বাংলাদেশের ৪৫টি সিনেমা নিয়ে চলচ্চিত্র উৎসব কলকাতায়

 

আগামী ২৮ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশের ৪৫ সিনেমা নিয়ে কলকাতার নন্দনে শুরু হচ্ছে ‘৫ম বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব’।  চারদিনের এ উৎসবের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ফারুক আহমেদ জানান, সিনেমা বাছাইয়ের জন্য গত ১২ জুলাই বৈঠকে বসেছিলেন তারা। সেখানে প্রাথমিকভাবে ৪৫টি সিনেমা বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত হয়।

এর মধ্যে পাঁচটি প্রামাণ্যচিত্র এবং দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রও রয়েছে। প্রাথমিক এই তালিকায় কোরবানির ঈদের মুক্তি পাওয়া শাকিব খানের ‘প্রিয়তমা’, আফরান নিশো-তমা মির্জার ‘সুড়ঙ্গ’, অপু বিশ্বাসের ‘লাল শাড়ি’ ও চয়নিয়া চৌধুরীর ‘প্রহেলিকা’র নাম আছে। এছাড়া গত বছরের প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের জোয়ার তোলা সিনেমা ‘হাওয়া’ ও ‘পরাণ’ দেখানো হবে উৎসবে।

প্রাথমিক তালিকায় আরও রাখা হয়েছে ‘রিকশা গার্ল’, ‘জেকে ১৯৭১’, ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’, ‘রেডিও’, ‘১৯৭১ সেই সব দিন’, ‘নকশীকাঁথার জমিন’, ‘শ্যামা কাব্য’, ‘দু:সাহসী খোকা’, ‘শ্রাবণ জ্যোৎস্নায়’, ‘গুণিন’, ‘বিউটি সার্কাস’, ‘দামাল’, ‘পায়ের তলায় মাটি নাই’, ‘পাপপূণ্য’, ‘সাঁতাও’, ‘মা’, ‘দেশান্তর’, ‘স্ফুলিঙ্গ’, ‘চিরঞ্জীব মুজিব’, ‘বিক্ষোভ’, ‘রেহানা মরিয়ম নূর’, ‘নোনা জলের কাব্য’, ‘মৃধা বনাম মৃধা’, ‘কূড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’, ‘গলুই’, ‘গণ্ডি’, ‘ন ডরাই’, ‘আলফা’, ‘পুত্র’, ‘আয়নাবাজি’, ‘দেবী’ ও ‘গেরিলা’।

প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে রয়েছে ‘হাসিনা এ ডটারস টেল’, ‘অবিনশ্বর’, ‘একটি দেশের জন্য’, ‘চিরঞ্জীব বঙ্গবন্ধু’, ‘কাঙ্গাল হরিনাথ’। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে রয়েছে ‘ওমর ফারুকের মা’ ও ‘ধড়’।

‘৫ম বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব’-এর পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকছে, সেখানে উপস্থিত থাকবেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকেও।

এছাড়া বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের এক ঝাঁক তারকাশিল্পীও উৎসবে থাকছেন।

ঈদ ফুরিয়ে গেলেও শাকিবের ‘প্রিয়তমা’র জয়জয়কার চলছেই

 

‘প্রিয়তমা’র দৃশ্যে ইধিকা পাল ও শাকিব খান (ছবি: ভার্সেটাইল মিডিয়া)

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার জয়জয়কার চলছেই। পরিচালক হিমেল আশরাফ আজ (২১ জুলাই) সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, ঢাকাসহ সারাদেশের মোট ৬২টি সিনেমাহলে সগৌরবে চলছে এটি। এরমধ্যে চট্টগ্রামের সুগন্ধা এবং মাইজদীর রওশনবাণীতে নতুন ঢুকেছে এই সিনেমা।

খুলনার সঙ্গীতা, কুষ্টিয়ার স্বপ্নীল, সাভারের বিলাস ও সিলেটের গ্র্যান্ড সিনেপ্লেক্সে দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়েছে ‘প্রিয়তমা’। এছাড়া ৫৬টি সিনেমাহলে চতুর্থ সপ্তাহ ধরে দর্শকরা উপভোগ করছেন এটি।

‘প্রিয়তমা’র চতুর্থ সপ্তাহের সিনেমাহল তালিকা (ছবি: ভার্সেটাইল মিডিয়া)

প্রযোজনা ও পরিবেশনা সংস্থা ভার্সেটাইল মিডিয়ার দাবি, তৃতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মিলিয়ে ৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে ‘প্রিয়তমা’র। তাদের কথায়, “ঈদ ফুরিয়ে গেলেও প্রিয়তমা রয়ে গেছে। দর্শকদের সীমাহীন ভালোবাসায় সিনেমাটি ইতোমধ্যে ব্লকবাস্টার হয়েছে।

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার জয়জয়কার চলছেই। পরিচালক হিমেল আশরাফ আজ (২১ জুলাই) সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, ঢাকাসহ সারাদেশের মোট ৬২টি সিনেমাহলে সগৌরবে চলছে এটি। এরমধ্যে চট্টগ্রামের সুগন্ধা এবং মাইজদীর রওশনবাণীতে নতুন ঢুকেছে এই সিনেমা।

খুলনার সঙ্গীতা, কুষ্টিয়ার স্বপ্নীল, সাভারের বিলাস ও সিলেটের গ্র্যান্ড সিনেপ্লেক্সে দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়েছে ‘প্রিয়তমা’। এছাড়া ৫৬টি সিনেমাহলে চতুর্থ সপ্তাহ ধরে দর্শকরা উপভোগ করছেন এটি।

‘প্রিয়তমা’র চতুর্থ সপ্তাহের সিনেমাহল তালিকা (ছবি: ভার্সেটাইল মিডিয়া)

প্রযোজনা ও পরিবেশনা সংস্থা ভার্সেটাইল মিডিয়ার দাবি, তৃতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মিলিয়ে ৫ কোটি ৭৫ লাখ টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে ‘প্রিয়তমা’র। তাদের কথায়, “ঈদ ফুরিয়ে গেলেও প্রিয়তমা রয়ে গেছে। দর্শকদের সীমাহীন ভালোবাসায় সিনেমাটি ইতোমধ্যে ব্লকবাস্টার হয়েছে।”

‘প্রিয়তমা’র দৃশ্যে শাকিব খান (ছবি: ভার্সেটাইল মিডিয়া)

গত সপ্তাহের শুরুতে ভার্সেটাইল মিডিয়া জানায়, দ্বিতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশ ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশ মিলিয়ে ৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে ‘প্রিয়তমা’র। গত ২৯ জুন দি অভি কথাচিত্রের পরিবেশনায় মুক্তির পর প্রথম সাতদিনে ঢাকাসহ সারাদেশে ৩১৫০টির বেশি প্রদর্শনী থেকে সিনেমাটির ১০ কোটি ৩০ লাখ টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে।

পরিচালক হিমেল আশরাফ মনে করেন, “শুধু সিনেমা নয়, ‘প্রিয়তমা’ এখন একটি উৎসব।”

গত ৭ জুলাই উত্তর আমেরিকায় মুক্তি পায় ‘প্রিয়তমা’। যুক্তরাষ্ট্রের ১৮টি রাজ্যের ৩৭টি এবং কানাডার চার প্রদেশের ৫টি সিনেমাহলে দেখানো হয়েছে এটি।

পরিবেশনা সংস্থা স্বপ্ন স্ক্যায়ারক্রো জানিয়েছে, আমেরিকা ও কানাডায় ‘প্রিয়তমা’ প্রথম সপ্তাহে ৪২টি সিনেমাহলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় করা বাংলাদেশি সিনেমা (শীর্ষে আছে হাওয়া)। হলিউড সিনেমার মহোৎসবের মাঝেও প্রথম তিন দিনে এটি আয় করে ৪৪ হাজার ডলার। উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে বাংলাদেশি সিনেমার ইতিহাসে এখন পর্যন্ত চতুর্থ সর্বোচ্চ ওপেনিং এটি। প্রথম সপ্তাহ শেষে ‘প্রিয়তমা’র আয় দাঁড়ায় ৮৪ হাজার ডলার। উত্তর আমেরিকায় প্রথম সপ্তাহের আয়ের বিবেচনায় এটি এখন বাংলাদেশের সিনেমা ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা।‘প্রিয়তমা’য় শাকিব খানের সঙ্গে প্রথমবার জুটি বেঁধেছেন কলকাতার নায়িকা ইধিকা পাল। ওপার বাংলার টেলিভিশন অঙ্গনের পরিচিত মুখ তিনি। স্টার জলসার ‘কপালকুণ্ডলা’, জি বাংলার ‘রিমলি’ ও ‘পিলু’ ধারাবাহিকে তার অভিনয় মন কেড়েছে দর্শকদের। এবার বাংলাদেশের সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হলো এই তারকার।

হিমেল আশরাফ ২০১৭ সালে বাপ্পি চৌধুরী ও আঁচলকে নিয়ে নিজের প্রথম সিনেমা ‘সুলতানা বিবিয়ানা’ পরিচালনা করেন। এর চিত্রনাট্য লিখেছেন সমুদ্রে ঘুরতে গিয়ে হারিয়ে যাওয়া ফারুক হোসেন। ‘প্রিয়তমা’র চিত্রনাট্যকারও তিনিই। ‘সুলতানা বিবিয়ানা’ প্রযোজনা করেছে আরশাদ আদনানের প্রতিষ্ঠান ভার্সেটাইল মিডিয়া। ‘প্রিয়তমা’র প্রযোজকও তিনিই। এতে আরো অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, লুৎফর রহমান জর্জ, ডন, শহিদ উন নবী, এলিনা শাম্মিসহ অনেকে।

প্রিয়তমা’ সিনেমার তিনটি গান শ্রোতাপ্রিয়তা পেয়েছে। এরমধ্যে ‘কোরবানি কোরবানি’র কথা, সুর ও কণ্ঠ কলকাতার আকাশ সেনের। তার সুর-সংগীতে ও আসিফ ইকবালের কথায় ‘ও প্রিয়তমা’ গেয়েছেন বালাম ও কোনাল। প্রিন্স মাহমুদের সুর-সংগীত ও সোমেশ্বর অলির কথায় ‘ঈশ্বর’ গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন রিয়াদ।

 

 

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন মাহি

আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন মু. জিয়াউর রহমান। এরপর চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সেই নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে মাহি বলেন, ‘এখানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে গণসংযোগ করছি। তা ছাড়া প্রতি দুই ইউনিয়ন মিলে একটা করে অনুষ্ঠানের আয়োজন করছি। সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, ভালো-মন্দ জানার চেষ্টা করছি। তারাও আমাকে পেয়ে অনেক খুশি। এ যেন এক অন্য রকম ভালো লাগা, ভালোবাসায় নিজেকে নিয়োজিত করেছি।’

বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন মাহি। রাজনীতিতে ব্যস্ত সময় পার করলেও খুব শীঘ্রই অভিনয়েও ফিরছেন তিনি।

আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশকে সামনে রেখে প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

রোববার (২৩জুলাই) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে  প্রকল্প সমূহের জুলাই ২০২২ থেকে জুন ২০২৩ পর্যন্ত বাস্তবায়ন আগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় শতভাগ আরএডিপি বাস্তবায়ন সম্পর্কে এসবচ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আরএডিপি ১০৩ দশমিক ০৪ শতাংশ বাস্তবায়ন অবশ্যই প্রশংসারযোগ্য। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ গত দুই বছর পরপর শতভাগ এডিপি বাস্তবায়ন করেছে এবং এরই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হবে। বিতরণ কোম্পানিগুলোকে গ্রাহকদের সাথে আস্থার সম্পর্ক বাড়াতে পরিকল্পনা মাফিক যোগাযোগ কার্যক্রম বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

উল্লেখ্য যে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় জিওবি ও বৈদেশিক সহায়তাপুষ্ঠ প্রকল্প ৭টি, নিজস্ব প্রকল্প ২৫টি ও গ্যাস উন্নয়ন তহবিলভুক্ত ১২টিসহ মোট ৪৪ টি প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ ছিল ৪০৫৩ দশমিক ২০ কোটি টাকা। আর্থিক ব্যয় ৪১৭৬র দশমিক ৫৫ কোটি টাকা। আর্থিক অগ্রগতির হার ১০৩ দশকিম ৪ শতাংশ। ২০২১-২০২২ অর্থবছরে আর্থিক অগ্রগতি ছিল ১০ দশমিক ৫২ শতাংশ।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো: খায়েরুজ্জামান মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে বিপিসি’র চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ এনডিসি, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান জনেন্দ্র নাথ সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রধানগণ সংযুক্ত ছিলেন।

ইতালি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

 

রোববার (২৩ জুলাই) স্থানীয় সময় বেলা ১টা ৪০ মিনিটে ইতালির রোমের ফিউমিসিনো বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি তার সফরকালীন আবাসস্থলে যান। এর আগে রোববার সকালে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে (কিউআর-৬৪৩) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী।

দোহায় ট্রানজিট বিরতির পর কাতার এয়ারওয়েজের আরেকটি ফ্লাইটে (কিউআর-১৩১) রোমে আসেন তিনিইতালির রাজধনী রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) আয়োজিত ফুড সিস্টেম সামিটে যোগ দিতে  পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (২৩ জুলাই) স্থানীয় সময় বেলা ১টা ৪০ মিনিটে ইতালির রোমের ফিউমিসিনো বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি তার সফরকালীন আবাসস্থলে যান।

এর আগে রোববার সকালে কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে (কিউআর-৬৪৩) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী।

দোহায় ট্রানজিট বিরতির পর কাতার এয়ারওয়েজের আরেকটি ফ্লাইটে (কিউআর-১৩১) রোমে আসেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেসের আমন্ত্রণে জাতিসংঘের খাদ্য ব্যবস্থাপনা+২ স্টকটেকিং মোমেন্ট (ইউএনএফএসএস+২) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন।

ইউএনএফএসএস+২ শীর্ষ সম্মেলনটি ২৪ থেকে ২৬ জুলাই ইতালির রোমে ফুড এন্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন (এফএও)-এর সদর দপ্তরে ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা: অভিন্ন যাত্রায় বৈচিত্র্যময় পথ’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ২০ জুলাই এক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বলেছেন, বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে ‘শক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতা’ ও সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচি’ এই দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হতে পারে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ২৪ জুলাই এফএও সদর দফতরে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি বক্তা হিসেবে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।

ফোরামে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকার প্রধান, কৃষি বিশেষজ্ঞ, খাদ্য উৎপাদনকারী, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত থাকবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী ‘ফুড সিস্টেম অ্যান্ড ক্লাইমেট অ্যাকশন’ শীর্ষক পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে অংশ নেবেন।

একই দিন সন্ধ্যায় তিনি এফএও সদর দপ্তরে বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রুমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

জাতিসংঘের এফএও এর মহাপরিচালক কু ডংইউ এবং ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড অফ এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্টের (আইএফএডি) প্রেসিডেন্ট আলভারো লারিও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

প্রধানমন্ত্রী ২৫ জুলাই ইউরোপের ১৫টি দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতদেও নিয়ে আয়োজিত ‘আঞ্চলিক দূত সম্মেলনে’ যোগ দেবেন।

এছাড়া শেখ হাসিনার ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার কথা রয়েছে এবং সেখানে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হবে।

তিনি ইতালিতে প্রবাসী বাংলাদেশি আয়োজিত একটি কমিউনিটি রিসেপশনেও যোগ দেবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, কৃষিমন্ত্রী ড. মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র্র মজুমদার, সংসদ সদস্যগণ এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ইউএনএফএসএস+২-এ যোগ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর ২৬ জুলাই স্বদেশের উদ্দেশে রোম ত্যাগের কথা রয়েছে।

গত ২০২১ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর এ অনুষ্ঠিত ‘জাতিসংঘের খাদ্য ব্যবস্থাপনা শীর্ষ সম্মেলনে’ গৃহীত সুপারিশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা করার লক্ষ্যে ইউএনএফএসএস+২ এর যাত্রা শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালে ‘জাতিসংঘের খাদ্য ব্যবস্থাপনা শীর্ষ সম্মেলনে’ ভার্চুয়ালি যোগ দেন এবং পাঁচ দফা সুপারিশ প্রস্তাব পেশ করেন।

সার্ভেয়ারের চাকরি নাকি সম্পদ গড়ার পরশ পাথর

 

• মাসিক বেতন সবমিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা
• রাজধানীতে ৭টি ফ্ল্যাট ও ২০ কাঠার বেশি জমির মালিক
• অধিকাংশ সম্পদ শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের নামে গড়া
• ১৫ মে দুদকের মুখোমুখি হয়েছিলেন সার্ভেয়ার মনির

ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার, জাতীয় বেতন স্কেলের ১৪তম গ্রেডের কর্মচারী। বেতন সবমিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার টাকা। এই বেতনের একজন ব্যক্তি যদি ২০ বছর চাকরি করেন, তারপরও বেতন-বোনাস মিলিয়ে আয় ৭০ লাখ টাকাও হবে না। পারিবারিক ব্যয়ের হিসাবটা না হয় বাদই দেওয়া হলো।

অথচ ১৪তম গ্রেডের সরকারি এ কর্মচারীর সম্পদের পরিমাণ শুনলে যে কারও মাথা ঘুরে যাবে। রাজধানীর বহুতল ভবনে সাতটি ফ্ল্যাট, আছে ২০ কাঠার অধিক জমি। সর্বসাকুল্যে মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা হলে কীভাবে এ সময়ে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তোলা সম্ভব? হয়তো আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপের ছোঁয়ায় তিনি এত সম্পদের মালিক বনে গেছেন

বলছি ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত সার্ভেয়ার মনির হোসেনের কথা। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কৃষ্ণপুরে। আগে ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এল এ শাখায় কর্মরত ছিলেন। সেখানে চাকরির তিন বছরের মাথায় দুর্নীতির অভিযোগে তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বদলি করা হয়। কিন্তু অবৈধ অর্থ ও ক্ষমতার জোরে আবারও ঢাকায় বদলি হয়ে আসেন তিনি।

মনিরের অবৈধ সম্পদের মধ্যে রয়েছে– গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কৃষ্ণপুরে একতলাবিশিষ্ট আলিশান বাড়ি, রাজধানীর শান্তিবাগ এলাকায় ১০তলা রোজ গার্ডেন ভবনে একাধিক ফ্ল্যাট, ডেমরার হাজি বাদশা মিয়া রোডে গ্রিন কটেজ- ১ ও গ্রিন কটেজ- ২-এ তিনটি ফ্ল্যাট, একই এলাকায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের পাঁচ কাঠার প্লট, সাত কাঠা জমিতে নির্মিত ২০টি দোকান এবং একই এলাকায় গ্রিন কটেজ- ৩ ও গ্রিন কটেজ- ৪ ভবনে একাধিক ফ্ল্যাটের বুকিং রয়েছে বলে জানা গেছে ।

অবৈধ সম্পদের মধ্যে আরও রয়েছে– রায়েরবাগে চান্দিনা ভিলেজে জমি, একই এলাকার মিন্টু চত্বরের পাশে সহকর্মী ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সার্ভেয়ার বশির ও তার (মনির) নামে ২০ কাঠা জমি।

দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত এসব সম্পদ নিজের নাম ছাড়াও স্ত্রী, শ্যালক ও ভায়রা, এমনকি শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নামেও গড়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা পোস্টের অনুসন্ধানেও তিনি এবং তার আত্মীয়দের নামে কয়েকটি ফ্ল্যাট ও জমি থাকার সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে, দুর্নীতির মামলা থেকে বাঁচতে অধিকাংশ সম্পদ আত্মীয়দের নামে গড়েছেন বলে জানা গেছে।

সার্ভেয়ার মনিরের অঢেল সম্পদের খোঁজে এরই মধ্যে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে গত ১৫ মে তলব করে সার্ভেয়ার মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদও করে সংস্থাটির অনুসন্ধান কর্মকর্তা। যদিও জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের অধিকাংশ বিষয় তিনি অস্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। একইসঙ্গে অর্জিত সম্পদ নিজের নয় বলে দাবি করেন মনির।

এ বিষয়ে দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জনসংযোগ দপ্তরে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। পরে জনসংযোগ দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে তারা এ বিষয়ে ‘অবগত নন’ বলে জানান। অন্যদিকে, সার্ভেয়ার মনিরকে কল করে ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করে দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে বলেন, মনির হোসেনের সম্পদের খোঁজে কর অফিস, রাজউক, ভূমি অফিস, রেজিস্ট্রার অফিস, সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকসহ অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সব নথিপত্র এখনও হাতে পাওয়া যায়নি। তবে, আমাদের গোয়েন্দা অনুসন্ধানে অনেক সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে।

‘আসলে দুদকের মূল অনুসন্ধান হচ্ছে অভিযোগে থাকা সম্পদের সঙ্গে মনির হোসেনের সম্পৃক্ততা খুঁজে বের করা। কারণ, অধিকাংশ সম্পদই তার শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের নামে করা। সেগুলো আসলেই মনিরের কি না, সেটা প্রমাণ করা এবং এরপর মনির হোসেনের অর্থের উৎস জানতে চাওয়া। জবাব যথাযথ না হলে মামলার আসামি হবেন তিনি। মনির ছাড়াও ভূমি অফিসের আরও বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলমান রয়েছে’— জানান ওই কর্মকর্তা।

সার্ভেয়ার মনিরের যত সম্পদ

সার্ভেয়ার মনির হোসেন মূলত ঢাকা জেলা প্রশাসকের এল এ শাখায় থেকে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। অবৈধ অর্থের মাধ্যমে তার নিজ নামে ও স্ত্রীর নামে সম্পদ ক্রয় করলেও পরবর্তীতে শ্যালক, ভায়রা ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নামে একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট, মার্কেট ও দোকান এবং ব্যাংকে টাকা রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সম্পদের বর্ণনায় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মনির হোসেন গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কৃষ্ণপুরে একটি একতলাবিশিষ্ট বিলাসবহুল বাড়ি তৈরি করেছেন। রাজধানীর ডেমরার শান্তিবাগ এলাকায় রোজ গার্ডেন নামের ১০তলা ভবনে নিজ নামে একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে। এমন একটি ফ্ল্যাটে পরিবারসহ বসবাস করছেন তিনি।

ডেমরার হাজি বাদশা মিয়া রোডের ভুট্টো চত্বরের কাছে শর্মা বাড়ির পেছনে গ্রিন কটেজ- ১ নামের ১০তলা ভবনের চতুর্থ ও অষ্টম তলায় সার্ভেয়ার মনিরের স্ত্রী ও ভায়রার নামে ১০৫০ বর্গফুটের দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে। বিষয়টি ওই ভবনের একজন নিরাপত্তাকর্মী নিশ্চিত করেছেন।

একই এলাকায় গ্রিন কটেজ- ২ নামের আরও একটি আটতলা ভবনে মনির হোসেনের নামে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। সেখানে দেড় কোটি টাকা মূল্যের তার পাঁচ কাঠার প্লট রয়েছে। প্লটটি তিনি ২০২২ সালের শুরুর দিকে শ্যালকের নামে কেনেন বলে জানা গেছে।

ওই জমির পাশেই নিজ মালিকানাধীন সাত কাঠার একটি জমিতে ২০টি দোকান নির্মাণ করেছেন মনির। মার্কেটটি ‘সার্ভেয়ার মনির মার্কেট’ হিসেবে পরিচিত। যার বাজার মূল্য দুই কোটি ২০ লাখ টাকা বলে জানা গেছে। এসব সম্পত্তি তিনি স্ত্রী ও শ্যালকের নামে ক্রয় করেছেন।

একই এলাকায় গ্রিন কটেজ- ৩ নামের ১০তলা একটি ভবন নির্মাণাধীন। যার প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়া গ্রিন কটেজ- ৪ ভবনটির পাইলিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে। ভবন দুটিতে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নামে একাধিক ফ্ল্যাটের বুকিং দিয়েছেন মনির

মনিরের অর্জিত স্থাবর এসব সম্পদের অংশীজন হিসেবে আছেন সার্ভেয়ার আফান উল্ল্যা ও সার্ভেয়ার বশির (নারায়ণগঞ্জ)। এছাড়া স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড কোনাপাড়া শাখায় একাধিক হিসাবসহ বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে মনিরের অঢেল টাকা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

অন্যান্য অভিযোগ

সার্ভেয়ার মনিরের বিরুদ্ধে অসদুপায়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতেরও অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, তিনি ঢাকা জেলা ডিসি অফিসের এল এ শাখার একটি সংঘবদ্ধ অসাধু চক্রের সঙ্গে জড়িত। এ চক্রের সহায়তায় বিভিন্ন প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তির ছত্রছায়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ওই চক্রের মূলহোতাদের মধ্যে ঢাকা ডিসি অফিসের বেশ কয়েকজন সার্ভেয়ার ও কানুনগোর নাম রয়েছে।

জানা যায়, তাদের ডিসি অফিস থেকে বদলি করা যায় না। তারা বিভিন্ন এল এ কেসের কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত টাকায় তারা রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক ফ্ল্যাট, বাড়ি, গাড়ি এবং নামে-বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন।

সার্ভেয়ার মনির হোসেন মূলত ঢাকা জেলা প্রশাসকের এল এ শাখায় থেকে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। অবৈধ অর্থের মাধ্যমে তার নিজ নামে ও স্ত্রীর নামে সম্পদ ক্রয় করলেও পরবর্তীতে শ্যালক, ভায়রা ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নামে একাধিক ফ্ল্যাট, প্লট, মার্কেট ও দোকান এবং ব্যাংকে টাকা রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে ।

মনিরের অবৈধ সম্পদের মধ্যে রয়েছে– গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কৃষ্ণপুরে একতলাবিশিষ্ট আলিশান বাড়ি, রাজধানীর শান্তিবাগ এলাকায় ১০তলা রোজ গার্ডেন ভবনে একাধিক ফ্ল্যাট, ডেমরার হাজি বাদশা মিয়া রোডে গ্রিন কটেজ- ১ ও গ্রিন কটেজ- ২-এ তিনটি ফ্ল্যাট, একই এলাকায় দেড় কোটি টাকা মূল্যের পাঁচ কাঠার প্লট, সাত কাঠা জমিতে নির্মিত ২০টি দোকান এবং একই এলাকায় গ্রিন কটেজ- ৩ ও গ্রিন কটেজ- ৪ ভবনে একাধিক ফ্ল্যাটের বুকিং রয়েছে বলে জানা গেছে ।

মনির হোসেনের সম্পদের খোঁজে কর অফিস, রাজউক, ভূমি অফিস, রেজিস্ট্রার অফিস, সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকসহ অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সব নথিপত্র এখনও হাতে পাওয়া যায়নি। তবে, আমাদের গোয়েন্দা অনুসন্ধানে অনেক সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে ।

সূত্র:Dhaka Post এফ এম আবদুর রহমান মাসুম

 

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল বললেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি

বুধবার (১৯ জুলাই) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক‌ শেষে এ ঘোষণা দেন তিনি।‌

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ‘আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ সম্ভব নয়। একই সঙ্গে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ নিয়ে দুটি কমিটি হচ্ছে।

করোনাকালীন শিক্ষাক্রমের ক্ষতি পোষাতে গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল করে শীতের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করা নির্দেশ দেন। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নতুন শিক্ষাক্রমে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির পাঠদান ও মূল্যায়ন শেষ করার নির্দেশ দেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছেন, ‌‘আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা সম্ভব নয়। এছাড়াও মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুলের গ্রীষ্মকালীন ছুটি বাতিল করে শীতের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

বায়ুশক্তি উৎপাদনে ১৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে ডেনমার্ক

বুধবার (১৯ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে ডেনমার্কের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত উইনি ইস্ট্রুপ পিটারসেন এই আগ্রহের কথা জানান।প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূতকে উদ্ধৃত করে বলেন, ‘ডেনমার্ক সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় বায়ুশক্তি উৎপাদনে বাংলাদেশে ১৩০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী।মিডিয়া ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়নে ডেনমার্কের মতো বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সহায়তা কামনা করেন। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সারা দেশে ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করেছে, যেখানে বিদেশি ও দেশি উভয় ধরনের বিনিয়োগ প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও ডেনমার্কের মধ্যে ৫০ বছরের উন্নয়ন অংশীদারিত্বের প্রশংসা করেন।  রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এ সময় শেখ হাসিনা জানান, তার সরকার দেশে দারিদ্র্যের হার অনেকাংশে কমিয়ে এনেছে। দেশে গণতন্ত্রের বিকাশ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্রের জন্য আমরা দীর্ঘ সংগ্রাম করেছি।

ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত বলেন, তার দেশ বিশ্বব্যাপী আইসিটি খাতে ষষ্ঠ বৃহত্তম রফতানিকারক দেশ। এ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের আইসিটি খাতও দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

পিটারসেন বলেন, দুই দেশ মানবউন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমরা সহযোগিতার মাধ্যমে অনেক কিছু অর্জন করেছি।‍‍`

বিদায়ী রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, তিনি বাংলাদেশে ভালো বন্ধুদের সঙ্গে ভালো সময় কাটিয়েছেন। তিনি উন্নয়ন অংশীদারিত্বের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীকে কিছু বই উপহার দেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করছে পাক প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) জাতির উদ্দেশ্য দেওয়া এক টেলিভিশন ভাষণে শাহবাজ শরিফ বলেন, তার সরকারের মেয়াদ ১৪ আগস্ট তারিখে শেষ হবে।

তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেননি যে ১২ আগস্ট তারিখে তিনি ও তার জোট সরকারের শরিকরা স্বাভাবিকভাবে পার্লামেন্ট ভেঙ্গে দিবেন, নাকি দেশটির প্রেসিডেন্টকে তা দ্রুত ভেঙে দেওয়ার পরামর্শ দেবেন।

ভাষণে নিজের দলের অর্জন সম্পর্কে শাহবাজ বলেন, খুব অল্প সময়ের জন্য ক্ষমতা গ্রহণ করেও বিচক্ষণতার সঙ্গে নীতি বাস্তবায়ন করে অর্থনীতিকে আমরা ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছি।

পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ মাসের ক্ষমতায় জোট সরকার রাষ্ট্রকে বাঁচিয়েছে, রাজনীতি নয়।

তিনি বলেন, জোটের দলগুলো কঠিনতম সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশকে খেলাপির হাত থেকে বাঁচাতে তাদের রাজনীতি বিসর্জন দিয়েছে। আমরা সবসময় আমাদের ভোট ব্যাংক নিয়ে চিন্তা না করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানো নিয়ে চিন্তিত ছিলাম।

পাক প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আইএমএফ প্রোগ্রাম অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে সবচেয়ে বড় বাধা ছিল। যা আগের সরকার সবচেয়ে কঠিন শর্তে সম্মত হয়েছিল।

তিনি বলেন, গত সরকার দেশকে খেলাপির দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছিল।

মনে করা হচ্ছে এই মেয়াদে শাহবাজ শরিফের জাতির উদ্দেশে দেওয়া এটাই শেষ ভাষণ। তাই ইমরান খান সরকারের সময়ে নেয়া নানা পদক্ষেপের সমালোচান করেন তিনি। পাশাপাশি এই সরকারকে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবকে।

এদিকে বৃহস্পতিবার পাকিস্তান মোট তিন বিলিয়ন আইএমএফ প্যাকেজের মধ্যে ১.২ বিলিয়ন ডলার হাতে পেয়েছে। গত তিন দিনে দেশটির ব্যাংকগুলোতে বিদেশি তহবিল থেকে মোট ৪.২ বিলিয়ন ডলার সমপরিমান অর্থ এসেছে। এসব বৈদেশিক বিনিয়োগের কারণে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১৩-১৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এরপরই পদত্যাগের ঘোষণা দেন শাহবাজ শরিফ।

ঢাকা-৫: দ্বাদশ নির্বাচনে মাঠ গরম করছেন যেসব নৌকার মাঝি জনমতে এগিয়ে কামরুল ইসলাম রিপন

একপ্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার এলাকার মধ্যে চাঁদাবাজির বিষয়ে আপনি যেটা বললেন সেটা ৮০ ভাগ সত্য। বিভিন্নভাবে, বিভিন্ন উপায়ে চাঁদাবাজি হচ্ছে। বাস-টেম্পো স্টেশন, এটা-সেটা সমানে চাঁদাবাজি হচ্ছে। এটা আমার নিয়ন্ত্রণে নেই। ভ্যান গাড়ি নিয়ে গেলেও নাকি চাঁদা দিতে হয়, সব জায়গায় একই অবস্থা। এসব চাঁদাবাজি কারা করে সেটা আমি জানি না। প্রশাসনকে এ ব্যাপারে শক্ত হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন যদি শক্ত হয় তাহলে আমরা আরও শক্তিশালী হতে পারি।

তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসনকে চিঠি দিয়ে বলেছি, যারা চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে। এমনকি এতে আমার কোনো আত্মীয়-স্বজন জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যাবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছি। এছাড়াও আমি ব্যাক্তিগতভাবে কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্ছারন করে বার ফেসবুকে বলেছি, আমি পুলিশ প্রশাসনকেও বলেছি। আমার কোনো আত্মীয়-স্বজন, আমার ভাই, আমার নিজের ছেলেও যদি করে তাহলেও তাদের ছাড়বেন না। আমার ভাইদের কেউ চেনে না, আমার ছেলেও এগুলোর মধ্যে নেই। আমার ৫টা ভাই, তাদের কেউ চেনে না। কিছু স্বার্থান্বেষী মহল আমার নাম ভাঙিয়ে এগুলো করে। আমি তাদের চিনিও না। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারে একমাত্র পুলিশ প্রশাসন। তাদের হস্তক্ষেপ ছাড়া এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। তবে কাজী মনিরুল ইসলাম মনুর অভিযোগ, কিছু মনোনয়ন প্রত্যাশী দিন দিন নৌকাকে ডুবাতে এবং আওয়ামী লীগের সুনাম নষ্ট করার ষড়যন্ত্রে মাঠে নেমেছেন। তারা নিজেদের বলয় তৈরি করে চাাঁদাবাজি ও জমি দখলের মতো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত রয়েছেন। ওইসব মনোনয়ন প্রত্যাশীরা অপকর্ম করছেন আর আমার নামও ভাঙিয়ে আমাকে বিব্রতকর অবস্থা ফেলে দিচ্ছেন।

 

কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এমপি বলেন, আমার দায়িত্বপালনের ২ বছর তিন মাস চলছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন চিত্র নাগরিকদের সামনে তুলে ধরছি। এলাকার মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার চেষ্টা করছি। জনগণই বলতে পারে আমি কতটুকু খারাপ আর কতটুকু ভালো করেছি। দলের নেতাদের সঙ্গে আমার দূরত্ব বাড়েনি। অনেকে মনে কষ্ট নিয়ে হয়ত বলতে পারেন আমাকে এই দিল না, সেই দিল না। আমরা কী দিতে পারি? দূরত্ব বলতে এমন নয় যে আমি তাদের নিয়ে মিছিল করি না। আমি তাদের নিয়ে মিছিল করি, দলের সকল প্রোগ্রামে যাই। দূরত্ব কীভাবে হলো আমি জানি না। আমি নেতাকর্মীদের সঙ্গে আছি, থাকব।

 

তিনি বলেন, আমাদের এখানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুব ভালো। এখানে কর্মীদের মধ্যে কোনো মারামারি নেই। দলে পক্ষ-বিপক্ষ থাকবে, পৃথিবীর সবখানেই এটা আছে। আমাদের এখানে মারামারি, ধরাধরি, অমুক-তমুক, এটা সেটা, এগুলো নেই। আমার এই দুই থানার নেতাকর্মীদের সঙ্গে অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক আছে।

 

স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যাত্রাবাড়ি থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে যেমরা-যাত্রাবাড়ি থানার তৃণমূল নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত। এতদিন দলের যে সকল নেতাকর্মী ক্ষোভ-অভিমানে নিষ্ক্রীয় ছিল, তারাও এখন আওয়ামী লীগের প্রতিটি সভা ও শান্তি সমাবেশসব দলের সকল কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবি,আগের এমপি মনখোলে কারো সঙ্গে কথাও বলেনি। শুধুমাত্র নির্বাচন আসলে মাঠে নেমেছিল। কিন্তু কাজী মনিরুল ইসলাম মনু এমপি হয়েও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রতিদিন আড্ডা দিচ্ছেন এবং তাদের চাওয়া-পাওয়া এবং মান-অভিমানের কথা শুনে তাৎক্ষনিকভাবে ব্যাবস্থা নিচ্ছেন।

 

ঢাকা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান আলহাজ্ব মশিউর রহমান মোল্লা সজল। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গণসংযোগ শুরু করে দিয়েছি। বিভিন্ন ওয়ার্ডে যাচ্ছি, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলছি। চলার পথে সবার সাথে কুশল বিনিময় করছি। এলাকার মুরব্বীদের সঙ্গে কথা বলছি, তাদের থেকে দোয়া নিচ্ছি। এছাড়া আওয়ামী লীগ বা দল থেকে যেসব নির্দেশনা আসছে সে অনুযায়ী কাজ চলছে।

 

তিনি বলেন, দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় এবং জনগণ যদি আমাকে ভোটে জয়যুক্ত করে, তবে বর্তমানে যে অনিয়মগুলো চলছে তা বন্ধ হয়ে যাবে। এখানে চাঁদাবাজি, মাদক, জমি দখল, অবৈধ বালি ব্যবসার সমস্যা প্রকট। আমি চেষ্টা করব এসব সমস্যা দূর করতে। সবচেয়ে যে বড় বিষয় হচ্ছে, দলীয় শৃঙ্খলা বা চেইন অব কমান্ড। উপনির্বাচনের পর এটি একদমই ভেঙে গেছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো চেইন অব কমান্ড নেই। ঐক্যবদ্ধ হয়ে কেউ কাজ করছে না। বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে কাজ করলেও সেটা নিয়ে আমার কথা নয়। তবে বড় কোনো কর্মসূচিতে ঐক্যবদ্ধ হতে পারছি না। একটা পক্ষ আমরা রাস্তায় থাকছি, আরেকটা পক্ষ রাস্তায় নেই। দ্বাদশ নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন চান স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি কামরুল ইসলাম রিপন।

 

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ আসনের প্রত্যেকের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছি। এই আসনটি হলো ঢাকার এন্ট্রি পয়েন্ট। এখানে জামায়াত-বিএনপির অবস্থানের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলন করে যাচ্ছি।

 

তিনি বলেন, হেফাজত, জামায়াত-বিএনপির সকল কর্মসূচি প্রতিহত করতে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা আমার নেতাকর্মীরা দখলে রেখেছিল, সেটা এখনও দখলেই আছে। যুব সমাজ আমার সঙ্গে কাজ করে। করোনাকালীন সময়ে আমি প্রত্যেক ঘরে ঘরে গিয়েছি। এই ঈদে শেখ হাসিনার নির্দেশে কয়েক হাজার পরিবারকে বিভিন্ন উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছি।

 

আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনর রশিদ মুন্না। তিনি বলেন, ১৯৯০ সাল থেকে ছাত্র রাজনীতি করছি। ৯২ সালে থানা আওয়ামী লীগের প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ৯৮ সালে সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। ২০০৪ সালে কাজী মনু সভাপতি, আমি সাধারণ সম্পাদক (অবিভক্ত ডেমরা), ২০১৬ সালে কাজী মনু সভাপতি আমি সাধারণ সম্পাদক। লড়াই, সংগ্রাম, আন্দোলন, ত্যাগ, পরিশ্রম কম করিনি। ২০০৮ সালে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। দলের প্রেক্ষাপটে আমি মনে করি এবার আমার হক, আমার নেতাকর্মীদের হক। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ একটা বড় দল। ১৫ বছর ধরে ক্ষমতায়, গ্রুপিং থাকবে না, এটা কি হয়? গ্রুপিং অবশ্যই থাকবে।

 

উল্লেখ্য, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪৮, ৪৯, ৫০, ৬০, ৬১, ৬২, ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯ ও ৭০ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ নির্বাচনী এলাকার সংসদীয় আসন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৭১ হাজার ১২৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৬৪ জন আর নারী ভোটার ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৫ জন। এ আসনটি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের জন্য রাজধানীর প্রবেশমুখ হওয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এরআগে ২০২০ সালের ৬ মে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বর্ষীয়ান আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান মোল্লা মৃত্যুবরণ করেন। ওই বছরই উপ-নির্বাচনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু।