উদযাপন হলো আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস ২০২০
আজ ৮ সেপ্টেম্বের ২০২০ আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস। গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শোভাগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ শিক্ষা পর্যবেক্ষক সোসাইটির উদ্যেগে দিবসটি উদযাপন করা হয়। প্রতিপাদ্য: “সুন্দরগঞ্জে উপজেলাকে নিরক্ষরমুক্ত করাই আমাদের অঙ্গিকার” শীর্ষক এক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষা পর্যবেক্ষক সোসাইটির চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এম. শরিফুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন মো: জাহাঙ্গীর আলম, প্রধান শিক্ষক, শোভাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক ইউ.পি চেয়ারম্যান মো: জিয়াউল হক, কবি শহিদুর রহমান, মো: আফসার আলী, ডা. হায়দার আলী, মনি ভূষণ দাস, প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মো: মুন্না খান। সার্বিক সহযোহিতায় অধ্যক্ষ মোছা: মুবিনা হামিদ। আহ্বায়ক শ্যামল কুমার দাস।
স্টুয়ার্ট ব্রড, পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার টেস্টে। ছবি: এএফপি।খেলার মাঠে বাজে আচরণের দায়ে এর আগেও জরিমানা গুনেছেন স্টুয়ার্ট ব্রড। কিন্তু ম্যানচেস্টারে হওয়া সর্বশেষ টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে তিনি কার কাছ থেকে শাস্তি পেয়েছেন জানেন? নিজের বাবার কাছ থেকেই জরিমানা গুনেছেন এই ইংলিশ পেসার!
একটু খোলাসা করেই বলা যাক, গত শনিবার পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের ইয়াসির শাহর বিপক্ষে বল করার সময় বেশ আগ্রাসী ছিলেন ব্রড। ইয়াসিরকে ফিরিয়ে দেওয়ার পর সামনে গিয়ে বাজে অঙ্গভঙ্গি করেছেন, বাজে ভাষায় কথাও বলেছেন। এতেই আইসিসির আচরণবিধির ২.৪ ধারাটি ভাঙেন ব্রড। এ কারণে তাঁর ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়েছে। আর এই জরিমানা করেছেন ম্যাচের এলিট প্যানেলের রেফারি স্টুয়ার্ট ব্রডের বাবা ক্রিস ব্রড। শাস্তির পাশাপাশি ব্রডের নামের পাশে একটা ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হয়েছে।সব মিলিয়ে তিনি পেলেন তিনটি ডিমেরিট পয়েন্ট।
গত দুই বছরে এটা ব্রডের তৃতীয় অপরাধ। এর আগে ২০১৮ সালের আগস্টে ট্রেন্টব্রিজে ভারতের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্টে এবং চলতি বছরের জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চতুর্থ টেস্টেও এমন বাজে আচরণ করেছিলেন ব্রড। বাবার কাছে অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় নতুন করে অবশ্য শুনানির প্রয়োজন পড়েনি ব্রডের।



করোনাভাইরাস জনিত লকডাউনের পরিস্থিতিতে টানা ১১৬ দিন ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আশেপাশের এলাকার ছিন্নমূল ৫০০ থেকে ক্রমান্বয়ে ১০০০ মানুষের খাবার জোগানোর ভার নিয়েছিলেন সৈকত। এই কার্যক্রমের ইতি টেনে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে ছুটে গেছিলেন বিভিন্ন এলাকায়। তাঁর এই সেবা কার্যক্রম পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন পেশাজীবি আর্থিক সহয়তা করেছেন।










