টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন মাশরাফি

টাইগার তারকা সাকিব আল হাসানের মন্তব্যে এর মধ্যে বেসামাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সেই চাপ কাটিয়ে ওঠার আগেই এবার মঞ্চে হাজির হলেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সফলতম সাবেক এই অধিনায়ক এবার মুখ খুললেন টি-টোয়েন্টি থেকে তার অবসর নেওয়ার প্রসঙ্গেও।

কলম্বোতে ২০১৭ সালের ৬ এপ্রিল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে টস করতে যান অধিনায়ক মাশরাফি। কিছুক্ষণেই টস ছাপিয়ে আলোচনায় কেবল মাশরাফি। ততক্ষণে ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটকে বিদায় বলে দিয়েছেন তিনি। শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা।

এরপর অনেক সময়ে পেরিয়ে গেলেও এ নিয়ে কথা বলেননি মাশরাফি। অবশেষে এ নিয়ে মুখ খুলেছেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সম্প্রতি মাশরাফি জানান, টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর তাঁকে নিতে হয়েছে। তবে বিস্তারিত তিনি কিছু বলেননি।

মাশরাফি বলেন, ‘ওইখানে আমাকে করতেই হতো, এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে আমাকে করতেই হতো (অবসর)। নিতে হয়েছে, বিস্তারিত বলতে যাব না। আমি কার থেকে সহযোগিতা পেয়েছি আমার সময়ে? ২০১১ বিশ্বকাপে ইনজুরিতে পড়ে ডাক্তার ছাড়পত্র দেওয়ার পরও আমাকে দলে নেওয়া হয়নি। ২০১৭ সালে যখন অবসরে গেলাম, তখন আমার পাশে কেউ ছিল না দেশের মানুষ ছাড়া’।

শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়ে তড়িঘড়ি করে মাশরাফির সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিসিবির কর্তারা। তখনও তার গায়ে ছিল ট্রাভেলকিট। এ নিয়ে অভিজ্ঞ এই পেসার বলেন, ‘আমি যখন শ্রীলঙ্কায় পা রেখে হোটেলে যাই, তখন ট্রাভেল স্যুটও খুলিনি। তখনই নিচে আমার সঙ্গে বৈঠকে বসে। ওই বৈঠকের পরই আমি ভাবি যে, কিছু একটা গোলমাল আছে। আমি সব সময় বলে আসতাম আমর সিদ্ধান্তগুলো কিন্তু হুট করেই হবে। আমি যখন বুঝতে পেরেছি সবার বিপরীতে থাকার প্রয়োজন নেই, তখন সিদ্ধান্ত নিয়েছি’।

ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বিমান বন্দরে লাল গালিচা সংবর্ধনা

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং দু’দিনের সরকারি সফরে আজ সকালে এখানে পৌঁছালে তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভুটানের রাজার বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে ডা. লোটে শেরিং বাংলাদেশ সফরে আসেন। ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে ভুটানিজ এয়ারলাইন্স ড্রাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইট আজ সকাল সাড়ে ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।বাংলাদেশে ১০ দিনব্যাপী স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসা বিশ্ব নেতাদের মধ্যে চতুর্থ হলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফুলের তোড়া দিয়ে বিমানবন্দরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এসময় রাষ্ট্রীয় অতিথিকে স্বাগত জানাতে ২১ বার গান স্যালুট দেয়া হয়।

বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর একটি চৌকস দল ভূটানের প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।
শেখ হাসিনা ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং অস্থায়ীভাবে বানানো মঞ্চে অবস্থান করে রাষ্ট্রীয় সম্মান উপভোগ করেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট দেশের জাতীয় সংঙ্গীত বাজানো হয়।রাষ্ট্রীয় অতিথি প্যারেড পরিদর্শন করেন। এর পরপরই উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট দেশের প্রতিনিধিদের পরস্পরকে পরিচয় করে দেন।এ সময় অন্যান্যের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ মন্ত্রি পরিষদ সদস্যবৃন্দ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব ও তিনবাহিনীর প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।বিমানবন্দর থেকে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে যাবেন এবং সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাবেন।
শেরিং স্মৃতিসৌধে রাখা পরিদর্শক বইয়ে স্বাক্ষর করবেন এবং স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করবেন।
২০১৯ সালের ১২ এপ্রিল তার রোপণ করা মিমুসোপস ইলাঙ্গি ভ্যারিগাতা চারাগাছটিও তিনি পরিদর্শন করবেন।
পরে, তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘরে যাবেন।
তিনি স্মৃতি যাদুঘর ঘুরে দেখবেন এবং সেখানে রাখা পরিদর্শক বইয়ে স্বাক্ষর করবেন।
পরে, তার বিমসটেক সেক্রেটারি জেনারেলের বাসভবনে সেক্রেটারি জেনারেল ও ডিরেক্টরদের সাথে বৈঠক করার কথা রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন হোটেলের প্রেসিডেন্টশিয়াল স্যুটে শেরিংয়ের সাথে সাক্ষাৎ করবেন। তার এ সফরকালে সেখানে তিনি অবস্থান করবেন।
সন্ধ্যায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সম্মানে ভোজসভার আয়োজন করবেন।
বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে শেরিংয়ের সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পর তিনি সেখানে পরিদর্শক বইয়ে স্বাক্ষর করবেন।
হোটেল স্যুটে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ভিনসেন্ট চাং এবং শেখ হাসিনা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির ডা. মো. মামুন খানের সঙ্গে পৃথকভাবে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। তিনি সেখানে রাখা পরিদর্শক বইয়ে স্বাক্ষর করবেন।
বিকেলে শেরিং সম্মানিত অতিথি হিসেবে ন্যাশনাল প্যারেড স্কয়ারের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে স্বাগত জানাবেন।
‘দি ইটারনাল মুজিব’ থিম নিয়ে ২০২১ সালের ১৭ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ১০দিনব্যাপী এ উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সর্বশেষ বিশ্বনেতা হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ২৬ মার্চ এখানে পৌঁছাবেন এবং ২৭ মার্চ ঢাকা ত্যাগ করবেন।
এর আগে, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মাদ সোলিহ ও তার স্ত্রী ফাজনা আহমেদ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং নেপালের প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবি ভান্ডারি ষষ্ঠ দিনের সম্মানিত অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

লক্ষ্মীপুরে জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় হানিফ বললেন ভারতের সাথে আমাদের রক্তের সম্পর্ক

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, ভারতের সাথে আমাদের আত্মার শুধু নয় রক্তের সম্পর্ক। আমাদের প্রিয়ত প্রতিবেশি। তাদের সাথে আমাদের সম্পর্ক নষ্ট করার কোন প্রয়োজন নেই। সমস্যা থাকতে পারে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে। কিন্তু একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রিয় সফরে আসবে অতিথি হিসেবে তার বিরুদ্ধে কটুক্তি করা তাকে আসতে দেয়া হবে না এটা কোন শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না। এটা কোন রাজনীতির মধ্যে পড়ে না।মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। শহরের ওয়েলকাম চাইনিজ রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগ এ আয়োজন করেন। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসার কথা। পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা হঠাৎ নতুন করে সুর তুলছে- তারা নাকি নরেন্দ্র মোদিকে আসতে দিতে চায় না। আপনারা সিদ্ধান্ত নেওয়ার কে ? রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে যিনি আসবেন, দেশের প্রত্যেকটি মানুষের দায়িত্ব তাকে সম্মান করা। পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে নীতি হিসেবে জাতির পিতা ঘোষণা করে গেছেন। এজন্য সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক গড়ে তোলা আমাদের দায়িত্ব। তবে কোন দেশের সঙ্গে সমস্যা থাকলে তা দ্বিপাক্ষিক সিদ্ধান্তে সমাধান করা হবে।জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলি, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশিদ।এসময় উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, আওয়ামী লীগ নেতা এমএ তাহের, এম আলাউদ্দিন, সফিকুল ইসলাম, মিজানুর রহিম, একেএম নুরুল আমিন, সফিক মাহমুদ পিন্টু, মামুনুর রশিদ, ইসমাইল খোকন, কাজী জামশেদ কবির বাকি বিল্লাহ, আবুল কাশেম চৌধুরী, ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ও একেএম সালাহ উদ্দিন টিপুসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতারা। ১১ এপ্রিল লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে নৌকার প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বি করবেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ফায়িজ উল্যাহ শিপন ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের ঢাকা মহানগরের আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ।

বর্ধিত সভায় কাঁদলেন নয়ন, বললেন আওয়ামী লীগের ঋণ শ্রম দিয়ে শোধ করবো,

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন অবশ্যই সম্মানের। সেই সম্মান আমাকে যতটুকু আপা (শেখ হাসিনা) দিয়েছেন আমি জানি না, আমি কতটুকু উপযুক্ত। তবে আমার জীবন দিয়ে চেষ্টা করবো আপনাদের এ সম্মানের মর্যাদা দেয়ার জন্য।মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভায় এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন এসব কথা বলেন। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। শহরের ওয়েলকাম চাইনিজ রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগ এ আয়োজন করেন। তিনি বলেন, আমি কর্মীদের কাছে এমন সহযোগীতার আশ্বাস পেয়েছি যেটি আমার মত এত ছোট কর্মীর জন্য অনেক বড় পাওয়া। আমি চেষ্টা করবো সেই ঋণ শ্রম দিয়ে শোধ করার জন্য। এ কথা বলেই কাঁদলেন এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলি, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হারুনুর রশিদ।এসময় উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, আওয়ামী লীগ নেতা এমএ তাহের, এম আলাউদ্দিন, সফিকুল ইসলাম, শামছুল ইসলাম পাটওয়ারী, আবুল খায়ের পাটওয়ারী, মেজবাহ উদ্দিন মেজু, মিজানুর রহিম, মোজাম্মেল হায়দার মাছুম ভূঁইয়া, এম এ মমিন পাটওয়ারী, একেএম নুরুল আমিন, সফিক মাহমুদ পিন্টু, মামুনুর রশিদ, ইসমাইল খোকন, কাজী জামশেদ কবির বাকি বিল্লাহ, আবুল কাশেম চৌধুরী, ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ও একেএম সালাহ উদ্দিন টিপুসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতারা। ১১ এপ্রিল লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের উপ-নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়া হয়েছে জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নকে। হারুনুর রশিদসহ দলের ১৯ জন মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।নয়নের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বি করবেন জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য ফায়িজ উল্যাহ শিপন ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের ঢাকা মহানগরের আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ। যদিও নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিচ্ছে না।

এফবিসিসিআই এর নির্বাচন বোর্ড কর্তৃক জেনারেল মেম্বার হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন মোঃ নুরুল আমিন

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠবাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)এর নির্বাচন বোর্ড কর্তৃক জেনারেল মেম্বার হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ায় বশিকপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান এবং নোয়াখালী পেপার মার্চেন্ট বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ এর সাবেক সভাপতি ও #নূহা_ফাউন্ডেশন এর সম্মানিত সভাপতি, বিশিষ্ট কাগজ ব্যবসায়ী জনাব, মোঃ নুরুল আমিন কে খিদমাহ্ লক্ষ্মীপুর টিভির পক্ষে থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনেই বিয়ে, নজরদারিতে ঘাটতি

সিলেটে দীর্ঘদিন থেকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের নামে ‘তামাশা’ চলছে। জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত কয়েকটি প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে টাকার বিনিময়ে দেওয়া হচ্ছে অবৈধ সুবিধা। সেই সাথে উপেক্ষিত হচ্ছে সরকারি নির্দেশনা। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যথাযথ তদারকির অভাবে এমন কর্মকাণ্ড চলছে। গত দুই দিন আগে সিলেটের ব্রিটেনিয়া হোটেল থেকে ৯ জন পালিয়ে যাওয়া ও লা ভিস্তা হোটেলে বিয়ের আয়োজন নিয়ে সিলেটে তোলাপড় চলছে। এমনকি সিলেটে কোয়ারেন্টাইনে থাকাবস্থায় প্রবাসীদের কেনাকাটাসহ স্বজনদের সাথে ঘুরে বেড়াতেও দেখা গেছে।প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরেও সরকারের দেওয়া নির্দেশনা না মেনে প্রবাসীদের সাথে নিয়মিত দেখা করছেন আত্মীয়স্বজনরা। প্রবাসীদের এসব অবৈধ সুযোগ দিয়ে মোটা অংকের টাকা নিচ্ছেন হোটেলে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কতিপয় পুলিশ সদস্য ও হোটেলের কর্মকর্তারা। সিলেটের দুটি ঘটনার পর অন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের জন্য কঠোর হচ্ছে জেলা প্রশাসন। লা ভিস্তা হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরেও বিয়ের আয়োজন করার সত্যতা পেয়েছে জেলা প্রশাসন।
সিলেট জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার শাম্মা লাবিবা অর্ণব বলেছেন, সরকারের নির্দেশনা না মানায় ইতোমধ্যে হোটেল ব্রিটেনিয়ার সাথে জেলা প্রশাসনের যে চুক্তি ছিল তা বাতিল করা হয়েছে। সেই সাথে লামাবাজারের লা ভিস্তা হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় লন্ডন প্রবাসী এক যুবক বিয়ে করেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে, গত ২১ মার্চ আম্বরখানার হোটেল ব্রিটেনিয়া থেকে ৯জন লন্ডন প্রবাসী রহস্যজনকভাবে সিলেটের জকিগঞ্জে চলে যান। সেখানে দুপুরের খাবারের পর তারা দীর্ঘসময় অবস্থান করেন। এরপর বিকাল পর্যন্ত হোটেলে না ফেরায় কর্তৃপক্ষের মধ্যে দেখা দেয় আতঙ্ক। পরে পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপে ৯জন প্রবাসী রাত ৮টার দিকে হোটেলে আসেন। এরপর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৬ জনকে ১৮ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ ঘটনায় সিলেটের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওইদিন রাতেই হোটেল ব্রিটেনিয়ার সাথে চুক্তি বাতিল করে। তবে এখন পর্যন্ত ওই হোটেলের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

অপরদিকে, লন্ডনফেরত এক প্রবাসী সিলেটের লামাবাজার ‘হোটেল লা-ভিস্তা’র অভ্যন্তরে কোয়ারেন্টিনে থাকা অবস্থায় গত ২০ মার্চ রাতে বিয়ে করেন। বর হোটেল অবস্থান করলেও কনেকে বাইরে থেকে সাজিয়ে নিয়ে আসেন কনেপক্ষের লোকজন। রাতভর চলে খানাপিনা ও বর-কনের ফটোসেশন। প্রশ্ন উঠেছে ওই হোটেলের নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা রয়েছেন তারা কি টাকার বিনিময়ে কোয়ারেন্টাইনে থাকা প্রবাসীর হয়ে কাজ করেছেন জানা যায়, গত ১৮ মার্চ লন্ডন থেকে সিলেটে আসা যাত্রীদের মধ্যে ১১ জনকে সিলেটের লামাবাজারস্থ হোটেল লা-ভিস্তায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। তাদের মধ্যে দুইজন হলেন সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার জাঙ্গাইল এলাকার এক নারী (৪৮) বাসিন্দা ও মুহি উদ্দিন (২৮)। মা অবস্থান করেন ৪০১ নম্বর কক্ষে আর তার ছেলে অবস্থান করেন ৪০৬ নম্বর কক্ষে। নিয়ম অনুযায়ী তারা সব ধরনের জনসমাগম ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে নির্ধারিত সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার কথা। কিন্তু লা-ভিস্তা হোটেলে ঘটা করে বিয়ে করেন মুহি উদ্দিন। কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় বিয়ে উপলক্ষে বাইরে বের হয়ে কেনাকাটাও করেন যুক্তরাজ্য প্রবাসী যুবকের মা। যার পুরোটাই হয় হোটেল কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে।

অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্ট হাউজের ভিতরের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ফাঁস

অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্ট হাউজের ভিতরের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দিয়েছে একটি গ্রুপ। এতে দেখা যায়, পার্লামেন্টের নারী এমপিদের টেবিলের ওপর অবাধে চলেছে এসব যৌনতা।এ অবস্থায় পার্লামেন্টের ভিতরে বিরক্তিকর কর্মকাণ্ডের কড়া নিন্দা জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। তিনি বলেছেন, ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার সঙ্গে জড়িত সরকারি চার কর্মকর্তার মধ্যে একজনকে শনাক্ত করে বরখাস্ত করা হয়েছে। চীনের বার্তা সংস্থা সিনহুয়াকে উদ্ধৃত করে রিপোর্টে বলা হয়েছে, সোমবার রাতে নিউজ করপোরেশন অস্ট্রেলিয়া এবং চ্যানেল টেন নিউজ রিপোর্ট করেছে যে, ওই ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দিয়েছে একটি গ্রুপ। এ বিষয়ে তথ্য ফাঁসকারী হুইসেল ব্লোয়ার বলেছেন, ছবিগুলো বর্ণনাতীত। এতে রয়েছে রগরগে সব দৃশ্য। প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেছেন, যা ঘটেছে তার পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য। এসব অভিযোগের কেন্দ্রে আছেন এমন একজন স্টাফকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। পার্লামেন্টে যারা কাজ করেন তার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের প্রতি অসম্মান দেখানো হয়েছে। একই সঙ্গে পার্লামেন্টের যে আদর্শ আছে, এসব কর্মকাণ্ড তার বিরুদ্ধ।
ফেব্রুয়ারিতে সরকারের সাবেক একজন স্টাফ ব্রিটানি হিগিন্স প্রকাশ্যে দাবি করেন যে, ২০১৯ সালের মার্চে পার্লামেন্টের ভিতরে একজন সহকর্মী তাকে ধর্ষণ করেছে। ওদিকে এর আগে ধর্ষণের অভিযোগ উঠার পর এটর্নি জেনারেল ক্রিস্টিন পোর্টার ছুটি নিয়েছেন। তবে তিনি অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

বঙ্গবন্ধুকে গান্ধী পুরস্কারে ভূষিত করায় বাংলাদেশের কৃতজ্ঞতা


ভারত সরকার কর্তৃক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আন্তর্জাতিক গান্ধী শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার (২২ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

ভারতের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সোমবার ২০২০ সালের গান্ধী শান্তি পুরস্কারের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ২০১৯ সালের পুরস্কারের জন্য ওমানের প্রয়াত সুলতান কাবুস বিন সায়েদ আল সায়েদের নাম ঘোষণা করে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর প্রাক্কালে এই পুরস্কারের ঘোষণা এল।

বাঙালির এই উদযাপনে যোগ দিতে শুক্রবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবসেই বাংলাদেশে আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরদিন তিনি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যাবেন বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে।

মোদিই ছিলেন গান্ধী শান্তি পুরস্কারের বিচারকমণ্ডলীর প্রধান। তার সফরের আগে গান্ধী পুরস্কারের জন্য বঙ্গবন্ধুর নাম ঘোষণার বিষয়টিকে দুই দেশের বন্ধুত্বের একটি নিদর্শন হিসেবে দেখছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।

গান্ধী শান্তি পুরস্কার ভারত সরকার থেকে প্রদত্ত মহাত্মা গান্ধীর নামাঙ্কিত একটি বার্ষিক আন্তর্জাতিক পুরস্কার। ১৯৯৫ সালে মহাত্মা গান্ধীর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে গান্ধীজির মতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ভারত সরকার এই পুরস্কার চালু করে।

৫ বছরে অন্তঃসত্ত্বা! বাবা গ্রেফতার, অতঃপর

নাম তার লিনা মেদিনা। পেরুর বাসিন্দা। বিশ্বের কনিষ্ঠতম মা তিনি। ১৯৩৯ সালে মাত্র ৫ বছর ৭ মাস ২১ দিন বয়সে প্রথম সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন লিনা!

লিনার এই পরিস্থিতির কথা নিমেষে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছিল। সাংবাদিকদের ঢল নেমেছিল। তাকে নিয়ে, তার জীবনযাপন নিয়ে একাধিক তথ্যচিত্রের জন্য বড় অংকের টাকার প্রস্তাবও পেয়েছিলেন তিনি।

অস্বাভাবিক এই পরিস্থিতি নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে চিকিৎসক মহলে টালমাটাল অবস্থা, এসব কিছু থেকে একেবারেই অজ্ঞাত ছিলেন লিনা। সাড়ে ৫ বছরের মেয়েটি তখন হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে পুতুল নিয়ে খেলতে ব্যস্ত।
লিনার জন্ম হয়েছিল পেরুর টিক্রাপোতে। বাবা ছিলেন টিবুরেলো মেদিনা এবং মা ভিক্টোরিয়া লোসিয়া। লিনারা ছিলেন ৯ ভাইবোন। তবে অন্যদের তুলনায় লিনা যেন একটু তাড়াতাড়ি বড় হয়ে যাচ্ছিল। বিশেষ করে ওই বয়সে তার স্তনের বৃদ্ধি সকলের চোখে পড়ছিল।

লিনা যখন ৫ বছরের আরও একটি বিষয় নিয়ে সকলেই উদ্বিগ্ন ছিলেন। তার পেট ক্রমশ বড় হয়ে যাচ্ছিল। মা-বাবা, আত্মীয়-পরিজন থেকে চিকিৎসক সকলেই প্রাথমিকভাবে ভেবেছিলেন পেটে টিউমার হয়েছে।

পিসকো হাসপাতালের চিকিৎসক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানতে পারেন টিউমারের জন্য নয়, লিনার গর্ভে বড় হচ্ছে তার সন্তান!

লিনা তখন ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা! আর লিনার বয়স তখন ৫ বছর ৭ মাস ২১ দিন। অর্থাৎ ৫ বছর হওয়ার আগেই অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিল লিনা! চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর আগে এমন উদাহরণ ছিল না।

এই ঘটনা সামনে আসার সঙ্গে আরও একটি বিষয় সামনে এসেছিল। লিনার উপর হওয়া যৌন হেনস্থার বিষয়। ছোট্ট লিনার সন্তানের বাবা কে তা নিয়েও তদন্ত শুরু হয়।

এই ঘটনায় তার বাবাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ না মেলায় ছেড়েও দেওয়া হয়। সে সময় লিনাও এতটাই ছোট ছিল যে তদন্তে কোনওভাবেই পুলিশকে সাহায্য করতে পারেনি। আজও বিষয়টি রহস্যই থেকে গিয়েছে।

অস্ত্রোপচার করে লিনার প্রথম সন্তানের জন্ম হয়। নাম রাখা হয় গেরার্ডো। যে চিকিৎসক তার অস্ত্রোপচার করেছিলেন তারই নামানুসারে। জন্মের সময় সন্তানের ওজন ছিল ২ কিলোগ্রাম ৭০০ গ্রাম। অর্থাৎ স্বাভাবিক ওজন নিয়ে সমস্ত দিক দিয়ে সম্পূর্ণ সুস্থ সন্তানের জন্ম দিয়েছিল ছোট্ট লিনা।

তার ছেলে গেরার্ডোর কাছে লিনার পরিচয় ছিল বড় বোন। গেরার্ডো তার সঙ্গে সেভাবেই আচরণ করতেন। সারা দিন ‘বোনের’র সঙ্গে খেলাধুলো করে, কখনও বা লড়াই করে দিন কেটে যেত। ১০ বছর বয়স হলে গেরার্ডো জানতে পারে লিনা আসলে তার মা।

লিনাকে নিয়ে চিকিৎসক মহলে নানা গবেষণা চলেছে। লা প্রেসি মেডিকেল জার্নালে তাকে নিয়ে বিস্তর প্রচ্ছদ প্রকাশিত হয়। তাতে জানা যায়, ৮ মাস বয়স থেকেই ঋতুস্রাব শুরু হয়ে গিয়েছিল তার। অর্থাৎ তখন থেকেই প্রজননশীল হয়ে পড়েছিল সে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে একে বলা হয় প্রিকসিয়াস পিউবার্টি। অর্থাৎ সময়ের অনেক আগেই প্রজনন ক্ষমতা প্রাপ্ত হওয়া। মস্তিষ্কের যে অংশ থেকে যৌন হরমোন নিঃসৃত হয়, সেই অংশেরই কিছু সমস্যার কারণে এমনটি ঘটে থাকে। যা বিরলতম ঘটনা।

পরবর্তীকালে তার চিকিৎসক গেরার্ডো লোজাডার ক্লিনিকেই তিনি সেক্রেটারির কাজ করতেন। উপার্জনের টাকায় ছেলেকে পড়াশোনা শিখিয়ে বড়ও করেন লিনা। কিন্তু নিজের পরিস্থিতি নিয়ে ঘনিষ্ঠ বৃত্ত ছাড়া কারও সঙ্গেই আলোচনা করেননি তিনি।

১৯৭০ সালে বিয়ে করেন লিনা। দু’বছর পর তার দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হয়। আর প্রথম সন্তান গেরার্ডো ১৯৭৯ সালে মাত্র ৪০ বছর বয়সে অস্থিমজ্জা সংক্রান্ত রোগে মারা যান।

লিনার বয়স এখন ৮৭ বছর। পেরুতেই থাকেন তিনি। আজও তাকে তাড়া করে বেড়ান সাংবাদিকরা। কিন্তু প্রথম থেকেই একটি বিষয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছেন তিনি। এই নিয়ে কখনও কোনও সাক্ষাৎকার তিনি দেননি।
সূত্র: দ্য সান, অলদ্যাটইন্টারেস্টিং

চট্টগ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় ছাত্রলীগ নেতা নিহত

চট্টগ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় এক ছাত্রলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। আজ রোববার রাতে নগরের বায়েজীদ বোস্তামি থানার আরেফিন নগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।নিহত ছাত্রলীগ নেতার নাম ইমন রনি (২৬)। তিনি বায়েজীদ বোস্তামি থানা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। নিহত ইমন চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রলীগ নেতা মো. আশরাফের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ঘটনার জন্য চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতার অনুসারীদের দায়ী করেছে তাঁর স্বজনেরা।ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মো. কামাল প্রথম আলোকে বলেন, আরেফিন নগর এলাকায় চা-দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন ইমনসহ তাঁর বন্ধুরা। ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল অতর্কিত তাঁদের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে ইমনকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান হামলাকারীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় ইমনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।জরুরি বিভাগের সামনে নিহতের মা আয়েশা বেগমকে আহাজারি করতে দেখা গেছে। ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে মামলা করবেন জানান আয়েশা বেগম।
ইমনের লাশ ঘিরে তাঁর অনুসারীরা রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের জরুরি বিভাগের সামনে জড়ো হন। তাঁরা হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবি করেন।নগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) বিজয় বসাক প্রথম আলোকে বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে ঘটনাটি ঘটেছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে পুলিশ।