আগামীকাল, 25 সেপ্টেম্বর থেকে, নতুন ফেডারেল আইন কার্যকর হয়, বেসরকারী সেক্টরে মহিলাদের বেতন পুরুষদের সমান হবে

খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, ২০২০ সালের 6 নং ফেডারেল আইন জারি করেছেন, যেখানে প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে মহিলা ও পুরুষদের একই পদে থাকলে বা তারা একই ধরণের কাজ করে থাকলে তাদের একই বেতন থাকতে হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেসরকারী সেক্টরে কর্মরত সকল নারীকে অভিনন্দন। এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে মহিলাদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তি বাড়িয়ে তুলবে জাতীয় বিকাশে তাদের ভূমিকা সমর্থন করবে এবং বিশ্বের নারীদের সমতা সূচকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অবস্থানকে এগিয়ে দেবে।

মহিলা ক্ষমতায়নকে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতি একটি আইন জারি করেছেন যাতে করে বেসরকারী খাতে পুরুষরা সমান বেতন পান তা নিশ্চিত করে। সংযুক্ত আরব আমিরাতজুড়ে আইনটি কার্যকর হবে আগামীকাল থেকে।

নতুন আইন শ্রমের সম্পর্কের বিষয়ে 1980 এর 8 নং ফেডারেল আইনটির অনুচ্ছেদ 32 পরিবর্তন করে। নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে এই নীতিটি আরও বেশি নারী প্রতিভাকে বেসরকারী খাতে যোগদানের জন্য উত্সাহিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নারী সাম্যের চ্যাম্পিয়ন, সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার এবং জেন্ডার ব্যালেন্স কাউন্সিলের প্রচেষ্টার নেতৃত্বে কর্মক্ষেত্রে বৈচিত্র্য এবং নারী সমতাকে সমর্থন করার জন্য বিগত কয়েক বছরে দুর্দান্ত পদক্ষেপ নিয়েছে। এই অঞ্চলে নারী ক্ষমতায়নের প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা ছাড়াও সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে এটি বিশ্বের প্রথম স্থান লাভ করেছে

লক্ষ্মীপুরে ১০ টাকার চাল না পেয়ে কার্ডধারীদের ইউপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছেন

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ১০ টাকা কেজি দরে চালের কার্ডধারীরা মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ইউএনও ও বামনী ইউপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছেন। এতোদিন ১০ টাকা কেজি দরের চালের কার্ডধারীরা চাল পেলেও অদৃশ্য কারণে চলতি সেপ্টেম্বর মাসের চাল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।তাদের অভিযোগ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ডিলারদের কারসাজিতে তাদের চাল দেওয়া হয়নি।

অসহায় আবুল কাশেম, তৌহিদ,মোঃ মুরাদ, আকলিমা ও মনোয়ারাসহ কয়েকজন জানান, গত ৪ বছর ধরে বছরে দুইবার ১০ টাকা করে ৩০ কেজি চাল পেয়ে আসছিলাম। মঙ্গলবার সকালে বাংলাবাজার এলাকায় চালের ডিলার সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আনছার উল্লার কাছে গেছে তিনি আমাদের কার্ড বাতিল করা হয়েছে বলে ১৬৬ জনকে বিদায় করে দেন। একটি বাড়ী একটি খামার প্রকল্পের মাঠকর্মী রিংকন সরজমিন না গিয়ে ইউনিয়নের একটি ঘরে বসে মনগড়া তালিকা করে আমাদের নাম বাদ দিয়েছে। তাই সবাই ইউএনও’র কাছে অভিযোগ করেছি। তিনি বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

বামনী ইউপি চেয়ারম্যান তাফাজ্জল হোসেন জানান, এ প্রকল্পটি গত চার বছর ধরে চলমান। এ সময়ের মধ্যে যাদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে তাদের নাম কর্তন করে নতুন করে অসহায় ব্যক্তিদের নামে কার্ড বরাদ্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমার সাথে সমন্বয় ছাড়াই-ইউএনও এবং ট্যাগ অফিসার তাদের লোকদের দিয়ে তালিকা সংযোজন-বিয়োজন করেছেন। ৫২৪টির মধ্যে ১৬৬টি নতুন কার্ড ইস্যু করা হয়েছে।

বামনী ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সালেহ আহাম্মদ জানান, সরকারি লোকদের দিয়ে তদন্ত করে যাচাই-বাছাই করে অসচ্ছল পরিবারকে কার্ড দেয়া হয়েছে। যিনি তদন্ত করেছেন (মাঠ কর্মী) তার পরিবারের তিনটি কার্ডই বাতিল করা হয়েছে।

রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিন চৌধুরী বলেন, সকল ইউনিয়নে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের দিয়ে যাচাই-বাছাই করে নতুন করে তালিকা করায় পরাতন অনেকে বাদ পড়েছেন। বামনী ইউনিয়ন থেকে বাদ পড়া ১০/১৫ জন অসহায় লোক আসছিলেন। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আগামী ১৫/০৯/২০২০ ইং মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করবেন (বিএসএপি)

আগামী ১৫/০৯/২০২০ ইং রোজ মঙ্গলবার অ‌ধিকার ব‌ঞ্চিত নির্যা‌তিত নি‌পীড়িত শিক্ষান‌বিশ আইনজীবী‌দের পক্ষে সকল জেলায়, জেলা প্রশাসক ও জেলা বারের মাধ্যমে (সকাল ৯.৩০) মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর
স্বারকলিপি প্রদান করবেন ঃ
বাংলাদেশ শিক্ষানবিশ আইনজীবী পরিষদ ( BSAP)
আহব্বানেঃ
মোঃ আলমগীর হো‌সেন
সভাপ‌তি
০১৭৪০৮৩৪৩৫৩

এ‌বিএম নিয়ামত উল্লাহ্
সাধারন সম্পাদক
০১৭৪৮৯৩১৭৫৪
বাংলাদেশ শিক্ষান‌বি‌শ আইনজীবী পরিষদ (BSAP) কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।

৩০২ বাংলাদেশিকে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকায় বিভিন্ন দেশে থেকে ফেরত আসলো

বিদেশফেরত ৩০২ বাংলাদেশি বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কুয়েত, কাতার, ভিয়েতনাম ও বাহরাইনের কারাগারে বন্দী ছিলেন। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বিশেষ বিবেচনায় সে দেশের সরকার তাদের সাজা মওকুফ করে মুক্তি দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিদেশফেরত এসব বাংলাদেশি অপরাধমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে যা শ্রমবাজারে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
বিদেশফেরত ৩০২ জনকে তুরাগ থানাধীন দিয়াবাড়ীর কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখা হয়। সেখানে থাকাকালীন তারা বিভিন্ন সময় গ্রুপভিত্তিক সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ তাদের জিডি (সাধারণ ডায়েরি) মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আদালত আবেদন গ্রহণ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে তারা কারাগারে আটক আছেন।
আটক ব্যক্তিদের স্বজনরা বলছেন, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় সে দেশের সরকার তাদের কারাদণ্ড দেয়। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে তাদের সাজা মওকুফ করে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। কিন্তু দেশে আসার পর পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। দীর্ঘদিন হয়ে গেল আদালত তাদের জামিন দিচ্ছে না। আমরা তাদের জামিন চাই।
তবে রাষ্ট্রপক্ষ বলছে, তাদের এখন ছেড়ে দিলে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হতে পারে।
গত ৪ জুলাই ২১৯ জন বিদেশফেরত বাংলাদেশিকে কারাগারে পাঠান আদালত। তাদের মধ্যে ১৪১ জন কুয়েত, ৩৯ জন কাতার এবং ৩৯ জন বাহরাইনফেরত। গত ১ সেপ্টেম্বর বিদেশফেরত আরও ৮৩ বাংলাদেশিকে কারাগারে পাঠান আদালত। তাদের মধ্যে ৮১ জন ভিয়েতনাম এবং দুজন কাতারফেরত। কারাগারে পাঠানোদের বিরুদ্ধে করা জিডি দুটি বর্তমানে তদন্তাধীন। তুরাগ থানা পুলিশ জিডির তদন্ত করছে।
সর্বশেষ গত ৩ সেপ্টেম্বর ২১৯ জন বিদেশফেরত বাংলাদেশির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। এদিন তদন্তকারী কর্মকর্তা তুরাগ থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ সফিউল্লাহ প্রতিবেদন দাখিল না করে আদালতের কাছে ৩০ দিনের সময় চেয়ে আবেদন করেন। আদালত তা মঞ্জুর করে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন।
তদন্ত কর্মকর্তার সময় আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘২১৯ জন বিদেশফেরত আসামিকে গত ৪ জুলাই আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। সোপর্দিত ২১৯ জনের মধ্যে কুয়েত হতে ১৪১ জন, কাতার হতে ৩৯ জন এবং বাহরাইন হতে ৩৯ জন প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যক্তি বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে উল্লিখিত দেশসমূহে কারাগারে ছিলেন বলে পত্র পাওয়া যায়। করোনাভাইরাস মহামারির বিষয়টি বিবেচনা করে উপরোক্ত দেশসমূহ বিশেষ বিবেচনায় তাদের সাজা মওকুফ করে মুক্তি প্রদান করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়।’
‘উল্লিখিত আসামিরা বিদেশে থেকে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে জড়িত হয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন। যা শ্রমবাজারে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। এমতাবস্থায় উল্লিখিত ডায়েরির বিষয়টি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিধায় সর্বাধিক গুরুত্বসহকারে জোর তদন্ত অব্যাহত আছে। ইতোমধ্যে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে সকল সোপর্দিত আসামির নাম-ঠিকানা, পিসি, পিআর, পূর্বেকার কর্মকাণ্ড, পূর্ব ইতিহাস ইত্যাদি যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট থানাসমূহে পৃথক পৃথকভাবে অনুসন্ধান স্লিপ প্রেরণ করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সকল আসামির নাম-ঠিকানা যাচাই সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায় নাই। এছাড়া আদালতের নির্দেশে ১৩ জন হাজতি আসামিকে কেন্দ্রীয় কারাগার ও কাশিমপুর কারাগারের জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের নিকট হতে তদন্তে সহায়ক যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ডায়েরির বিষয়টি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিধায় তা সর্বাধিক গুরুত্বসহকারে অন্যান্য সংস্থাও অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে। এছাড়া ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব বিবেচনায় সার্বাক্ষণিক মনিটরিং করছেন। তাই ডায়েরির অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত সমাপ্ত করা সম্ভবপর হয়নি বিধায় সুষ্ঠু তদন্তের সার্থে আরও ৩০ কার্যদিবস বর্ধিত সময় একান্ত প্রয়োজন।’
রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের লক্ষ্যে গোপন সলাপরামর্শ
৩০২ জনের পৃথক ডায়েরির অভিযোগ থেকে জানা যায়, ‘প্রবাসী এসব বাংলাদেশি বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ভিয়েতনামের কারাগারে বন্দী ছিলেন। করোনাভাইরাস মহামারির বিষয়টি বিবেচনা করে উপরোক্ত দেশসমূহ বিশেষ বিবেচনায় তাদের সাজা মওকুফ করে মুক্তি প্রদান করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। উল্লিখিত আসামিরা বিদেশে থেকে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে জড়িত হয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন। যা আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। এছাড়া তাদের সঠিক নাম, ঠিকানা পাওয়া যায়নি। এমতাবস্থায় তাদের কোয়ারেন্টাইনের সময়সীমা পূর্ণ হওয়ার পর তাদের ছেড়ে দেয়া হলে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, পারিবারিক সহিংসতা, জঙ্গি নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধে সম্পৃক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’
‘যেহেতু উক্ত ব্যক্তিগণ বিদেশে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে আটক ছিলেন এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে তাদের দ্বারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেহেতু জনগণের জানমালের নিরাপত্তার রক্ষার্থে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক।’ ‘উল্লিখিত ব্যক্তিরা বাংলাদেশে ফেরত আসার পর তাদের তুরাগ থানাধীন দিয়াবাড়ীর কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখা হয়। কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকাকালীন বিভিন্ন সময়ে গ্রুপভিত্তিকভাবে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মসূচি পালন করাসহ বিভিন্ন ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সংঘটিত করার লক্ষ্যে গোপনে সলাপরামর্শ করত বলে গোপন সূত্রে তথ্য পাওয়া যায়।’
আটক ব্যক্তিদের স্বজনরা যা বলছেন
কাতারফেরত এবং কারাগারে থাকা আমিনুল ইসলামের বাবা আমির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, পাঁচ বছর আগে আমার ছেলে কাতারে যায়। যাওয়ার তিন মাস পর গাড়িতে মাদক পাওয়ায় তাকে সে দেশের সরকার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়। করোনার সময় তাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়। দেশে আসার পর কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। সেখান থেকে গত ৪ জুলাই কারাগারে পাঠানো হয়। আজও তাকে জামিন দেননি আদালত। সরকারের কাছে দাবি, তাকে যেন জামিন দেয়া হয়।
কারাগারে থাকা দিল মোহাম্মদের ছোট ভাই আব্বাস বলেন, সংসারের অবস্থা ভালো না হওয়ায় ছোট ভাই দিল মোহাম্মদকে কুয়েতে পাঠাই। সেখানে যাওয়ার পর সে দেশের সরকার তাকে ১৬ বছরের কারাদণ্ড দেয়। করোনায় সাজা মওকুফ করে তাকে দেশে পাঠানো হয়। দেশে আসার পর তাকে ফের কারাগারে পাঠানো হয়। আদালত তাকে জামিন দিচ্ছে না। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থেই তো সে বিদেশে গিয়েছিল। আমরা দ্রুত তার মুক্তি চাই।
কবির হোসেনের শ্যালক আল-আমিন বলেন, অনেক স্বপ্ন নিয়ে আমার দুলাভাই কুয়েত যান। সে দেশের সরকার তাকে সাজা দেন। করোনায় সাজা মওকুফ হয়ে দেশে আসলে তাকে ফের কারাগারে পাঠানো হয়। এখন আদালত তাকে জামিন দিচ্ছে না।
উভয়পক্ষের আইনজীবীরা যা বলছেন
জামিন না দেয়া প্রসঙ্গে আসামিপক্ষের আইনজীবী জয়েন্ত শাহ বলেন, দেশের জন্য তারা বিদেশে গিয়েছিলেন। সে দেশের সরকার তাদের সাজা মওকুফ করে বাংলাদেশে পাঠায়। বাংলাদেশে আসার পর তাদের ফের কারাগারে পাঠানো হয়। সাধারণ ডায়েরির (জিডি) মামলায় দীর্ঘদিন তারা কারাগারে আটক আছেন। আদালতের কাছে জামিন চাওয়া হচ্ছে। কিন্তু আদালত জামিন দিচ্ছেন না। আমরা আসামিদের জামিন চাচ্ছি।
আইনজীবী ইমরুল হোসেন বলেন, আদালতের কাছে আসামিদের জামিন চাচ্ছি। কিন্তু আদালত জামিন মঞ্জুর করছেন না। জামিন পাওয়া তো তাদের মানবিক অধিকার।
ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) হেমায়েত উদ্দিন খান হিরোন বলেন, ‘বিদেশে থাকাকালে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় সে দেশের সরকার তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে তাদের সাজা মওকুফ করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। দেশে আসার পর তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। কিন্তু কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় তারা রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন কর্মসূচি পালনসহ ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। আচার-আচরণ সন্দেহমূলক হওয়ায় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে করা জিডি তদন্তাধীন। তদন্ত প্রতিবেদন আসার পর জানা যাবে তাদের স্বভাব-চরিত্র আসলে কেমন।’
‘প্রতিবেদন না আসায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে তাদের জামিনের বিরোধিতা করছি। এমনও হতে পারে, তারা জামিনে গিয়ে দেশে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে পারেন’— বলেন রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী।
এ বিষয়ে তুরাগ থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ সফিউল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন, বিদেশফেরত বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে করা জিডি তদন্তাধীন। আসামিদের নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাই চলছে। ইতোমধ্যে তাদের নাম-ঠিকানা যাচাইয়ের জন্য পত্র পাঠানো হয়েছে। অনেক থানা থেকে এখনও প্রতিবেদন আসেনি। আসামির সংখ্যা বেশি হওয়ায় তদন্তে সময় লাগছে

বিবাহ বার্ষিকীতে দোয়া চাইলেন ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান

রাষ্টনায়ক শেখ হাসিনার তৃণমূলের পরীক্ষিত সৈনিক যুব রাজনীতির উজ্জল নক্ষত্র দুঃসময়ের সাবেক জনপ্রিয় ছাত্রনেতা বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ১/১১ নেত্রীর কারা মুক্তি আন্দোলনের বীর যোদ্ধা মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান আজ ১২ সেপ্টেম্বর”২০১৪ সালের শুভ বিবাহ বার্ষিকী এইদিন থেকে একসাথে পথচলা। আল্লাহ ভালো রেখেছেন,সকলে দোয়া করবেন। একসাথে আমৃত্যু পথচলা যেন শেষ হয়। তিনি বিবাহ বার্ষিকী বলেন আমার একটা স্বপ্ন তা হলো জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়ন,জননেত্রী শেখ হাসিনার সততা ও নিষ্ঠার প্রতি আস্থা রেখে সংগঠনের জন্য কাজ করলে কোন ষড়যন্ত্রই রাজপথ থেকে সরাতে পারবে না” আমি একজন দেশপ্রেমিক বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আদর্শবান স্কুল শিক্ষকের সন্তান । উচ্চশিক্ষা অর্জন করে সততা ও নিষ্ঠার সাথে সংগঠনের জন্য কাজ করতেই রাজনীতিতে এসেছি। অসৎ পথে অর্থ উপার্জন করা কিংবা নীতি বহির্ভূত কাজ করতে রাজনীতিতে আসিনি। রাজনীতিতে আমার একটাই লক্ষ্য,কোন না কোন ভাবে মানুষের সেবা করা,গরীব দুঃখী অসহায় মানুষের পাশে থাকা,আদর্শ নিয়ে সংগঠনের জন্য কাজ করা । জীবনে কোন অন্যায় কাজ করিনি,অন্যায়কে প্রশ্রয় দেইনি। ষড়যন্ত্র করে আমাকে রাজপথ থেকে সরানো সম্ভব নয়। কারন আমি মমতাময়ী মা,মানবতার জননী’র দুঃসময়ের দুর্দিনের রাজপথের কর্মী,নেত্রীর আদর্শের সৈনিক। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত সংগঠনের জন্য কাজ করে যাবো ইনশাল্লাহ।

দোয়া চেয়েছেন সমাজ সেবক মোস্তাক আহমেদ_সোহাগ

সমাজ সেবক মোস্তাক আহমেদ_সোহাগ বলেন- আলহামদুলিল্লাহ,
আল্লাহর অশেষ রহমতে, আপনাদের দোয়ায় বৃহত্তর নোয়াখালী গার্মেন্টস এক্সেসরিজ ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ এর কার্যকরী পরিষদ নির্বাচন (২০২০-২০২৩) সম্পাদক পদে মনোনয়ন ফরম জমা দিলাম।

আপনাদের সেবা যেন অব্যাহত রাখতে পারি, সকলে দোয়া করবেন।

ব্রাক্ষনবাড়িয়ায় ভুয়া পুলিশের এএসপি বরগুনায় আটক।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্রাক্ষনবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নাম ব্যবহার করে ভূয়া একাউন্ট খুলে প্রতারণার অভিযোগে বরগুনায় মোস্তাফিজুর রহমান বাদল নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ভূয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ২৭জন নারীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগ রয়েছে।

শনিবার(৫ সেপ্টেম্বর) রাত আটটার দিকে বরগুনা পৌর শহরের কাঠপট্টি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। মোস্তাফিজুর রহমান বাদলের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের চরকগাছিয়া এলাকায়। তিনি ওই এলাকার মজিদ দফাদারের ছেলে। কাঠপট্টি এলাকায় তার ফার্মেসির ব্যবসা রয়েছে।

বরগুনা থানা পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, ব্রাক্ষনবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাইদের সাথে বাদলের চেহারার কিছুটা মিল আছে। এ সুযোগ নিয়ে আবু সাইদ নাম ব্যবহার করে ব্রাক্ষনবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পরিচয়ে আটক ব্যক্তি একটি ফেসবুক আইডি ব্যাবহার করে আসছেন। সম্প্রতি বিষয়টি পুলিশ সুপার আবু সাইদের নজরে আসে। তিনি তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে বাদল এ কাজটি করে আসছে নিশ্চিত হয়ে বরগুনা পুলিশকে বিষয়টি জানান। শনিবার রাত আটটার দিকে অভিযান চালিয়ে নিজের ওষুধের দোকান থেকে তাকে আটক করে।

বরগুনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম অরুন বলেন, প্রতারক বাদল এডিশনাল এসপি পরিচয়ে অন্তত ২৭ জন নারীর সাথে ফেসবুকে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং ম্যাসেঞ্জারে আপত্তিকর ছবি ভিডিও আদান প্রদান করে। তাকে আগামীকাল রবিবার আদালতে সোপর্দ করা হবে।

যোগাযোগ করা হলে ব্রাক্ষনবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু সাইদ মুঠোফোনে বলেন, সম্প্রতি বিষয়টি আমার নজরে আসলে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আমি ওই ব্যক্তি ও অবস্থান নিশ্চিত হই। বিষয়টি আমি বরগুনা পুলিশকে অবহিত করে তাদের সহায়তা চেয়েছিলাম। তার বিরুদ্ধে ব্রাক্ষনবাড়িয়ায় বিধিমোতাবেক মামলা দায়ের করা হবে।

এর আগে গত ২৯ আগস্ট ভুয়া জ্বালানি সচিব পরিচয়দানকারী সাইফুল মাহমুদ দুলাল নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছিল বরগুনা পুলিশ।

বৃহত্তর নোয়াখালী পেপার মার্চেন্ট বহুমূখী সমবায় সমিতি লিঃ নির্বাচনে ২০২০-২০২৩ সভাপতি পদে প্রার্থী হাজী মোহাম্মদ নুরুল আমিন ।

বৃহত্তর নোয়াখালী পেপার মার্চেন্ট বহুমূখী সমবায় সমিতি লিঃ নির্বাচন ২০২০-২০২৩ইৎ, সভাপতি পদে মোহাম্মদ নুরুল আমিন,প্রোপাইটর মেসার্স মোহাম্মদীয়া পেপার স্টোর সমিতির সদস্যদের দোয়া, সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করলেন। সুশিক্ষিত,ধার্মীক,যোগ্য, সৎ, নির্ভীক, নীতিবান লোকই পারে প্রত্যেক সংগঠন কে সামনে এগিয়ে নিতে, তাই সমিতির প্রত্যেক সদস্যদেরে এখন একটা ইচ্ছা এমন যোগ্য লোককে নির্বাচিত করা মনে সমিতির উন্নয়ন ধারাবাহিকতা রক্ষা হবে বলে মনে করেন সমিতির সদস্যগন। কাগজ ব্যবসায়ীগন বলেন মনে রাখবেন একজন যোগ্য লোকই পারে তাঁর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনাকে কাজে লাগিয়ে একটা সংগঠনকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে।তাই বলতে হয় দক্ষ দেখে পক্ষ নিন, মোহাম্মদ নুরুল আমিন কে আবার ও ভোট দিয়ে সভাপতি নির্বাচিত করতে হবে । তারা বলেন মোহাম্মদ নুরুল আমিন দুই নয়ন সমিতির উন্নয়ন । লক্ষ্মীপুর টিভি সাথে আলাপচারিতায় প্রত্যেক দোকানদার ও সমিতির সদস্যগন বলেন মোহাম্মদ নুরুল আমি সাহেবের বিকল্প আর কোন যোগ্য প্রার্থী নেই ।

বঙ্গবন্ধু-কন্যাকে নিয়ে টুকরো স্মৃতিঃডা. দীপু মনি

বঙ্গবন্ধু-কন্যা তখন গৃহবন্দি ধানমন্ডি পাঁচ নম্বর সড়কের সুধাসদনে। ২০০৭-এর সম্ভবত জুনের শেষ সপ্তাহ তখন। দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রবেশাধিকার নেই সেই বাড়িতে। আত্মীয়-স্বজনরা দেখা করতে পারেন। আমি তখন সেই বাড়িতে প্রতিদিন যাই। যাই বঙ্গবন্ধু-কন্যার ব্যক্তিগত চিকিৎসক পরিচয়ে।
তার কিছুদিন আগেই একদিন হঠাৎ করেই আমাকে আটকে দেওয়া হয়েছিল তার বাড়ি থেকে দুই মোড় আগে পাঁচ নম্বর সড়কের মাথায়। প্রহরারত পুলিশ কিছুতেই যেতে দেবে না নেত্রীর কাছে। ওপরের নিষেধ আছে। শুধু আমাকে নয়, সবার জন্যই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য, বলেছিল পুলিশ। আমি ভেতরে নেত্রীকে ফোন করে জানালাম, ‘আপা, ঢুকতে দিচ্ছে না।’ নেত্রী অনুরোধ করতে বললেন তার নাম করে। শুনল না। বেশ কিছুক্ষণ এভাবেই চলল। এরই মধ্যে বৃষ্টি শুরু হলো। নেত্রীকে বললাম, ‘কিছুই তো শুনছে না, তবে কি চলে যাব আপা?’ নেত্রী এবার বললেন, ‘ওকে বলো, তুমি আমার ব্যক্তিগত চিকিৎসক। তোমাকে ঢুকতে না দিলে আমি এখনই বেরিয়ে আসছি রাস্তা পর্যন্ত।’ শুনেই তটস্থ হয়ে পুলিশ সদস্যটি খুবই অস্বস্তি নিয়ে বলল, ‘এই কথাটা তো আগে বললেই পারতেন। যান, ভেতরে যান। এরপর যখনই আসবেন, এই পরিচয়টাই দেবেন।’ সেই থেকেই সাথে সাদা অ্যাপ্রোন আর রক্তচাপ মাপার যন্ত্র ও স্টেথেস্কোপ নিয়ে রোজ সুধাসদনে আমার যাতায়াত। দুপুরের কাছাকাছি সময়ে গিয়ে নেত্রীর সাথে দুপুরের খাবার খেয়ে বিকেলের মধ্যে বেরিয়ে আসা, এই ছিল ১৬ জুলাই ২০০৭-এর ভোরে নেত্রী গ্রেফতার হবার আগের দিন পর্যন্ত প্রতিদিনের রুটিন।
প্রতিদিনের মতো সেদিনও গেছি সুধাসদনে। নিচতলায় শেখ জামাল ক্রীড়াচক্রের কর্তাব্যক্তি একজন দেখা করতে এসেছিলেন। তিনি চলে যাবার পর নিচতলায় বসেই কথা হচ্ছে। নেত্রী আমাদের রেলপথ নিয়ে কথা বলছেন। রেলপথের উন্নয়ন নিয়ে তার স্বপ্নের কথা বলে চলেছেন। কোথায় কোথায় রেলসেতু হবে, কোথায় ডাবল গেজ হবে, কোথায় নতুন রেলপথ হবেÑ এমনভাবে বলে চলেছেন যে তিনি যেন চোখের সামনেই সারাদেশের রেলপথের ছবিটি স্পষ্ট দেখছেন। তার স্বপ্ন আর পরিকল্পনার কথা শুনতে শুনতে আমি দু-চোখের পানি সামলাতে পারলাম না। রাগ আর কষ্টের অদ্ভুত মিশ্রণ। নেত্রী উৎকণ্ঠিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কাঁদছি কেন হঠাৎ করেই। রাগে-দুঃখে বললাম, ‘আপনাকে গৃহবন্দি করে রেখেছে। দুদিন বাদেই হয়তো গ্রেফতার করে জেলে নেবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বহু বছর ক্ষমতায় থাকার পাঁয়তারা করছে। ঘরে-বাইরে শত্রুরা ষড়যন্ত্র করছে। আপনাকে মেরে ফেলবে সুযোগ পেলেই। আদৌ নির্বাচন হবে কি না, গণতন্ত্রে দেশ ফিরবে কি না বা ফিরলেও কত বছরে, তার কোনো হিসাব নেই। আর আপনি কি না বন্দিদশায় বসে বসে রেলপথের উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের চলাচল আর দেশব্যাপী পণ্য পরিবহনের সুবিধার পরিকল্পনা করছেন। আপনাকে গ্রেফতার করবে না তো আর কাকে করবে?’ বলতে বলতে উত্তেজনায় চোখের পানি নাকের পানি একাকার।
নেত্রী সস্নেহে শান্ত অথচ খুব দৃঢ় স্বরে বললেন, ‘একটুও ভাববে না। ওরা আমার কিছুই করতে পারবে না। আমার দেশের জনগণ ওদের শাসন মানবে না। ওরা নির্বাচন দিতে বাধ্য হবে। জনগণ আমাদের ভোট দেবে। আমরা সরকার গঠন করব। পরিকল্পনা সব তাই এখন থেকেই করে রাখছি, যেন দায়িত্ব পাবার পর সময় নষ্ট না করতে হয়।’ আমি অবাক হয়ে তার কথা শুনলাম। মনে পড়ল কর্নেল শওকত আলী চাচার কথা। ’৬৯-এ বঙ্গবন্ধু (তখনও এ উপাধিতে তিনি ভূষিত হননি) আগরতলা মামলায় তার সাথে আরও যারা অভিযুক্ত ছিলেন তাদের ফাঁসিতে ঝুলবার আশঙ্কার জবাবে বলেছিলেন, ‘ভাবিস না, জনগণ এ প্রহসনের বিচার মানবে না। আমাদের আন্দোলন করে মুক্ত করবে। তারপর নির্বাচন দিতে সরকার বাধ্য হবে। আমরা জিতব। আমাদের ক্ষমতায় যেতে দেবে না। যুদ্ধ হবে। আমরা স্বাধীন হব।’ আমার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। নেত্রীর কথাগুলো কি পিতার কথার মতোই সত্যে পরিণত হবে? কোন দৈববলে মানুষ এমন ভবিষ্যৎ দেখতে পারে? ইতিহাসবোধ আর মানুষকে বুঝতে পারার গভীরতা এবং আত্মবিশ্বাস কতটা জোরাল হলে কোনো নেতা বা নেত্রী এমন ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারেন?
মনে পড়ে, চোখ বন্ধ করে স্রষ্টার কাছে নীরবে সেদিন প্রার্থনা করেছিলাম, পিতার মতোই বঙ্গবন্ধু-কন্যার কথাও যেন সত্যি হয়। আর শুকরিয়া আদায় করলাম আল্লাহর কাছে, এমন নেত্রীর কাছে থাকবার, তার স্নেহ পাবার, তার কাছে থেকে রাজনীতি শিখবার, তার কর্মী হিসেবে দেশের জন্য কাজ করবার সুযোগ তিনি দিয়েছেন আমাকে। আমি ধন্য বলনে । মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অন্যতম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ।
সংগৃহীত ফেসবুক থেকে ।

পূর্বাচলে ৫২ একর জমির উপর ঢাবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরির প্রকল্প অনুমোদন: মাকসুদ কামাল

পূর্বাচলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরির প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর)‘শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জন ও সংকট’ শীর্ষক গ্লোবাল ওয়েবিনারে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এ্যালামনাইদের সংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের উদ্যোগে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির ব্ক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সরকারকে প্রতিদ্বন্দী না ভেবে সরকারকে সহযোগী মনে করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সরকার সকল প্রকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে।জ্ঞানের ক্ষেত্রে ও এগিয়ে যাওয়ার জন্য স্বায়ত্তশাসন, তবে সরকারের সহযোগিতা ও হস্তক্ষেপটা যেন অবৈধ ও অন্যায্য না হয়।

তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়মের অভিযোগ আসলেও স্বায়ত্তশাসিত হওয়ার কারণে সরকার কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে পারে না।

সভাপতির ব্ক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামান বলেন, বিদেশে অবস্থানরত এ্যালামনাইরা যেন তাদের মেধা ও দক্ষতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কাজে লাগাতে পারেন সেজন্য প্রয়োজন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ প্রফেসর পদ সৃষ্টি করে তাদেরকে স্বাগত জানানো হবে। এ ধরনের কোলাবোরেশন বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলেও মনে করেন উপচার্য।

ওয়েবিনারে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানউল্লাহ, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক বিশ্বদেব চৌধুরী, ইংরেজী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নীলিমা আক্তার, কমিউনিকেশন্স ও ডিসঅর্ডার বিভাগের চেয়ারপার্সন শান্তা তাওহিদা প্রমুখ।