবি দেশজুড়ে আলোড়ন তোলে। পরে দুজনের দ্বন্দ্বে বিচ্ছেদ ঘটে।

ঢাকায় এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ দিয়ে গেলেন গৌতম আদানি

শনিবার (১৫ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে নিজস্ব উড়োজাহাজে করে ঢাকায় নামেন গৌতম আদানি। এর বেলা ১১টার দিকে তিনি গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এরপর ভারতের ঝাড়খন্ড রাজ্যের গোড্ডা জেলায় আদানি গ্রুপের নির্মিত ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুরোপুরি চালু হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান তিনি।বিদ্যুৎ বিভাগ ও আদানি গ্রুপের সূত্র জানায়, নিজস্ব উড়োজাহাজে শনিবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকায় নামেন গৌতম আদানি। এরপর গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এরপর বেলা সোয়া একটার দিকে ঢাকা ছাড়েন তিনি।এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি উৎপাদন শুরু করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতে এসেছিলেন গৌতম আদানি।

নিজের ভেরিফায়েড টুইটার অ্যাকাউন্টে গৌতম আদানি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রের পুরো সক্ষমতায় উৎপাদন বুঝিয়ে দিতে পেরে সম্মানিত। ভারত ও বাংলাদেশের সাহসী সেই দলকে তিনি স্যালুট জানান, যারা করোনা মহামারির মধ্যেও কাজ শুরু করে মাত্র সাড়ে তিন বছরে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদনে নিয়ে এসেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে আদানি গ্রুপের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি করে পিডিবি। চুক্তি অনুসারে আদানি গ্রুপের কোম্পানি আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে ২৫ বছর বিদ্যুৎ কিনে নেবে পিডিবি।

দক্ষতা উন্নয়নে যুবসমাজের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জিত হতে পারে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুগোপযোগী দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমেই যুবসমাজের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জিত হতে পারে। তাই দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে তাদের সচেতন করা, আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত করা ও কর্মসংস্থানের পথ নির্দেশনা প্রদান করার ক্ষেত্রে বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস পালন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।আগামীকাল ১৫ জুলাই ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস’ উপলক্ষে শুক্রবার (১৪ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের আহ্বানে প্রতি বছর ১৫ জুলাই ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস’ পালিত হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও প্রতিবছর যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে। দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মহীন যুব সমাজকে জনশক্তিতে রূপান্তর ও তাদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এ দিবসের চেতনা।

তিনি বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুবদের বিভিন্ন পেশায় প্রশিক্ষণ অর্জন এবং তাদের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সোনার বাংলা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছেন। জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের উন্নয়নের অগ্রযাত্রার পথ নির্দেশকসমূহ হচ্ছে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়া, ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন এবং এরই ধারাবাহিকতায় ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রযুক্তির ক্রমাগত বিবর্তনের নিরিখে দক্ষতার মান উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারে দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম আধুনিকায়ন ও যুগোপযোগীকরণ, অভিন্ন সনদায়ন ব্যবস্থা প্রবর্তন, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন ইত্যাদি বিষয় জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ)-এর ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি দক্ষতা উন্নয়নের চ্যালেঞ্জগুলোকে সামনে রেখে সরকারি-বেসরকারি সব অংশীজনের সহযোগিতা নিয়ে সময়োপযোগী একটি দক্ষতা উন্নয়ন ইকো-সিস্টেম তৈরি ও বাস্তবায়ন করার অন্যতম লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ‘সোনার বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে যুবদের দক্ষ করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, ক্রমবর্ধমান শিল্পায়নের ক্ষেত্রে বহুমুখী শ্রমের চাহিদাপূরণ, প্রযুক্তির পরিবর্তনে কর্ম-সংকোচনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের পুনঃপ্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মপোযোগী করা, পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক বাজারে অধিকসংখ্যক দক্ষ শ্রমিকের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

প্রধানমন্ত্রী ‘বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস’ উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করেন এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

তত্ত্বাবধায়ক থাকলে আ’লীগ ত্রিশটি আসনও পাবে না: ফখরুল

শুক্রবার (১৪ জুলাই) বিকেলে নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে দেশ বাঁচাতে মেহনতি মানুষের পদযাত্রা-শীর্ষক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।আওয়ামী লীগ নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘তারা বলে নির্বাচন তাদের অধীনে হবে। তারা ভোটকেন্দ্র নিয়ন্ত্রণ করবে। তারা ভোট দেওয়াবে, তাদের মতো করে সবাইকে ভোট দিতে হবে। নইলে চলে যেতে হবে। এমনকি তারা ভোটাতিনি বলেন, ‘এবার মানুষ জেগে উঠেছে। এক দফা এক দাবি, শেখ হাসিনা কবে যাবি। কীভাবে তাদের বিশ্বাস করব? সুবর্ণচরে একজনকে শুধু ধানের শীষে ভোট দেওয়ার অপরাধে অকথ্যভাবে নির্যাতন করা হয়। এভাবে তারা অসংখ্য মা-বোনকে বেইজ্জত করেছে। আজ শ্রমিক ভাইয়েরা বাজারে যেতে পারেন না। বাজারে গেলে চাল কিনতে পারেন না, ডাল কিনতে পারেন না, মাংস কিনতে পারেন না, সবজি কিনতে পারেন না। তারা ১০ টাকা চাল দেবে বলেছিল। এখন ৯০ টাকা। ঘরে ঘরে চাকরি দেবে বলেছিল। কোনো চাকরি হয়নি। তাদের লোকেদের কাছ থেকে তারাই ২০-৩০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে চাকরি দিয়েছে।’

দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। আমাদের অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে। লুটের রাজত্বে পরিণত করেছে। ব্যাংকগুলো সব লুট করতে করতে খালি করে দিয়েছে। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। আবার পাচারের টাকা দেশে আনার একটা বিধান করেছে। দেশে নিয়ে এলে আবার আড়াই পার্সেন্ট ইনসেন্টিভ পাবে। কত মজা!’

আওয়ামী লীগের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে ফখরুল বলেন, ‘আর কোনো সময় নেই, তাদের সময় শেষ আমি পরিষ্কারভাবে বলেছি। আবারো বলছি, ভালো ছেলের মতো, সুবোধ বালক-বালিকার মতো পদত্যাগ করুন, সংসদ ভেঙে দিন। যদি ভালোই ভালোই শুনে পদত্যাগ করেন, তাহলে তো ভালো। তা না হলে ফয়সালা হবে রাজপথে।’

তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আট বছর কারাগারে রাখা হয়েছে। তিনি গণতন্ত্রের জন্য আপসহীন সংগ্রাম করেছেন। আমরা রাষ্ট্র মেরামতের জন্য আমরা ৩১ দফা দিয়েছি। আমাদের নেতা তারেক রহমান এই ৩১ দফা দিয়ে আমাদের একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছেন।’

জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন এতে সভাপতিত্ব করেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন।

পদযাত্রায় আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লা বুলু, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নাল আবদিন ফারুক, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক কমিটির সদস্য ইশরাক হোসেন, বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম প্রমুখ।

এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ আজাদ, জেলা যুবদলের সভাপতি মনজুরুল আজীম সুমন, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান, জেলা বিএনপির সদস্য মো. গোলাম মোমিত ফয়সাল, জেলা শ্রমিকদলের সদস্য সচিব নিজাম উদ্দিনসহ সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন
বিএনপির সহযোগী সংগঠন কৃষকদল, শ্রমিকদল, মৎসজীবী দল, তাঁতী দল ও জাসাসের উদ্যোগে এই পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। এ পদযাত্রায় বৃহত্তর নোয়াখালীসহ পাঁচ জেলার নেতাকর্মীরা অংশ নেন।