লক্ষ্মীপুরের নতুন জেলা প্রশাসক মোঃ আনোয়ার হোসেন আকন্দ

বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম আপন দুই ভাইয়ের দুটি জেলার প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার ঘটনা। বড় ভাই কামরুল হাসান হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক, তার পরের জন আনোয়ার হোসেন লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক।এক ভাই রাজধানীর নিউরো সায়েন্স ইন্সটিটিউটের সহকারী রেজিস্ট্রার (বিসিএস ২৮তম ব্যাচ)। এক বোন মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (এএসপি) দায়িত্বে আছেন (বিসিএস-৩১তম ব্যাচ)। আরো দুইজন বিসিএসের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক।তাঁদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ সদরে। জেলা প্রশাসকদ্বয়ের বাবার নাম কাশেম আলী। তিনি প্রথম জীবনে শিক্ষক ও পরবর্তীতে রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার ছিলেন। মায়ের নাম সাজেদা খাতুন (রত্নগর্ভা)। তাঁরা ৫ ভাই ও ৪ বোন। তাদের মধ্যে ৬ জনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। ভাই-বোনদের মধ্যে চারজনই সরকারি কর্মকর্তা (বিসিএস ক্যাডার)।দেশের ১১টি জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। নতুন নিয়োগ পাওয়াদের মধ্যে মোঃ আনোয়ার হোছাইন আকন্দ স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপ সচিব থেকে পদোন্নতি পেয়ে লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক হয়েছেন। তার আপন বড় ভাই মোহাম্মদ কামরুল হাসানও হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত আছেন।বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) এক প্রজ্ঞাপনে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে উপসচিব পদমর্যাদার ১১ জন কর্মকর্তাকে পদায়ন করে আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক হিসেবে আনোয়ার হোছাইন আকন্দের নামও রয়েছে। বিসিএস-২২ ব্যাচের এই কর্মকর্তা সর্বশেষ স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপ সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

নাইজেরিয়ায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বোকো হারামের থেকে মুক্ত হলো ৩ শতাধিক ছাত্র

নাইজেরিয়ায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বোকো হারামের হাতে অপহৃত তিন শতাধিক শিক্ষার্থী বাসে করে ক্যাটসিনা রাজ্যের কেন্দ্রীয় শহরে পৌঁছেছে। সরকারি কর্মকর্তারা তিন শতাধিক শিক্ষার্থীকে মুক্ত করার খবর দিলেও এটা নিশ্চিত করতে পারেনি যে, গোষ্ঠীটির হাতে এখনো কোনো শিক্ষার্থী আটক আছে কি না। শুক্রবার স্থানীয় মিডিয়ার ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত এসব শিশু খালি পায়ে বাস থেকে নেমে আসছে। গত মঙ্গলবারও অন্তত ১৭ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছিল। সে দিনের উদ্ধার অভিযানকালে দুই শিক্ষার্থী মারা যায়।

গত শুক্রবার রাতে ক্যাটসিনা রাজ্যের ক্যানকারা এলাকার গভর্নমেন্ট সায়েন্স সেকেন্ডারি স্কুল নামে ওই বিদ্যালয়ে অতর্কিতে হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। এরপর কয়েকশ’ ছাত্রকে গুলির ভয় দেখিয়ে পার্শ্ববর্তী রুগু জঙ্গলে নিয়ে যায়।সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বোকো হারাম এ ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। এর আগে ২০১৪ সালে অনুরূপ একটি ঘটনায় এই গোষ্ঠী ২৭৬ জন স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করেছিল।বৃহস্পতিবার বোকো হারামের প্রকাশ করা একটি ভিডিও বার্তায় অপহৃত এক শিক্ষার্থীকে বলতে শোনা যায়, ৫২০ জন শিক্ষার্থীকে অপহরণ করা হয়েছে।ক্যাটসিনা রাজ্যের গভর্নর আমিনু বেল্লো মাসারি বলেন, ৩৪৪ জন শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ফিরিয়ে দেওয়ার আগে উদ্ধার শিক্ষার্থীদের যথাযথ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে। নাইজেরিয়ার সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বোকো হারাম প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বিরোধী।

দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে: খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ইউনিয়নে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ করা হবে। এবং কেউ ভাস্কর্য ভাঙ্গার উদ্দেশে হাত দিলে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।শুক্রবার বিকালে নওগাঁর মহাদেবপুরে জাহাঙ্গীরপুর মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, কেন পুলিশ বা সিসি ক্যামেরা দিয়ে ভাস্কর্য পাহারা দিতে হবে। এজন্য আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা আছে তারাই ভাস্কর্য পাহারা দেবেন। দেশে উগ্রবাদী গোষ্ঠী আবারও মাথা চাড়া দেয়ার চেষ্টা করছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়েছে তাদের সম্মানের জন্য প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রসায় বাধ্যতামূলকভাবে শহীদ মিনার তৈরি করা হবে। আমারা যদি সকলে একত্রিত থাকি কারও ক্ষমতা নেই এসব শহীদ মিনার ও ভাস্কর্য ভাঙ্গার। ছাত্রলীগের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত হয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের গড়ে উঠতে হবে। ছাত্রলীগে কোন মাদকাসক্ত, মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজের স্থান হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন মন্ত্রী।

সম্মেলনে উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মঞ্জুর মোর্শেদের সভাপতিত্বে এসময় সংসদ সদস্য শহিদুজ্জামান সরকার ও ছলিম উদ্দিন তরফদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব ভোদন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আপেল মাহমুদ, নওগাঁ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির রহমান রেজভী, সাধারণ সম্পাদক আমানুজ্জামান শিউল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মুজিব বর্ষের সময় বাড়ল আগামী বছরের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপনের জন্য ঘোষিত মুজিব বর্ষের সময় আগামী বছরের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ বিষয়ে গত সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপনের লক্ষ্যে সরকার চলতি বছরের ১৭ মার্চ থেকে আগামী বছরের ২৬ মার্চ সময়কে মুজিব বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারির কারণে মুজিব বর্ষের জন্য নেওয়া কর্মসূচিগুলো নির্ধারিত সময়ে যথাযথভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে সরকার মুজিব বর্ষের সময় আগামী বছরের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বর্ধিত ঘোষণা করল।

অন্যদিকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বর্ণাঢ্য ও যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে উদ্‌যাপনের জন্য একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হককে আহ্বায়ক করে ৯ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়েও ১৪ ডিসেম্বর পৃথক গেজেট জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।বিজ্ঞাপন কমিটির সদস্যরা হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এবং সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

এ ছাড়া কমিটিতে সহায়তাকারী হিসেবে রাখা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিব, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং ১১ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবকে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।

এই কমিটি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপনের কর্মসূচি প্রণয়নে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা গ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুত করা জাতীয় কর্মসূচি পর্যালোচনা, সংযোজন বা বিয়োজন এবং মাঠপর্যায়ে উদ্ভূত সমস্যা চিহ্নিত করে তার সমাধানের দিকনির্দেশনা দেবে। এ ছাড়া কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের বিষয়েও সুপারিশ করবে এই কমিটি।

ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে কেউ কেউ কথা ওঠানোর চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। বাংলাদেশে সব ধর্মের মানুষ সমান সুযোগ নিয়ে চলবে। সব ধর্মের মানুষ এক হয়ে মুক্তিযুদ্ধে রক্ত ঢেলে দিয়ে এ দেশ স্বাধীন করেছে। কাজেই এ দেশের মাটিতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার নিয়েই বসবাস করবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই মাটিতে হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ সব ধর্ম আছে। অর্থাৎ আমরা এখন মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ আছি বলে অন্য ধর্মাবলম্বী যারা, তাদের অবহেলার চোখে দেখবো, তা নয়। মনে রাখতে হবে, সকলে এক হয়ে মুক্তিযুদ্ধে একইসঙ্গে রক্ত ঢেলে দিয়ে এ দেশ স্বাধীন করেছে। কাজেই এ দেশের মাটিতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমান অধিকার নিয়েই বাস করবে। যার যার ধর্ম পালনের স্বাধীনতা তার থাকবে এবং সেই চেতনায় আমরা বিশ্বাস করি। ইসলাম আমাদের সেই শিক্ষাই দিয়ে থাকে। নবী করিমও (সা.) আমাদের সেই শিক্ষাই দিয়ে গেছেন।’তিনি আরও বলেন, ‘ঠিক বিজয়ের প্রাক্কালে আমাদের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছিল। ঠিক যখন যুদ্ধটা শুরু, তারপর থেকে এই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা শুরু হয়। ৮ ও ৯ ডিসেম্বর থেকে তারা শুরু করেছিল এবং ১৪ তারিখ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করি।’

বাবা-মাসহ সব ভাইদের হারানোর কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি জানি হারানোর বেদনা কত কঠিন। অনেকে তো লাশও পাননি। আবার ৭৫-এর পর জাতির পিতাকে শুধু হত্যা করেনি, আমাদের আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের বহু নেতাকর্মীকেও নির্মমভাবে হত্যা করেছে। অনেকের লাশও পাওয়া যায়নি। এই নির্যাতন তো চলছে। অগ্নিসন্ত্রাস থেকে শুরু করে নানাভাবে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, সবকিছু আমরা দেখেছি।প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। অপর প্রান্তে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ড. আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, কেন্দ্রীয় নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফীসহ দলীয় নেতারা বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে দলীয় কার্যালয় থেকে বক্তব্য রাখেন। এ সময় দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারাও কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন।

শাহ জকি উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাএছাএী সমন্বয় ফোরামের উদ্যেগে আলোচনা, শীতবস্ত্র বিতরন ও চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান অনুষ্ঠান, প্রধান অতিথি, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব (অবঃ) বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃকায়কোবাদ স্যার

ঐতিহ্যবাহী শাহ জকি উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাএছাএী সমন্বয় ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত মহান বিজয় দিবসের আলোচনা, শীতবস্ত্র বিতরন ও বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান অনুষ্ঠান প্রধান অতিথি, গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব (অবঃ), বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃকায়কোবাদ, বিশেষ অতিথি তাপ্তি চাকমা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার,রামগঞ্জ, বিশেষ অতিথি, মোঃহেদায়েত হোসেন, আহবায়ক, লক্ষীপুর জেলা উন্নয়ন বাস্তবায়ন পরিষদ সহ বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর নবী খোকন, বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুল অএ বিদ্যালয়েরপ্রধান শিক্ষক মনির হোসেন সহ সকল শিক্ষক বৃন্দ,
ম্যানেজিং কমিটির প্রাক্তন সভাপতি ও সদস্যগন আমিন পাটোয়ারী, অএ বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎসাহী সদস্য মো তছলিম হোসেন শ্যামপুর বাজার সভাপতি মো বাসু, মোতালেব কনট্রাকটর, অএ শাহজকি উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের ছাএছাএী সমন্বয় ফোরামের প্রতিষ্ঠার অন্যতম সদস্য সাবেক মেধাবী ছাএ কাজী গোলাম রসুল, আঃরাজজাক সময় মুরাদ, মো জকি উদ্দিন সবুজ, আবু জাফর রানা, সমন্বয় ফোরামের প্রচার সম্পাদক, মো ফরিদ পাটোয়ারী, দপ্তর সম্পাদক মো ফরিদ হোসেন , কামাল হোসেন জুয়েল, মো জুয়েল হোসেন মো ইউসুফ, মো শাহাদাৎ হোসেন আসিফ সহ আরো অনেকেই

2020 দুর্যোগ করোনা, করোনার আরেকটির নাম আওয়ামী লীগ: রিজভী

শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।এসময় তিনি বলেন, সরকার জবরদস্তিমূলকভাবে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করে যতই নিজেদের সাফল্যগাঁথা প্রচার করুক, জনগণ এসব বিশ্বাস করে না। জনগণ অবশ্যই এই সরকারের পতন ঘটানোর জন্য ঘুরে দাঁড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

রিজভী বলেন, আদালত কিংবা নির্বাচন কমিশন সব সরকারের আজ্ঞাবহ হওয়ার পরও প্রতিদিন কেন বিএনপির বিরুদ্ধে বলতে হচ্ছে? কেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাতে হচ্ছে? কেন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলছে অব্যাহত ষড়যন্ত্র? কেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চলছে প্রতিনিয়ত কুৎসা রটানো? কারণ স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র অর্জনে বিএনপির যে অবদান আছে, সেটি আওয়ামী লীগের নেই।

আওয়ামী লীগকে ভয়াবহ দুর্যোগ উল্লেখ্য করে রিজভী বলেন, দেশে দুইটা ভয়াবহ দুর্যোগ চলছে, একটা হচ্ছে আওয়ামী দুর্যোগ, আরেকটা হচ্ছে করোনা দুর্যোগ। এই দুই মহাদুর্যোগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ অতিক্রম করছে এক অকল্পনীয় ক্রান্তিকাল। তবে এই সরকার বেশিদিন টিকে থাকবে না। জবরদস্তি করে জনগণের ঘাড়ে চেপে বসে থাকার দিন শেষ হবে অচিরেই।এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন প্রমুখ।

জামায়াতের আরেক রূপ হেফাজত: নিক্সন চৌধুরী

আজ (শনিবার) বিকালে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে প্রজন্ম চত্বরে ‘গৌরব৭১’ আয়োজিত জাগরণ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।নিক্সন চৌধুরী বলেন, মৌলবাদী শক্তিকে রুখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এছাড়া সারাদেশে মাদরাসাগুলোতে ছাত্রলীগের কমিটি এবং মাদরাসা পরিচালনা কমিটিতে জনপ্রতিনিধিদের রাখার দাবি জানিয়েছেন এই সংসদ সদস্য।

তিনি বলেন, এটা শুধু বাংলাদেশের প্রতিবাদ নয়, এটা পাকিস্তানের পরাজিত শক্তির হাত রয়েছে। আমি একটি কথা বলতে পারি, আমরা স্বাধীনতার নতুন প্রজন্ম নেমেছি মৌলবাদীর বিরুদ্ধে। আজকে আমাদের এই প্রজন্মের সময় এসেছে মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামার। আমরা ৯ মাস নয় ছয় মাসের মধ্যে জয় ছিনিয়ে আনবো।

যুবলীগের এই প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, মাদরাসায় ছোট ছোট শিশুদের ভর্তি করা হয় ইসলাম সম্পর্কে জানার জন্য। কিন্তু তাদের ব্যবহার করে মামুনুলরা। আমি সরকারকে অনুরোধ করবো দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এমনকি গ্রাম পর্যায়ের মাদরাসাগুলোতে ছাত্রলীগের কমিটি করে দেন এবং কমিটিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে স্থান দেন। তারা দেখবে কীভাবে মাদরাসাগুলোতে এত টাকা আসে। কীভাবে তারা টাকা পায় এবং বিদেশি অর্থ, পাকিস্তানি অর্থ কীভাবে আসে। আমরা বার বার আন্দোলনের উদ্যোগ নিই, কিন্তু থেমে যাই। এবার আমরা বাংলাদেশকে মৌলবাদীমুক্ত করে ছাড়বো।

সাবেক আইজিপি শহীদুল হক বলেন, হেফাজতে ইসলাম, আপনাদের ইসলাম হেফাজত করার দায়িত্ব কে দিয়েছে? ধর্মের ব্যবসার নামে তারা দেশে জঙ্গিবাদ ছড়িয়ে দিয়েছে। দেশে তাণ্ডব করেছে। সাবেক এই আইজিপি আরো বলেন, হেফাজতের সাথে কিসের কম্প্রোমাইজ? তারা কি চেঞ্জ হবে? না তারা চেঞ্জ হবে না, তাদেরকে আইনের মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হবে। এই অশুভ শক্তির সঙ্গে কোনো সমঝোতা করা যাবে না।

জাগরণ সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, ডা. নুজহাত চৌধুরী, যুব মহিলা লীগের সহ-সভাপতি কোহেলী কুদ্দুস মুক্তি।এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সমাবেশে যোগ দেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গৌরব’ ৭১ এর সভাপতি এস এম মনিরুল ইসলাম মনি। সভা সঞ্চলনা করেন সংগঠনের সভাপতি এফ এম শাহীন।

বাবার জন্মদিনে সংবর্ধনাপেলেন যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সাবেক মন্ত্রী মহসীন আলী কন্যা সৈয়দা সানজিদা শারমিন

শনিবার (১২ ডিসেম্বর) বিকেলে জেলা শহরের সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সাবেক মন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলীর জন্ম বার্ষিকী পালন এবং তাঁর কন্যার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী মৌলভীবাজার।
মৌলভীবাজার-৩ আসনের সাবেক এমপি ও সমাজকল্যান মন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলীর ৭২ তম জন্ম বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। একইদিন কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা নির্বাচিত হওয়ায় মহসীন আলী কন্যা সৈয়দা সানজিদা শারমিনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

এদিন অনুষ্ঠানে যুবলীগ নেতা ও তরুণ আইনজীবী এডভোকেট গৌছ উদ্দিন নিক্সনের সঞ্চলনায় সভাপতিত্ব করেন আমতৈল ইউনিয়নের সাবেক ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সুজিত দাশ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মুহিবুর রহমান তরফদার।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছাড়াও এদিন বক্তব্য রাখেন, সংবর্ধিত সৈয়দা সানজিদা শারমিন, জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মাসুদ আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক আবু সুফিয়ান, কনকপুর ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউর রহমান চৌধুরী, কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহমদ চৌধুরী, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাকারিয়া, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম ও রাজনগর উপজেলা ছাত্রলীগের আব্দুল্লাহ আল মামুন শাম্মুসহ আরও অনেকে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন জানুয়ারির প্রথম দিকেই ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ

২০২১ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকেই ভারতের সিরাম ইন্সটিটিউটের মাধ্যমে অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রোজেনিকা টিকা আমদানি করা হবে। এই টিকা আনার জন্য অনেক আগেই চুক্তি করেছে সরকার। বিশ্বের অনেক দেশেরই চুক্তি না থাকায় টিকা নিতে বিলম্ব হবে। কিন্তু আমাদের দেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের ফলে এবং দ্রুত অর্থনৈতিক যোগান দেয়ায় বিশ্বের অনেক দেশের আগেই টিকা চলে আসছে বাংলাদেশে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালী বিসিপিএস ভবনে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২০ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও বাংলাদেশকে কিছু টিকা দেবে। সেগুলোও সরকার সময় মতো হাতে পেয়ে যাবে। আশা করা হচ্ছে, এই টিকাগুলো থেকে ক্রমান্বয়ে দেশের প্রায় ২৭ ভাগ মানুষ টিকা পাবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী টিকাদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নানা সাফল্যের চিত্র তুলে ধরেন। সঠিক নিয়মে ও দক্ষতার সঙ্গে টিকা দেয়ার ফলে হাম-রুবেলা, পোলিওসহ ১০ প্রকারের কঠিন সংক্রমণ ব্যাধি দেশ থেকে নির্মূলের পথে রয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান। স্বাস্থ্যখাতের সফলতায় দেশের প্রায় ৯০ ভাগ শিশুকে টিকা দেয়া সম্ভব হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

টিকাদান কর্মসূচি প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে বেশ কয়েকবার দেশব্যাপী হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন পরিচালিত হওয়া সত্ত্বেও বিগত কয়েক বছরে দেশে হাম ও রুবেলা রোগের প্রকোপ ও আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তোরণকল্পে এবং ২০২৩ সাল নাগাদ দেশ থেকে হাম-রুবেলা দূরীকরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের নিমিত্তে সরকার ১২ ডিসেম্বর থেকে আগামী ২৪ জানুয়ারি সারা দেশে আরও একটি হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে যাচ্ছে। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় দেশব্যাপী ৯ মাস থেকে ১০ বছরের নিচের প্রায় ৩ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে এক ডোজ এমআর টিকা প্রদান করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল মান্নান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের এমএনসিঅ্যান্ডএইচ অপারেশনাল প্ল্যানের লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. শামসুল হক, স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাম্প্রতিক টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. মওলা বকস চৌধুরী, ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি তমু হজুমি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশের প্রতিনিধি ড. ভুপিন্দর কাউল প্রমুখ।