আবারো প্রবাসীদের সুবিধার্থে জরিমানা ছাড়াই ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করলো সৌদি

সৌদি আরবে বসবাসকারী প্রবাসীদের মধ্যে যারা ফাইনাল এক্সিট ভিসা নিয়েছেন, তাদের ফাইনাল এক্সিট ভিসার মেয়াদ কোন প্রকার বাড়তি ফি ছাড়াই আগামী অক্টোবর ৩১ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে দিয়েছে সৌদি আরবের জেনারেল ডিরেক্টরেট অফ পাসপোর্ট (জাওয়াজাত)। সৌদি আরবের পবিত্র মসজিদদ্বয় এর অভিভাবক কিং সালমান এর দেয়া অনুমতিক্রমে প্রবাসীদের ফাইনাল এক্সিট ভিসার
ব্যাপারে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাওয়াজাত। করোনাভাইরাস মহামারীতে সৌদি আরবে এখনো পুরোদমে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়নি, এরফলে সৌদি আরবে অবস্থানরত প্রবাসীরা যারা ফাইনাল এক্সিট ভিসা করেও দেশে ফিরে যেতে পারছেন না, তারা আটকে পড়েছেন।
ফাইনাল এক্সিট ভিসা নিয়ে সৌদি আরবে আটকে পড়া সকল প্রবাসীর ভিসার মেয়াদ ইতিপূর্বে সেপ্টেম্বর ৩০ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছিলো। এবারে জাওয়াজাত প্রবাসীদের সুবিধার্থে কোনপ্রকার জরিমানা ছাড়াই অটোমেটিকভাবে ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করে দিয়েছে। আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি করে দেয়া হয়েছে। সৌদি আরবের প্রায় ২৮ হাজার ৮৮৪ জন প্রবাসীর ফাইনাল এক্সিট ভিসার মেয়ার অটোমেটিকভাবে বৃদ্ধি করে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জাওয়াজাত।

মানছে না স্বাস্থ্যবিধি, বাড়ছে সংক্রমন, সনাক্তের হারে শুভঙ্করের ফাঁকি!

শারীরিক দূরত্ব বজায় না রাখায় বাড়ছে করোনা
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দেশে ১৫ লাখ ৫০ হাজার ২০৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যা ৩০ সেপ্টেম্বরে বেড়ে দাঁড়ায় ১৯ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫৫ জনে। অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাসের ৩০ দিনে মোট ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৪৫২ জনের করোনা টেস্ট করা হয়েছে। এদিকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ১২ হাজার ৯৯৬ জন, যা ৩০ সেপ্টেম্বরে বেড়ে দাঁড়ায় ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৪৭৯ জনে। অর্থাৎ সেপ্টেম্বর মাসে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ৪৮৩ জন। এ হিসেবে সেপ্টেম্বর মাসে গড় শনাক্তের হার ১২.৭০ শতাংশ। দেশে গত দুই মাসে করোনার সংক্রমণ ধাপে ধাপে কমে আসার তথ্য পাওয়া গেলেও বাস্তব চিত্র অনেকটাই ভিন্ন। বরং এ পরিসংখ্যানে বড় ধরনের শুভঙ্করের ফাঁকি রয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জুলাইয়ের চতুর্থ সপ্তাহ থেকে বিমানযাত্রীদের করোনা টেস্ট করানো বাধ্যতামূলক হওয়ায় প্রবাসী কর্মীসহ হাজার হাজার বিদেশগামী সুস্থ মানুষ শুধু নেগেটিভ সনদ সংগ্রহের জন্য নমুনা পরীক্ষা করাচ্ছেন, যা প্রতিদিনের নমুনা পরীক্ষার মোট সংখ্যার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। তাই টেস্টের সংখ্যা অনুযায়ী শনাক্তের হার কম দেখাচ্ছে।

শুধুমাত্র সনদ সংগ্রহের জন্য নমুনা পরীক্ষা করানো দেড় লাখ বিদেশগামী সুস্থ বিমানযাত্রীর হিসাব বাদ দেওয়া হলে করোনার উপসর্গ নিয়ে টেস্ট করানো মানুষের সংখ্যা দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৫২ জন। এদের ওপর ভিত্তি করে করোনায় শনাক্তের হার নির্ণয় করা হলে তা ২০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) সূত্রে জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রবাসী কর্মী,শিক্ষার্থী ও পর্যটকসহ প্রায় দেড় লাখ মানুষ বিদেশে গেছেন। যাদের প্রত্যেককেই করোনা টেস্ট করাতে হয়েছে।
এদিকে সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী গত ২৩ জুলাই থেকে বিদেশগামী যাত্রীদের জন্য যে ১৬টি সরকারি হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠানে কোভিড পরীক্ষা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে তার কয়েকটিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেখানে দেড় থেকে দুই শতাংশের পজিটিভ রেজাল্ট আসছে; বাকি সবারই নেগেটিভ। তবে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার, ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথ ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন-রাজধানী ঢাকার এই তিন প্রতিষ্ঠানেও শনাক্তের হার সামান্য কিছুটা বেশি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলোজি বিভাগের একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বলেন, শনাক্তের হার কম বলেই করোনা সংক্রমণ কমতে শুরু করেছে, এটা ভাবার কোনো কারণ নেই। নমুনা পরীক্ষা কমেছে, তাই শনাক্ত কমছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের করোনার প্যাটার্ন মিলছে না উলেস্নখ করে এ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আরও বলেন, সংক্রমণের হার কমছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হলে আরও টেস্ট বাড়াতে হবে। এতে কী ধরনের ফল আসে তার ওপর নির্ভর করে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে সবার ইনফেকশন হয়ে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে, সেজন্য সংক্রমণ কমে যাচ্ছে, এটা ঠিক নয়। মাস্ক পরা, হাত ধোয়া, সামাজিক দূরত্বের মতো স্বাস্থ্যবিধিও আমরা মেনে চলছি না, তাই প্রকৃত অবস্থা বুঝতে আরও সময় লাগবে।জনগন শারীরিক দূরত্ব বজায় না রাখায় বাড়ছে করোনা

গল্পঃ নিঃশব্দ সমাপ্তি!!

নিঃশব্দ সমাপ্তি
লেখকঃ এস এম সায়েম

অনেক খুঁজেছে শুধু খুঁজেই যাচ্ছে। ভার্সিটির প্রতিটি অলিগলিতে, মাঠের কোণায় আড্ডার জায়গায়।চায়ের দোকানের ভাঙ্গা টুলে, পুকুর পাড়ের কাট গোলাপ গাছের ছায়ায়।কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। মনে হচ্ছে পুরো পৃথিবীটা শুন্যতায় ছেঁয়ে গেল। এক পর্যায়ে অদ্রিতা তার ব্যর্থ পরিশ্রমের ইতি টেনে শিমুলতলার বেঞ্চটিতে বসে কাঁদতে কাঁদতে চিৎকার করে বলল-অণি তুই কোথায়????

এতক্ষণ যার কথা বলছিলাম তার নাম অণিরুদ্ধ।অণিরুদ্ধ,অদ্রিতা,সিমু,মৌ,হাসিব,সৌমিক আর নিলয় এরা ছিলো ভার্সিটির একটা গ্রুপ।তাদের বন্ধুত্ব ও বন্ধন সবার ঈর্ষনীয় ছিল।অণি আর অদ্রিতা বলতে গেলে বন্ধুর চেয়েও বেশিকিছু।

ভার্সিটির প্রতিটি অলিগলিতে তাদের দুষ্টুমির চিহ্ন স্পষ্টত।অণি ছিলো সবার জন্য একটা অনন্যময় বন্ধু। কারো দুঃখ,মন খারাপ বলতে গেলে সব কিছুই ভুলে যেত অণির সঙ্গ পেলে। আজ অদ্রিতা এত খোঁজার কারণটা খুবই আশ্চর্যজনক।একটা মূহুর্তও মন খারাপে সময় কাটত না তার শুধুমাত্র অণির জন্য।তাদেরকে অনেকে মডেল কাপলও বলতো। প্রত্যেকটা সময় তাদের মাঝের খুনসুটিগুলো সবাইকে দারুনভাবে আকর্ষিত করতো।
অদ্রিতা চোখ মুছতে মুছতে গেল মাঠের কোণায় যেখানে বসে কত মারামারি করতো তারা। একবার সবগুলা এসাইনমেন্ট অদ্রিতা হাতে করিয়ে তাকে চকলেট খাওয়ানোর কথা বলে আর খাওয়ায়নি দেখে পুরো মাঠে একজন একজনকে দৌঁড়ালো, একপর্যায়ে অদ্রিতা মেয়েদের প্রধান অস্ত্র চোখের পানি ছাড়তে শুরু করলো।তখন অণি কাছে আসতেই ইচ্ছেমত মারলো আবার সেই অণির কাঁধেই মাথা রেখে সব ভুলে হাসতে শুরু করলো।

অদ্রিতা মাঠের কোণা ছেড়ে ক্যান্টিনে গিয়ে এক কাপ কপি হাতে বসলো ।তারা রোজ গানের আসর বসাতো অণির গিটারের আওয়াজ আর অদ্রিতার সুমধুর কন্ঠের কোনো জুড়ি ছিলোনা।দুজনেই যেন একটা বিশাল মঞ্চ কাঁপিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।ক্যান্টিনের কতদিনের বিল যে অদ্রিতার হাতে ধরিয়ে দিতো তার কোনো ঠিক নেই।একজন একজনের খাবার কেড়ে খাওয়ার দৃশ্যটা যেন চোখে ভাসে।
নাহ অদ্রিতা আর ধরে রাখতে পারেনি নিজেকে সে সোজা ক্যাম্পাসে তাদের ক্লাসে চলে যায়।সেখানেও রোজ দুজনে একসাথে বসতো।আজও মনে পড়ে অণি ক্লাসে বসেই অদ্রিতার পুরো একটা স্কেচ করে ফেলেছিলো।কি নিখুঁত ছিলো।অদ্রিতা তো সেই স্কেচটা রোজ দেখে আর নতুন করে অণির মায়ায় জড়িয়ে যায়।
রিক্সা করে শহরটা কত ঘুরাঘুরি হতো তাদের তার ঠিক নেই।হুটহাট করে অণি হারিয়ে যেত আর তাকে না পেয়ে অদ্রিতার কতবার যে পথের ধারে একা একা কাঁদতে হয়েছে।দেখা যেত মিনিট দশেক পর আবার হয়তো ফুল নয়ত অবাক করা কিছু নিয়ে এসে পিছন থেকে হাতটা ধরে হাঁটতে থাকতো।অদ্রিতা ভাবতে তারা যেন কতযুগ এভাবে হেঁটে আসছে।খুশিতে আর অভিমানে এক মিশ্রিত মুখ তৈরী হতো তার। সে ভাবতো এ হাত যেন কখনো না আলাদা হয়।এ যেন এক বিশ্বাস আর ভরসার ভিত্তি।

ওইযে কাটগোলাপ গাছের কথা বলেছিলাম।অদ্রিতা সেখানেই বসে আছে এখন।তার এখনো স্পষ্ট মনে পড়ে ভার্সিটির শুরুতে এই কাটগোলাপ গাছের নিচেই অণির সাথে তার পরিচয় তাও আবার ঝগড়া দিয়ে।নিচ থেকে ধরা যায় এমন একটা কাটগোলাপ নেওয়ার জন্য অদ্রিতা লাপাচ্ছিলো আর ওদিকে অণি পিছন থেকে বলে উঠলো এরকম করে এজীবনে আপনার ফুল পাওয়া হবেনা।অদ্রিতা সবসময়ই কথা ভিন্নভাবে নিত।সোজাকথা সহজ কথাকে কঠিন করে নিত।সে অণির সামনে এসে বলল- কি বলতে চাচ্ছেন হুমমমম।আমি বাটুল!!অণিও মজা শুরু করলো-আমার তো তাই মনে হয়।এভাবেই ঝগড়া শুরু আর অণি নিজেই ফুলটা নিয়ে চুপচাপ অদ্রিতার মাথায় পরিয়ে দিয়ে চলে গেল।সেদিনের মত আজও অদ্রিতা নিশ্চুপ হয়ে পথের দিকে তাকিয়ে আছে।

এত আনন্দ এত সুখের মাঝে কাল হয়ে দাঁড়ালো এক পথশিশু।একদিন অদ্রিতা দেখলো অণি একটা ছোট ছেলের হাত ধরে পথের ধারে হাঁটছে।এভাবে কয়েকদিনই দেখলো তাই কৌতুহলটা মিটানোর জন্য অদ্রিতা একা ছেলেটির সাথে দেখা করে আর এমনভাবে কথা বলল যেন সে অণি আর ছেলেটির সম্পর্কের সব জানে।ছেলেটি কথার মাঝেই বলল-আইচ্ছা আপা ভালা মানুষগুলা দুনিয়াতে বেশিদিন বাঁচেনা কেন?অদ্রিতা কিছুটা চমকে গিয়ে জিগ্যেস করলো -কে সেই ভালো মানুষ?কেন আপা আপনে জানেননা অণি ভাই বেশিদিন বাঁচবো না।কথাটা যেন গলায় কাঁটার মত বিধলো অদ্রিতা চুপচাপ উঠে চলে আসলো আর অণিকে কল দিলে জরুরী দেখা করতে বলল।

দুজনেই চুপ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ওই কাটগোলাপ গাছের নিচে।অণিরুদ্ধের ব্রেইন টিউমার ডাক্তার বলেছে লাস্ট স্টেজে আছে যেকোনো সময় কিছু ঘটতে পারে।।অণি নিজেকে আটকে রাখতে পরেনি অদ্রিতাকে জড়িয়ে কাঁদতে লাগলো অভিমানি অদ্রিতার রাগ ভাঙ্গানোর জন্য।অদ্রিতাও কাঁদছে আর বারবার দুঃখ আর অভিমান নিয়ে বলছে তুই আমাদের আগে বলিসনি কেন???????

এভাবেই আমাদের পাশের অনেক প্রিয়জন নিজেদেরকে লুকিয়ে রাখে হয়তো যদি আমাকে বাকী সময় কারো সহানুভূতি নিয়ে বাঁচতে হয়।আর সবচেয়ে কাছের মানুষটাকে জানানো হয়না তার কষ্ট হবে বলে।এমন অনেক কাহিনী এখনো বাস্তবতায় চলমান।।গল্পটা লিখলাম আমার এক পরিচিত জনের স্মৃতি হিসেবে।আমার সাথে তার পরিচয় ছিলো ৩ ঘন্টা ২০ মিনিটের।।।তার কাহিনীটাই তুলে ধরলাম।

ডিপ্রেশন বা হতাশাঃ উত্তোরনের উপায়-

লেখকঃ নাদিম রহমান
ডিপ্রেশন এমন একটা জিনিস যেটার জন্য মানুষ অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নেয়। আসলে ডিপ্রেশন হঠাৎ করে হয় না। মানুষ যখন তার অতীত এর ভুলের জন্য ভবিষ্যতে এর ফলাফল খারাপ হবে এইটা চিন্তা করে তখন সে ডিপ্রেশনে পড়ে যায়। আসলে ডিপ্রেশনে পড়ার নানা কারন আছে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত এইটা ভাবার কারনে মানুষ ডিপ্রেশনে ভুগে।
তবে ডিপ্রেশন দূর করার জন্য ইসলাম অনেক সাহায্য করে। একটা গল্প দিয়ে শুরু করি।

একজন লোক তার নাম রফিক। তিনি একজন বিরাট ব্যাবসায়িক মানুষ ছিলেন। তার ব্যাবসা খুব ভালো চলছিল। হঠাৎ করে একদিন রাতে আগুন লেগে তার দোকান পুড়ে যায়। এতে রফিক সাহেবের অনেক ক্ষতি হয়। তিনি অনেক হতাশ হয়ে পড়েন। কীভাবে কী করবেন বুঝতেছেন না। তিনি অনেক ডিপ্রেশনে পড়ে যায়। তার একদিন রাতেও ঠিক মতো ঘুম হয় না। এইভাবে কেটে গেলো ৫ দিন।
রফিক সাহেবের রাতে ঘুম আসে না দেখে তিনি রাতে বাসা থেকে বেরিয়ে রাস্তার ধারের ল্যাম্প পোস্ট এর নিচে গিয়ে মাথায় হাত দিয়ে চিন্তা করতে লাগলো। তাকে অনেকক্ষন যাবত একটা লোক খেয়াল করতে ছিলেন। তার পর ঐ লোকটা রফিক সাহেবের কাছে আসলো। এর পর তাদের কথোপকথন……

লোক : ভাই আপনার কি হয়েছে। আপনার কি মন খারাপ??
রফিক : না ভাই। আপনি আপনার কাজে যান তো..! (ধমক সুরে)
লোক : ভাই আমার সাথে শেয়ার করেন হয়তো আমি আপনার সমস্যার সমাধান দিতে পারবো।
রফিক : তাহলে শুনুন…
(এর পর রফিক তার সব কথা বললো)
রফিক সাহেবের কথা শুনে কিছুক্ষন চুপ থাকার পর লোকটা তাকে বললো ” আমি আপনাকে কয়টা কাজ দিব। আপনি ৭ দিন কাজগুলা করবেন। তাহলে দেখবেন আপনার হতাশা দূর হয়ে যাবে। কাজগুলো হলো…..
১. দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন।
২. নিজেকে গভীরভাবে অনুভব করবেন।
৩. রাতে ঘুমানোর চেষ্টা করবেন। যদি ঘুম না আসে তাহলে আল্লাহর ইবাদত করবেন।
৪. সৃষ্টিকর্তার কাছে মুনাজাত এ দোয়া করবেন।
৫. আপনার পছন্দের কোন একটা নিরব জায়গায় যাবেন৷ আর বাতাসের সাথে ঘন ঘন দীর্ঘশ্বাস ফেলবেন।
৬. কোরআন অর্থ সহ পড়বেন। ”

এরপর লোকটা বললো সাতদিন পড় ঠিক এই জায়গায় আমরা আবার দেখা করবো।
রফিক সাহেবে লোকটার কথা শুনার পর বাসায় চলে গেলেন। এবং পরের দিন সকাল থেকে লোকটার কথা মতন এই কাজগুলো করা শুরু করেন। এইভাবে করতে করতে রফিক সাহেব ৬ দিন পর তার হতাশা কাটিয়ে সুস্থ জীবনে পিরে এসেছে। এখন সে তার সকল কাজে এক্টিভ৷ সে এখন আবার তার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান নতুন করার চিন্তা করছে।
আজ সপ্তম দিন। আজর রাতে সে ঐ জায়গায় লোকটার সাথে দেখা করতে যায়। লোকটা তাকে জিজ্ঞেস করে ” কি জনাব এখন কি আর হতাশা আছে?” রফিক সাহেব বললেন ” না আমি এখন আমার কাজে যথেষ্ট এক্টিভ”
এর পর লোকটা বললো ” ইসলাম ই পারে ডিপ্রেশন থেকে আমাদের মুক্তি দিতে” এই বলে লোকটা চলে গেলেন।….

এইগল্পটা থেকে আমাদের শিক্ষার বিষয় হলো আমারা যখনই হতাশায় পড়বো তখন বেশি বেশি আল্লাহর ইবাদত করবো। তাহলে ইনশাআল্লাহ আমার ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পাবো।
‌এইছাড়াও জ্ঞানী লোকেরা কিছু কথা বলেছেন তাদের কথাগুলো অনুসরণ করতে পারি কথা গুলো হলো:

১.নিজের মন থেকে এই depression নামক রোগটিকে দূর করতে গেলে প্রথমে তো তোমাকে এই সরল সত্যটা বুঝতে হবে যে, জীবন এতটাও সহজ নয় | যদি জীবনে Ups & Downs-ই না থাকে তাহলে সেই জীবনের কোনো অর্থই থাকেনা | জীবনে কোনো সমস্যা না থাকলে কোনো মানুষই এর সঠিক অর্থটা বুঝতে পারতো না |

২.Depression থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য একটি মানুষকে সবার আগে তার অতীতের খারাপ স্মৃতি গুলিকে ভোলা প্রয়োজন কারণ সেইসব স্মৃতিই একটি মানুষকে জীবনে নতুন কিছু করতে বা নতুন ভাবে ভাবতে বারংবার বাঁধার সৃষ্টি করে |

৩.Depressed মানুষরা সাধারণত Negative বিচার ভঙ্গি দিয়ে পৃথিবীকে দেখে থাকে | যেহেতু তাদের মন সেইসময় খারাপ থাকে তাই এই জিনিসটাই হওয়াই স্বাভাবিক | এই কাজটা থেকে দুরে থাকার চেষ্টা করতে হবে।

উপরোক্ত এই কাজগুলো করলে আশা করি আমরা খুব সহজেই ডিপ্রেশন বা হতাশা থেকে মুক্তি পাবো।

Remember one thing ” Al-Quran save us from depression “

নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে কে?

লেখকঃ মোঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম

বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে স্বাধীন হয়। স্বাধীনতার আজ ৪৯ বছর। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় স্বাধীনতার ৪৯ বছরেও আমরা পূর্ণ স্বাধীন নই। স্বাধীনতার পর থেকেই আমরা নানা ভাবে স্বাধীনতা হীনতায় ভুগতেছি। আজ আমার দেশের কৃষক শ্রমিক, নারী পুরুষ সবাই কোন না কোন ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পায় না। আজ আমি সবার বিষয় নিয়ে লিখবো না। লিখবো নারীর স্বাধীনতা নিয়ে। স্বাধীনতার পর থেকেই আমাদের নারীরা নানা ভাবে নির্যাতিত নিপীড়িত। নারীর কাজ করার স্বাধীনতা থাকলেও তারা তাদের ইজ্জত রক্ষার স্বাধীনতা পায় না।

বাংলাদেশের আজকের এই অগ্রগতির পিছনে নারীর অবদান কোন অংশেই কম নয়। তারা আজ অনেক শিক্ষিত ও কর্মঠ। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় নারীরা প্রতিনিয়ত কর্মক্ষেত্রে, রাস্তায় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। ব্যাক্তিত্ব হীন কিছু পুরুষের কাছে আজ নারীরা নিরাপদ নয়।

প্রতিনিয়ত ই আমাদের দেশে নারীরা ধর্ষণের শিকার হয়। বাংলাদেশ পুলিশ এর মতে গত বছর ২০১৯ সালে প্রতিদিন ১৪ জন নারী ও ২ জন শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র এর (আসক) ২০১৯ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, সারা দেশে ধর্ষণ ও গণধর্ষণের শিকার ১ হাজার ৪১৩ নারী ও শিশু।
অফিসে, গণপরিবহনে, বাসায় সব জায়গায় তারা আজ নিরাপত্তা হীন। এমনকি যেখানে প্রতিটি নাগরিক এর নিরাপদ স্থান সেই আইনের দায়িত্বশীল ব্যাক্তির হাতে ধর্ষিত। যদি এই দায়িত্বশীল ব্যাক্তিরা ধর্ষণ করে তাহলে নারীর নিরাপত্তা দিবে কে?

আজকে দেশের অধিকাংশ নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের বিচার হয় না। আমরা দেখেছি কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এর মতো স্থানে সামরিক বেষ্টনীর মধ্যে তনু নামে একটি মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যা করে। সেই তনুর অপরাধীরা এখনো গ্রেফতার হয় নি। সিলেটের খাদিজা কে কুপিয়ে জখম করে বদরুল নামে এক নেতা। তাকে গ্রেফতার করা হলেও তার কোন বিচার হতে দেখিনি। রিশাকে হত্যাকারী সেই মানুষটির রায় হয়েছে তবে এখনো বিচার কার্যকর হয় নি। আদৌ হবে কিনা তাও অনিশ্চিত। ফেনীর মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত কে ধর্ষণ হত্যা করে অধক্ষ্য সিরাজ। তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে রায়ও হয়েছে তবে এখনো বিচার কার্যকর হয় নি। অনেক সময় অপরাধী গ্রেফতার হলেও তারা টাকা দিয়ে,ক্ষমতার অপব্যবহার করে পার পেয়ে যায়। আইনের অধিকাংশ দায়িত্বশীলই এখন টাকা ও ক্ষমতার কাছে বিক্রি হয়ে গেছে। যদি ওরা এভাবে বিক্রি হয়ে যায় তাহলে অবশ্যই বিকল্প কোন গোষ্ঠী বের হতে হবে যাদের কাছে নারী নিরাপদে থাকবে।

আজ একটি নারী তার বাবা,ভাই এর কাছে নিরাপদ নয়। আজকে আমরা প্রায় সময় দেখি বাবা মেয়েকে ধর্ষণ করে। ভাই বোনকে ধর্ষণ করে। আজ যেখানে তার বাবা ভাই এর কাছে নিরাপদ নয় সেখানে বাইরের মানুষের কাছে কিভাবে নিরাপদ হবে?

আজকের সমাজে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে যে শিক্ষার প্রয়োজন সেই শিক্ষা পায় না যুব সমাজ। যুব সমাজ কে নৈতিকতা সম্পন্ন করতে হবে। যদি তারা নৈতিকতা সম্পন্ন না হয় তাহলে তারা তো এসব নীতি নৈতিকতা হীন কাজ জড়িয়ে পড়বে। প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে যদি শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা দেয়া যায় তাহলে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। নারী নির্যাতন আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। নারী নির্যাতন রোধে বিভিন্ন সভা সেমিনারের আয়োজন করা। নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া দরকার। দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে সরকারকে উদ্যোগে নিতে হবে। তাহলেই নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। আসুন নারীকে সম্মান করি। নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করি।।
লেখকঃ
মোঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম
সহঃ প্রচার সম্পাদক-
রাধাপুর উন্নয়ন ফাউন্ডেশন ও
সাংগঠনিকসম্পাদক-
রেড ড্রপস বাংলাদেশ।

“দুদকের মামলায় শ্রীঘরে লক্ষ্মীপুরে জজ কোর্টের গাড়ি চালক”

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সরকারী অফিসের গাড়ি চালকদের দুর্নীতি যেন থামছেইনা! এবার অভিযোগ উঠেছে লক্ষ্মীপুর জজ কোর্টের গাড়ি চালক নূর হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে। অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তা বেনামে আপন সহোদরের নামে ভোগ দখলের অভিযোগে লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের গাড়ী চালক নুর হোসেন পাটওয়ারী ও তার ভাই আমির হোসেন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুদক। দুর্নীতি দমন কমিশনের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে পৃথক দুটি মামলায় দুজনকে কারাগারে প্রেরন করা হয়।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুবেল আহমেদ বাদী হয়ে মামলাগুলো দায়ের করেন।

আজ (১১ অক্টোবর) রবিবার সকালে এ বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা দায়েরা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন। পিপি জনান,দুদকের মামলায় নূর হোসেন পাটোয়ারী জেলা ও দায়রা জজ জনাব রহিবুল ইসলাম এর আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিবাদীর আইনজীবী এডভোকেট হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন,দুদকের কাছে সম্পদের হিসাব না দেওয়া ও জামিন অযোগ্য ধারা হওয়ায় তাদেরকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

আসামি নুর হোসেন ও আমির হোসেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মান্দারী ইউনিয়নের যাদৈয়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ উল্যা পাটওয়ারীর ছেলে। নুর হোসেন লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের গাড়ি চালক ও আমির হোসেন একজন ব্যবসায়ী। এজাহার সূত্র জানায়, আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগ দখলে থাকার অভিযোগে দুদকের নোয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয় ২০১৯ সালের ৮ জুলাই নুর হোসেন ও আমির হোসেনকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করে। এরআগে ওই কার্যালয় তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করে।

২০১৯ সালের ১৯ নভেম্বর দুদকের প্রধান কার্যালয় নোয়াখালী কার্যালয়কে ওই দুই ভাইয়ের সম্পদ বিবরণীর আদেশ জারির নির্দেশ দেয়। এ প্রেক্ষিতে ২৯ ডিসেম্বর নোয়াখালী কার্যালয় বিবরণীর আদেশ জারি করেন। এরমধ্যে নুর হোসেনকে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি ও আমির হোসেনকে ১৬ ফেব্রুয়ারি সম্পদ বিবরণীর ফরম বুঝিয়ে দেয়া হয়।তিনি সম্পদের হিসাব না দেওয়া তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। দুদকের নোয়াখালী কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ তাদেরকে ফরম বুঝিয়ে দিয়ে অফিস কপিতে স্বাক্ষর নেন। কিন্তু ফরম বুঝে পাওয়ার দিন থেকে ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করার কথা থাকলেও তারা তা করেনি। এমনকি তারা সময় বৃদ্ধির আবেদনও করেননি। এজন্য দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

সপ্তাহে ৩ কোটি কামাবেন কেভিন ডি ব্রুইনি

বাংলাদেশি অংকে যেটি ৩ কোটি টাকারও বেশি!
আগের চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৩ সাল পর্যন্ত ক্লাবটিতে থাকার কথা ডি ব্রুইনির। বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে ২ লাখ ৮০ হাজার ইউরো বেতন পান এই তারকা মিডফিল্ডার। তবে ২৯ বছর বয়সী এই ফুটবলারের সঙ্গে আরো দীর্ঘমেয়াদে চুক্তি সারতে চায় সিটিজেনরা। সে হিসেবেই বেতনটাও আরো আকর্ষণীয় করার কথা ভাবছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

৫৪ মিলিয়ন ইউরো ট্র্যান্সফার ফি’তে ২০১৫ সালে সিটিতে যোগ দেন কেভিন ডি ব্রুইনি। এরইমধ্যে বেশকিছু ক্লাব তার দিকে হাত বাড়ালেও বেলজিয়ান তারকা জানিয়েছেন, তিনি এবং তার পরিবার ম্যানচেস্টারে বেশ সুখেই আছেন। তবে আর্থিক কেলেঙ্কারির দায়ে গেলবছর ম্যানসিটিকে ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা-উয়েফা নিষিদ্ধ করায়, ক্লাবটিতে নিজের ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কার কথাও স্বীকার করেছিলেন ব্রুইনি। গেল ৫ বছরে দলের হয়ে ৭টি মেজর ট্রফি জিতেছেন ব্রুইনি। জিতেছেন ইপিএলও। নিজেও হয়েছেন লিগটির সেরা ফুটবলার। বর্তমান সময়ের সেরা মিডফিল্ডারের স্বীকৃতিটাও কুড়িয়ে নিয়েছেন এরইমধ্যে। সবমিলিয়ে বেলজিয়ান তারকাকে নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট সিটিজেনরা। এবার তাকেও সন্তুষ্ট করার পালা ক্লাব কর্তৃপক্ষের।

বিশেষ গুদাম বানাচ্ছে করোনা টিকা মজুতে ভারত

করোনার টিকা যথাযথভাবে মজুত করতে দেশব্যাপী বিশেষ কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করছে ভারত। ভ্যাকসিন ভালো রাখতে হলে মাইনাস ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় তা সংরক্ষণ করা জরুরি বলে জানা গেছে। বিশেষজ্ঞদের আশা, একটি ভারতীয় ও অন্তত তিনটি বিদেশি টিকা কয়েক মাসের মধ্যে হাতে আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে মাইনাস ৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২-৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সেগুলিকে মজুতের বন্দোবস্ত করতে হবে।

করোনার টিকা মজুত করতে আগেভাগেই দেশ জুড়ে কোল্ড স্টোরেজের বন্দোবস্ত করার কথা ভাবছে দেশটির সরকার। সরকারি-বেসরকারি ওষুধ নির্মাতা সংস্থা, কৃষি বিপণন ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ সংস্থা, এমনকি স্টার্ট-আপ সংস্থাগুলির সঙ্গেও এই বিষয়ে কথা বলেছে সরকারি বিশেষজ্ঞ কমিটি।
collected news somoy tv

গুচ্ছ না ক্যাট পদ্ধতি চূড়ান্ত নয় এইচএসসি না হলেও ভর্তি পরীক্ষা হবে

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি গুচ্ছ না কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা (ক্যাট) পদ্ধতিতে নেয়া হবে সেটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। যদিও বুধবার সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে গুচ্ছ পদ্ধতির পরীক্ষায়। সমন্বিতভাবে এ পরীক্ষা নেয়া হবে। জানুয়ারি মাসে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রম শুরু হতে পারে।তবে তখন যে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং সশরীরে পরীক্ষাটি নেয়া যাবে সেটি কেউ নিশ্চিত করতে পারবে না। পরীক্ষার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ই সিদ্ধান্ত নেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ইতোমধ্যে তিনটি পদ্ধতির প্রস্তাব এসেছে। প্রথমে গুচ্ছ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী ভর্তির চিন্তা নিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সঙ্গে ইউজিসি বৈঠকে বসেছিল গত বছরের শেষদিকে। প্রথম বৈঠকে এ পদ্ধতি বাদ দিয়ে সমন্বিত এবং পরে ক্যাট পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সমন্বয়ে একটি কমিটিও করা হয়। ওই কমিটিই ভর্তিতে ক্যাট পদ্ধতির প্রস্তাব করে।

কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আমাদের একটা কমিটি আছে। গত ২৩ মার্চ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের নিয়ে একটি সভা ছিল।করোনার কারণে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। করোনার বর্তমান পরিস্থিতিতে আসছে শীতকাল। বিশ্ববিদ্যালয় কবে খুলবে এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ভর্তি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অনলাইনে সভা করে সব সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না।

তবু সরকার যেহেতু এইচএসসির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখন আমাদের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ভাবতে হবে। পরিস্থিতি ভালো হলে অবশ্যই ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে, এর বিকল্প নেই।

ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং বুয়েট বাদে দেশের বাকি সব বিশ্ববিদ্যালয় সম্মিলিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে নীতিগতভাবে একমত পোষণ করেছে। গত বছর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়ে গুচ্ছভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরা ক্যাট প্রবর্তন করতে চাচ্ছেন। আর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) চাচ্ছে গুচ্ছ পদ্ধতি। এ অবস্থায় শেষ পর্যন্ত কোনটি গ্রহণ করা হবে সেটা নিয়ে টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।জানা গেছে, করোনা সংক্রমণের ভয়ে এইচএসসি না হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হবেই। এটা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাদের মতে, অপরিহার্য পরীক্ষা বাতিল করা হল, অথচ একই পরিস্থিতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সেক্ষেত্রে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় কোন পরীক্ষাটি অপরিহার্য তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে জানুয়ারি মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর কথা বলা হলেও করোনার কারণে পরীক্ষা পেছাতে পারে। সেক্ষেত্রে শীতের শেষে ফেব্রুয়ারি বা মার্চে পরীক্ষাটি নেয়া হতে পারে।তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি অপেক্ষা করতে না চায় তাহলে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে আয়োজন করা হলেও সশরীরে পরীক্ষাটি হবে না। এ সংক্রান্ত আলোচনার লক্ষ্যে আগামী ১৫ অক্টোবর বৈঠক ডেকেছে ইউজিসি। সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

যদিও বুধবার সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে গুচ্ছ পদ্ধতির পরীক্ষায়। সমন্বিতভাবে এ পরীক্ষা নেয়া হবে। জানুয়ারি মাসে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কার্যক্রম শুরু হতে পারে।তবে তখন যে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হবে এবং সশরীরে পরীক্ষাটি নেয়া যাবে সেটি কেউ নিশ্চিত করতে পারবে না। পরীক্ষার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ই সিদ্ধান্ত নেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য ইতোমধ্যে তিনটি পদ্ধতির প্রস্তাব এসেছে। প্রথমে গুচ্ছ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী ভর্তির চিন্তা নিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সঙ্গে ইউজিসি বৈঠকে বসেছিল গত বছরের শেষদিকে। প্রথম বৈঠকে এ পদ্ধতি বাদ দিয়ে সমন্বিত এবং পরে ক্যাট পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের সমন্বয়ে একটি কমিটিও করা হয়। ওই কমিটিই ভর্তিতে ক্যাট পদ্ধতির প্রস্তাব করে।

কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে আমাদের একটা কমিটি আছে। গত ২৩ মার্চ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিদের নিয়ে একটি সভা ছিল।করোনার কারণে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। করোনার বর্তমান পরিস্থিতিতে আসছে শীতকাল। বিশ্ববিদ্যালয় কবে খুলবে এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ভর্তি পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অনলাইনে সভা করে সব সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না।

তবু সরকার যেহেতু এইচএসসির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখন আমাদের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে ভাবতে হবে। পরিস্থিতি ভালো হলে অবশ্যই ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে, এর বিকল্প নেই।

ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং বুয়েট বাদে দেশের বাকি সব বিশ্ববিদ্যালয় সম্মিলিত ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে নীতিগতভাবে একমত পোষণ করেছে। গত বছর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়ে গুচ্ছভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে।

বড় হিসেবে পরিচিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নতুন পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় না আসায় অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন। সব ক’টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে একসঙ্গে নিয়ে আসতে না পারায় গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা বা ক্যাটের আয়োজন কিছুটা ধাক্কা খাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রত্যাশা, স্বাস্থ্যঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে সব বিশ্ববিদ্যালয় একটি ভর্তি পরীক্ষার অধীনে চলে আসবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, অ্যাডমিশন কমিটি, ডিনস কমিটি ও একাডেমিক কাউন্সিলে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে কোন পদ্ধতিতে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা হবে। শিগগিরই এসব আলোচনা শুরু হবে। সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নেবে কিনা ও করোনার মধ্যে শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষা দিতে হবে কিনা জানতে চাইলে ভিসি বলেন, এর প্রতিটি বিষয়ই ওইসব কাউন্সিল ও কমিটিতে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, আমরা গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করাব। এক্ষেত্রে তিনটি গুচ্ছ হবে। এগুলো হচ্ছে- কৃষি, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি এবং সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।

প্রথম দুটির জন্য দুটি পরীক্ষা হবে। শেষেরটির জন্য বিজ্ঞান, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান এবং বিজনেস স্টাডিজে তিনটি পরীক্ষা হবে। তিনি বলেন, আলোচনা অনুযায়ী বড় পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা পরীক্ষায় শিক্ষার্থী ভর্তি করবে।

তবে বিদ্যমান পরিস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক স্বার্থ সামনে রেখে বড় পাঁচটিও গুচ্ছবদ্ধ পরীক্ষায় চলে আসবে বলে আমরা প্রত্যাশা করি। ১৫ অক্টোবর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়ে একটি বৈঠক আছে। সেখানে বিষয়টি আলোচনা হবে বলে আশা রাখছি।

অবশ্য ইতোমধ্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেছেন, এ পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় না এলেও বাকিদের নিয়ে আসন্ন শিক্ষাবর্ষ থেকেই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গুচ্ছ বলি আর ক্যাট বলি- সমন্বিতভাবে পরীক্ষায় শিক্ষার্থী ভর্তি এখন সময়ের দাবি। গোটা ভারতে একটি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সেখানে আমাদেরও পারার কথা।

দেশে বর্তমানে ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যে ৩৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তি করে থাকে। গত ২০ ফেব্রুয়ারি বুয়েট এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা ক্যাটে আসবে না। ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২৪ ফেব্রুয়ারি। এর দু’দিন পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় একই সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছিল।

ইউজিসি কর্মকর্তারা বলেন, প্রতি বছর গড়ে ৯ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে। তবে এ বছর সবাইকে পাস করিয়ে দেয়ায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩৬৫৭৮৯ জন। দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রথম বর্ষে ৬০ হাজারের মতো আসন আছে। এর বিপরীতে পরীক্ষা দেন ৫-৬ লাখ শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আলাদা পরীক্ষার আয়োজন করায় এসব শিক্ষার্থী শারীরিক ও মানসিক ভোগান্তি পোহায়।
আর্থিক ব্যয় তো আছেই। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে পাস করিয়ে দেয়ার ঘোষণায় এ বছর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা জমজমাট হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা। উল্লেখ্য, বর্তমানে দেশের সব মেডিকেল কলেজে অভিন্ন ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়। গত বছর কোনোরকম ঝামেলা ছাড়াই সাত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছভিত্তিক বা সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে।

আইপিএলে নামতে পারলেন না গেইল

একের পর এক ম্যাচ হারতে হারতে এখন পয়েন্ট টেবিলে সবার নিচে কিংস এলেভেন পাঞ্জাব। টুর্নামেন্টে অন্তত ২টি করে ম্যাচ জিতেছে বাকি সাত দল। শুধুমাত্র পাঞ্জাবই নিজেদের প্রথম ছয় ম্যাচে পেয়েছে মাত্র একটি জয়ের দেখা, তাও চার ম্যাচ আগে।টানা চারটি ম্যাচ হারলেও দলের অন্যতম সেরা তারকা, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের রাজা ক্রিস গেইলকে মাঠে নামায়নি পাঞ্জাব। যা নিয়ে আইপিএলসহ পুরো ক্রিকেটাঙ্গনেই চলছে নানান গুঞ্জন। আইপিএল ক্যারিয়ারে যার রয়েছে দেড়শ’র বেশি স্ট্রাইকরেটে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার রান, তাকে কি না দলেই নিচ্ছে না পাঞ্জাব!

এর পেছনে কি শুধু গেইলের বয়সের কাঁটা ৪১ ছুঁয়ে ফেলাটাই একমাত্র কারণ? নাকি অন্য রয়েছে অন্য ক্রিকেটীয় ব্যাখ্যা? অবশ্য পাঞ্জাবের অন্যান্য বিদেশি খেলোয়াড় বিশেষ করে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের টানা ব্যর্থতার পর ক্রিকেটীয় ব্যাখ্যার জায়গা বাকি থাকে খুবই কম। যেমনটা জানালেন দলের কোচ অনিল কুম্বলেও।হায়দরাবাদের বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালীন সময়ে ব্রডকাস্টারদের দেয়া সাক্ষাৎকারে কুম্বলে বলেন, ‘আজ (বৃহস্পতিবার) আমরা গেইলকে খেলাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে ফুড পয়েজনিংয়ের কারণে বেশ দুর্বল বোধ করছে গেইল। তাই তাকে নিতে পারছি না আমরা।’

বৃহস্পতিবার রাতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে ৫৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে টুর্নামেন্টের অন্যতম দারুণ সূচনা করা পাঞ্জাব। এই ম্যাচে খেলার কথা ছিল গেইলের। কিন্তু অদ্ভুত এক কারণে খেলতে পারেননি তিনি। যা সবার কাছে পরিষ্কার করেছেন পাঞ্জাবের হেড কোচ কুম্বলে। মূলত খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে তাকে নিতে পারছে না পাঞ্জাব

টপঅর্ডারে ফর্মে রয়েছে দলের অধিনায়ক লোকেশ রাহুল এবং আরেক ওপেনার মায়াঙ্ক আগারওয়াল। তবু আইপিএল ক্যারিয়ারে যার রয়েছে ছয়টি সেঞ্চুরি, গত আসরেও যিনি ১৫৩ স্ট্রাইকরেটে করেছেন ৪৯০ রান, সেই গেইলের একটা অন্যরকম চাহিদাই থাকার কথা টুর্নামেন্টে। যে কারণে বিশ্লেষকদের অনেকেই বলছেন অফফর্মে থাকা দলের আরেক বিদেশি খেলোয়াড় ম্যাক্সওয়েলের বদলে গেইলকে নেয়ার কথা। এখনও পর্যন্ত ছয় ম্যাচে মাত্র ৪৮ রান করতে পেরেছেন ম্যাক্সওয়েল, স্ট্রাইকরেট আশির ঘরে। তাই তার বদলে গেইলের দলে ঢোকা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।