উদযাপন হলো আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস ২০২০
আজ ৮ সেপ্টেম্বের ২০২০ আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস। গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শোভাগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে বাংলাদেশ শিক্ষা পর্যবেক্ষক সোসাইটির উদ্যেগে দিবসটি উদযাপন করা হয়। প্রতিপাদ্য: “সুন্দরগঞ্জে উপজেলাকে নিরক্ষরমুক্ত করাই আমাদের অঙ্গিকার” শীর্ষক এক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষা পর্যবেক্ষক সোসাইটির চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ এম. শরিফুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন মো: জাহাঙ্গীর আলম, প্রধান শিক্ষক, শোভাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক ইউ.পি চেয়ারম্যান মো: জিয়াউল হক, কবি শহিদুর রহমান, মো: আফসার আলী, ডা. হায়দার আলী, মনি ভূষণ দাস, প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মো: মুন্না খান। সার্বিক সহযোহিতায় অধ্যক্ষ মোছা: মুবিনা হামিদ। আহ্বায়ক শ্যামল কুমার দাস।
নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম ফতুল্লার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ তিতাসের আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ সোমবার তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বরখাস্ত হওয়া চার কর্মকর্তা হলেন- ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, উপব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান রাব্বী, সহকারী প্রকৌশলী এস এম হাসান শাহরিয়ার এবং প্রকৌশলী মানিক মিয়া। চার কর্মচারী হলেন- সিনিয়র সুপারভাইজার মো. মনিবুর রহমান চৌধুরী, সিনিয়র উন্নয়নকারী মো. আইউব আলী, সাহায্যকারী মো. হানিফ মিয়া এবং প্রকর্মী মো. ইসমাঈল প্রধান।
তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আলী মো. আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, এই আটজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এবং কেন স্থায়ী বরখাস্ত করা হবে না তার জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। উপযুক্ত জবাব না দিতে পারলে তাদেরকে স্থায়ী বরখাস্ত করা হবে।
বিস্ফোরণের পর থেকেই তিতাস গ্যাসের লাইনের ছিদ্র থেকে বের হওয়া গ্যাসের কারণে বিস্ফোরণটি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী বলছেন মসজিদে আগেই গ্যাসের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিলো। মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল গফুর দাবি করেছেন, তারা তিতাস গ্যাসকে ছিদ্র ঠিক করে দেওয়ার জন্য বলেছিলেন। কিন্তু এ জন্য তাদের কাছে ৫০ হাজার টাকা চেয়েছিলেন তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তারা। টাকার সঙ্কটের কারণে তারা তা দিতে পারেননি। এ কারণে গ্যাস লাইনও ঠিক করে দেওয়া হয়নি।



করোনাভাইরাস জনিত লকডাউনের পরিস্থিতিতে টানা ১১৬ দিন ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও আশেপাশের এলাকার ছিন্নমূল ৫০০ থেকে ক্রমান্বয়ে ১০০০ মানুষের খাবার জোগানোর ভার নিয়েছিলেন সৈকত। এই কার্যক্রমের ইতি টেনে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে ছুটে গেছিলেন বিভিন্ন এলাকায়। তাঁর এই সেবা কার্যক্রম পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন পেশাজীবি আর্থিক সহয়তা করেছেন।


