চেনা মানুষঃ এস কে সুলতানা।

চেনা মানুষ
লেখকঃ এস কে সুলতানা

সময়ের সাথে আমাদের চেনা মানুষগুলো বদলে যায়। কখনো সাথে কথা বললে মনে হয় কখনো সে আমাকে চিনত না। কেন এই মানুষগুলো জীবনের রঙিন স্বপ্নগুলো কে বদলে দেয়।

ইশু‍। আয়ান তাকে আদর করে ডাকত।মেয়েটির আসল নাম ছিল ইশিকা।ছেলেবেলা থেকেই তাদের মধ্যে অনেক ভাব ছিল। ইশু আয়ানকে সবসময় ভালো কাজে উৎসাহ দিত। আয়ান যদিও একটু দুষ্টুমি করতো তারপরও সে ইশুর কোন কথা ফেলত না। ইশু ওকে অনেকটাই বদলে দিয়েছে। আস্তে আস্তে ওরা ছেলেবেলার দিনগুলো কাটিয়ে বড় হতে লাগল। ইশু গান শুনতে ও গাইতে ভালোবাসত। সায়েন্স স্টুডেন্ট হিসেবে ইশু অনেক দিকে পারফেক্ট ছিল। আর আয়ান ও তো অনেক কিছুতে যোগ দিতে লাগল। বিশেষ ব্লাড ডোনেট ক্লাব, সরকারি অনেক সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কাজ করছে শুনেছি। এত কিছুর মধ্যে কোন দিন দূরত্ব সৃষ্টি হয় নি। হাসিখুশি ভাবে তারা তাদের ফ্রেন্ডশিপটা চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। মাঝখানে ইশু একটা রিলেশনে জড়িয়ে পড়ে। কিন্তু সেটা ফ্যামিলিতে জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়ে ইশু ভয় পেয়ে যায়। খুব সরল ছিল বলে কোন ঝামেলায় না জড়িয়ে সবকিছু ছেড়ে দেয়। তবে আয়ানের সাথে তার সবকিছু ঠিকই ছিল। তারপর থেকে ইশু একটু একটু করে বদলে যেতে থাকে। নিজেকে সবসময় একা করে রাখে। আয়ানের তাতে কোন আপত্তি ছিল না। কারণ সে ইশুর সমস্যা টা বুঝতে পারছে। ইশু আর আয়ান এবার কলেজ জীবনে পা দিল। দুজনে কলেজে আসত আবার একসাথেই বাড়ি ফিরত। আয়ান তার শতকাজের মাঝেও ইশুর সবদিকের খবর রাখত। সাজেশন গুলো কিনে দিত। কিন্তু,ইশু এবার ইসলামিক জীবনে ঢুকতে শুরু করল। আয়ান খুশি ছিল। সে সবসময় বলত, ইশু তাকে তার জীবনের সবটুকু দিয়ে ভালো করার চেষ্টা করেছে। এদিকে, ইশু একদিন হঠাৎ করে আয়ান তার সাথে যেতে নিষেধ করল। আয়ান তার কারণ জানতে চাইলে ইশু বলে,আমি বড় হয়েছি। একা চলতে পারি। তাছাড়া এলাকার ছেলেগুলো তোকে আমার সাথে দেখলে কতকিছু ভাবে। আয়ান রাজি হলো। কারণ সে বরাবরই ইশুর সমস্যাগুলো বুঝার চেষ্টা করত। এভাবে চলতে চলতে ইশু একদিন তার সাথে কথা বন্ধ করে দিল। সে আয়ানকে তার ফোন, ম্যাসেজ, ম্যাসেঞ্জার, ইমু সবকিছুতে ব্লক করে দেয়। আয়ান ভীষণ কষ্ট পেতে থাকে। তার চেনা ইশু এখন তার কাছে অচেনা। যে আয়ান তার মায়ের কাছে তার সবকিছু শেয়ার করতো সেই আয়ান এখন তার মা, বন্ধু কারো সাথেই তেমন কিছু শেয়ার করে না। আয়ান এখন আর তার অন্য বন্ধুদের সাথে তেমন কথা বলে না। সবসময় একা থাকে। ক্লাসে বসে আয়ান মাঝে মাঝে কেঁদে উঠত। ইশুকে চোখের সামনে দেখেও সে নিজেকে কন্ট্রোল করার চেষ্টা করত। ক্লাসে টিচাররা প্রশ্ন করলে আয়ানের কোন রেসপন্স থাকতো না। একদিন পৌরনীতির টিচার আয়ানকে জিজ্ঞেস করে কি ব্যাপার তুমি তো ভালো পড়া বল। এ কদিন কি হয়েছে তোমার? আয়ান শুধু মাথা নিচু করে বলল, কিছু না। স্যার! ইশুর হয়তো ব্যাপারটি দেখে মায়া হয়েছিল। সে গোপনে আয়ানের সাথে কিছু কিছু কথা বলতে শুরু করল। আয়ানের কিছুটা স্বস্তি ফিরে এল। এবার সে নিজে নয় তার একটা বোন কে দিয়ে ইশুকে সাজেশন পাঠাতো। প্রয়োজনে সে তাদের হেল্প করার চেষ্টা করত। ভালোই চলছিল সব। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে যায় তাদের কলেজ। ইশু আস্তে আস্তে আবার দূরে সরে যায়। কোন কারনের অপেক্ষা না করে ভেঙে যায় তাদের ফ্রেন্ডশিপ। আজও আয়ান ইশুর অপেক্ষায় অপেক্ষিত।

লেখকঃ এস কে সুলতানা

রাসূল সাঃ এর প্রতি অবমাননাঃ নোবিপ্রবির ২ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

প্রতিবেদকঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম
রাসূল সাঃ এর প্রতি অবমাননার কারণে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার ও হল সিট বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক হজরত মুহাম্মদ সাঃ এবং ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটুক্তি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ই এম ডি এস বিভাগের শিক্ষার্থী প্রতীক মজুমদার ও ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী দীপ্ত পাল। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের নজরে আসলে তারা তাদের সাময়িক বহিষ্কার করে।

বুধবার (২৮ শে অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. আবুল হোসেনের স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,” সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে রাসূল সাঃ ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটুক্তি এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত যা বাংলাদেশ সরকারের আইনে একটি দন্ডনীয় অপরাধ। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত উপরোক্ত শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত ক্রমে সাময়িক বহিষ্কার ও হল সিট বাতিল করা হয়েছে। এবং তাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে তাদের কে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না।”

বিভিন্ন মহলে ফ্রান্সকে বয়কট

লক্ষ্মীপুর টিভি। প্রতিবেদকঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম
মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাঃ এর প্রতি অবমাননার প্রতিবাদে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও টুইটারে ফ্রান্সকে বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন মুসলিম সম্প্রদায়। তারা হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে (#Boycott_French_Products
#Boycott_French
#We_Love_Mohammad_(S.A.)
#We_Follow_Mohammad_(S.A)
#we_are_ummate_mohammadi) প্রতিবাদ করছেন।

গত ১৬ অক্টোবর ফ্রান্সের প্যারিসের শহরতলী এলাকায় এক স্কুলশিক্ষককে গলা কেটে হত্যা করা হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স পুলিশের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, হামলাকারীর বয়স ১৮ বছর। তিনি চেচেন জাতিগোষ্ঠীর এবং জন্ম রাশিয়ার মস্কোতে। নিহত ওই শিক্ষক রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়াতেন। ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ ক্লাসে তিনি শিক্ষার্থীদের মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর কার্টুন দেখিয়ে ছিলেন। তারপর তাকে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনার পর ফ্রান্সের পুলিশ দেশটির অন্তত ৫০টি মসজিদ ও মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকায় ভয়াবহ অভিযান চালায়।

সাড়ে পাঁচ বছর আগে হজরত মুহাম্মদ (সা.) বিতর্কিত কার্টুন ছাপানোর পর ফ্রান্সের ব্যঙ্গাত্মক ম্যাগাজিন শার্লি এবদোতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। আবারও সেটি ছাপিয়েছে ম্যাগাজিনটি। এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠলেও এর পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

এইদিকে ফ্রান্সের সকল প্রোডাক্ট বয়কট করেছেন কুয়েত ও পাকিস্তান সরকার। তুরষ্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এর সমালোচনা করে বলেন তাকে মানসিক চিকিৎসা দেয়া প্রয়োজন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান মুসলিম বিশ্বের সকল নেতাদের আহবান জানান ফ্রান্সের সকল পন্য তাদের দেশে বয়কট করতে।

এইদিকে ফ্রান্স জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় পগবা ফ্রান্সের হয়ে আর ফুটবল খেলবেন না বলে জানান। তিনি বলেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাঃ এর প্রতি অবমাননার প্রতিবাদে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।

এইদিকে ফ্রান্সের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এর ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে বাংলাদেশের হ্যকাররা। সাইবার ৭১ নামে একটি গ্রুপ এই হামলা চালান। তারা বলেন রাসূল সাঃ এর প্রতি অবমাননার প্রতিবাদে মুসলিম হ্যাকার রা এই হামলা চালান। ফ্রান্সের গণমাধ্যম বলেন হ্যাকার দের কারণে ফ্রান্সের বিশাল একটা ক্ষতি হয়েছে।

৭ বাংলাদেশিসহ ৮ জন পেলেন বৃটেনের রানীর বিশেষ সম্মাননা

lakshmipurtv.com.bdযুক্তরাজ্যের রানির জন্মদিনে এবার ৭ বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ নাগরিক ও এক বাংলাদেশি নাগরিক খেতাব পেয়েছেন। এদের মধ্যে চারজনকে অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (ওবিই), তিনজনকে মেম্বার অব দ্য অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (এমবিই) এবং একজনকে মেডালিস্ট অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (বিইএম) খেতাব দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে ব্রিটিশ হাই কমিশনে কর্মরত একজন বাংলাদেশিকেও এমবিই খেতাব দেওয়া হয়। এই ৮ জনের মধ্যে ৭ জনই সিলেটের বাসিন্দা।

এবারই সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত এ বিশেষ সম্মাননা পেলেন। যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় শনিবার খেতাবপ্রাপ্ত মোট এক হাজার ৪৯৫ জনের নাম ঘোষণা করা হয়। সাধারণত প্রতিবছর জুন মাসে রানির জন্মদিনে সমাজের নানা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য দেশব্যাপী ও বিদেশে কর্মরত ব্রিটিশ নাগরিকদের বিভিন্ন খেতাব দেওয়া হলেও চলতি বছর কোভিড-১৯ মহামারীর ১০ অক্টোবর এ খেতাবের ঘোষণা দেওয়া হলো।
এবার কোভিড-১৯ এর সময় অবদান রাখায় ৪১৪ জনকে খেতাব দেওয়া হয়। এছাড়া মোট খেতাবপ্রাপ্তদের মধ্যে ৭৪০ জন অর্থাৎ ৪৯ শতাংশ নারী এবং ১৩ শতাংশ বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। প্রথমবারের মতো বিপুল সংখ্যক এশিয় ও কৃষ্ণাঙ্গ রানির খেতাব পেয়েছেন।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ নাগরিক খেতাব প্রাপ্তদের মধ্যে সবার আগেই নাম আসে দবিরুল ইসলাম চৌধুরীর। তিনি দেশে-বিদেশে করোনাভাইরাস সংকটকালে দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের জন্য চার লাখ ২০ হাজার পাউন্ড তহবিল সংগ্রহ করেন। ওবিই খেতাবপ্রাপ্ত দবিরুল নিজ বাসস্থানের সামনের গার্ডেনে রোজায় একমাসব্যাপি হেঁটে এ তহবিল সংগ্রহ করেন।

ওবিই খেতাবপ্রাপ্তরা হলেন- শতবর্ষী ব্রিটিশ বাংলাদেশি দবিরুল ইসলাম চৌধুরী, ব্রিটিশ হোম অফিসে কর্মরত আবু আহমদ, রাজনীতিবিদ লুৎফুর রহমান ও প্রিন্সেস ট্রাস্ট চ্যারিটিতে কর্মরত মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন। এমবিই খেতাবপ্রাপ্তরা হলেন- শিক্ষক সৈয়দ আফসার উদ্দিন, ব্যবসায়ী ও শেফ ওলি খান এবং ব্রিকলেনের মসজিদের চেয়ার সাজ্জাদ মিয়া।

এছাড়া বিইএম খেতাব পেয়েছেন নিলীমা রহমান। ওবিই খেতাবপ্রাপ্ত লুৎফুর রহমান মানচেস্টার সিটি কাউন্সিলে লেবার দলীয় নিবা‍র্চিত কাউন্সিলর। বর্তমানে তিনি ম্যানচেস্টার সিটি কাউন্সিলের কালচার অ্যান্ড লেজারের নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত। জনপ্রতিনিধি হিসেবে স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য লুৎফুর এ সম্মাননায় ভূষিত হন। তিনি ২০০৮ সালে প্রথম কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। এরপর তিনি ২০১২, ২০১৬ এবং ২০১৮-তে ম্যানচেস্টারের লংসাইট ওয়ার্ড থেকে বার বার নির্বাচিত হয়েছেন।

লুৎফর রহমান ১৯৮০ সালে তার পরিবারের সাথে বাংলাদেশ থেকে ম্যানচেস্টারে আসেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি ম্যানচেস্টারের বিভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক এবং কমিউনিটির বিভিন্ন খাতে সফলতার সাথে কাজ করেন । বিশেষত যুবসমাজের উন্নয়নে, লাইব্রেরির উন্নতি, ক্রীড়া এবং বিনোদনে তিনি বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। ব্রিটিশ বাংলাদেশি নিজাম উদ্দিন প্রিন্সেস ট্রাস্ট চ্যারিটিতে সিনিয়র হেড অব মোজাইক অ্যান্ড কমিউনিটি ইন্টেগ্রেশন। সোশ্যাল মোবিলিটি অর্থাৎ সামাজিক গতিশীলতা এবং কমিউনিটি সম্প্রীতিতে অবদানের জন্য তিনি ওবিই খেতাব পান।

ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের স্টুডেন্ট ইউনিয়নের নিবা‍র্চিত সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন তরুণ-তরুণীদের জন্য কাজ করেন। কম বয়সী তরুণ-তরুণী তাদের সম্ভাবনা বিকশিত করার ক্ষেত্রে যেসব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন তা দূরীকরণে তিনি নানাভাবে সহায়তা করে আসছেন। লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে পাবলিক পলিসিতে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী নিজাম উদ্দিন লন্ডন মেয়রের দক্ষতা সম্পর্কিত স্টেকহোল্ডার অ্যাডভাইসরি গ্রুপের সদস্য এবং মালবেরী অ্যাকাডেমি শর্ডিচের একজন গভর্নর।ব্রিটিশ বাংলাদেশি আবু আহমদ যুক্তরাজ্যে হোম অফিসে কাউন্টার টেরোরিজম কমিউনিকেশন অ্যান্ড এনগেইজমেন্ট ইউনিটের প্রধান। পাবলিক সার্ভিসে অবদানের জন্য তাকে ওবিই খেতাব দেওয়া হয়।
সৈয়দ আফসার উদ্দিন লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটসের ওকল্যান্ড সেকেন্ডারি স্কুলের একজন শিক্ষক। ১৯৯৫ সাল থেকে ওই স্কুলে পূর্ণকালীন বাংলা শিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। । পাশাপাশি তিনি বাংলা ভাষার পরীক্ষক হিসেবে প্রায় ১৯ বছর দায়িত্ব পালন করেন। বারায় শিক্ষা ও কমিউনিটি সেবার জন্য তাকে এমবিই খেতাব প্রদান করা হয়। সৈয়দ আফসার উদ্দিন বর্তমানে লন্ডনের চ্যানেল এস টিভির একজন সংবাদ পাঠক । এর আগে তিনি লন্ডনে বিবিসি ও ভয়েস অব আমেরিকার জন্যও কাজ করেছেন।

পূর্ব লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটসে অবস্থিত ব্রিকলেন মসজিদ ট্রাস্টের সভাপতি সাজ্জাদ মিয়া। কমিউনিটিতে সেবা দেওয়ার জন্য তাকে এমবিই খেতাব দেওয়া হয়।
lakshmipurtv.com.bd

বাংলাদেশের মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি – ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন

ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন বলেছেন, বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি অনেক ভালো। এদেশের মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। করোনা ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্তের হিসেবে সুস্থতার হার অনেক বেশি। এদেশে থেকে আমি করোনা সংক্রমণে আক্রান্ত হইনি।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির পূজা মন্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় ডেপুটি হাইকমিশনার জাবেদ প্যাটেল উপস্থিত ছিলেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ। চমৎকার পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব পালনই তার বড় প্রমাণ। এদেশের মানুষ তাদের ধর্মীয় উৎসবটি সুন্দরভাবে অনুশীলন করছে। এদেশের হিন্দু মুসলমান একে অপরকে সহযোগিতা ও সম্প্রীতিতে বসবাস করে।

রোহিঙ্গা সমস্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য এটি একটি বড় সমস্যা। নিজেদেরই এ সমস্যা সমাধান করতে হবে। সমস্যা সমাধানে ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

লন্ডনে কাজ করার জন্য যেভাবে খুব সহজে পেতে পারেন “ওয়ার্ক পারমিট” ভিসা

একটি সময়ে পৃথিবীর যেকোনো দেশের নাগরিকদের যেকোনো রাষ্ট্রে অবাধে প্রবেশাধিকারের সুযোগ বিদ্যমান ছিলো। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় নিজ দেশের বাইরে গমন করা বেশ জটিল হতে থাকে। বর্তমান সময়ে নানাবিধ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার মধ্য দিয়ে বিদেশে পাড়ি জমাতে হয়। এসব প্রক্রিয়া রাষ্ট্র অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। সাধারণত মানুষ উচ্চশিক্ষা অর্জন ও কর্মজীবন শুরু করার জন্য বিদেশে গমন করে থাকে। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়া যতটা সহজ, বরং কর্মজীবন শুরু করা তারচেয়ে বেশ কঠিন।

আপনি যদি দেশের বাইরে কর্মজীবন শুরু করতে চান, তবে আপনার শুধুমাত্র ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকলেই হবে না, বরং যে দেশে ক্যারিয়ার গড়তে চান, সে দেশে কীভাবে বাহিরের রাষ্ট্রের নাগরিকরা কাজ করার সুযোগ পেতে পারে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে এবং তদানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তবেই আপনি সে দেশে কাজ করার সুযোগ পাবেন, অন্যথায় আপনার দক্ষতা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আপনি ক্যারিয়ার গড়তে ব্যর্থ হবেন।

বিশ্বের বেশ কিছু রাষ্ট্র রয়েছে, যেসব দেশে সাধারণত মানুষ ক্যারিয়ার গড়তে ইচ্ছা পোষণ করে থাকে। তেমনি একটি রাষ্ট্র হলো যুক্তরাজ্য। পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে বসবাসকারী অনেক মানুষই যুক্তরাজ্যে তাদের ক্যারিয়ার শুরু করার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু কীভাবে যুক্তরাজ্যে কাজের সুযোগ পেতে হয়, কিংবা আদৌ সেখানে কাজ করার জন্য উপযুক্ত ও অনুমতিপ্রাপ্ত কি না, তা অনেকেই জানেন না।

যুক্তরাজ্যের নিয়ম নীতি অনুযায়ী, পৃথিবীর বেশ কয়েকটি রাষ্ট্রের নাগরিকেরা এ দেশে কাজ করার জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করে থাকে। আপনি যদি যুক্তরাজ্যে ক্যারিয়ার শুরু করতে চান; তবে পূর্বেই জেনে নিন, আপনি যুক্তরাজ্যে ব্রিটিশ নাগরিকদের মতো সরাসরি কাজ করার জন্য অনুমতিপ্রাপ্ত কি না। আর যদি আপনার সরাসরি ক্যারিয়ার শুরু করার অধিকার না থাকে, তবে কোন প্রক্রিয়ায় সেখানে কাজ করার জন্য অনুমতি গ্রহণ করবেন। এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে এই আর্টিকেলটি পড়ুন।

আপনি কি যুক্তরাজ্যে কাজ করার যোগ্য?
ব্রিটিশ নাগরিক ছাড়াও পৃথিবীর বেশ কিছু দেশের নাগরিকরা যুক্তরাজ্যে সরাসরি কাজ করার জন্য যোগ্য হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে এদের কাজ শুরু করার জন্য কাজের অনুমতি পত্র সংগ্রহ করার প্রয়োজন হয় না। কীভাবে নিশ্চিত হবেন, আপনি যুক্তরাজ্যে সরাসরি ক্যারিয়ার শুরু করতে পারবেন কি না? আপনি যদি ব্রিটিশ নাগরিক, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহের অধিবাসী ও সুইস জাতীয়তাধারী ব্যক্তি হয়ে থাকেন, তবে আপনি কাজের অনুমতি পত্র ছাড়াই, যুক্তরাজ্যে সরাসরি কাজ শুরু করতে পারবেন।

সরাসরি কাজ করার জন্য অধিকার না থাকলে কী করবেন?
আপনি যদি ব্রিটিশ নাগরিক কিংবা ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের নাগরিক না হয়ে থাকেন, তবে যুক্তরাজ্যে কাজ পেতে আপনাকে একটি ভিসা এবং কাজের অনুমতি পত্র সংগ্রহ করতে হবে।

ভিসা
আপনি আপনার দেশের ব্রিটিশ বৈদেশিক মিশন ও ব্রিটিশ দূতাবাসের মাধ্যমে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। মনে রাখবেন, শুধুমাত্র ভিসা হলেই আপনি যুক্তরাজ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করার সুযোগ পাবেন না, বরং কাজ শুরু করতে হলে আপনাকে অবশ্যই কাজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

কাজের অনুমতিপত্র
আপনি যদি যুক্তরাজ্যে একটি চাকরি পেয়ে থাকেন এবং আপনার ভিসাও থাকে, তবুও আপনাকে একটি কাজের অনুমতিপত্র সংগ্রহ করতে হবে।আপনি সরাসরিভাবে কাজের অনুমতি পত্রের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। আপনার নিয়োগকর্তাকে আপনার পক্ষ থেকে আবেদন করতে হবে, তবেই আপনি খুব সহজেই কাজের অনুমতি পত্র পেয়ে যাবেন।

ভিসার আবেদন করতে স্পন্সর প্রয়োজন হবে কী?
সাধারণত আপনি যদি যুক্তরাজ্যে কাজের জন্য ভিসার আবেদন করতে চান, তবে আপনাকে যুক্তরাজ্যের কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে থেকে চাকরির অফারসহ স্পন্সরশিপ পেতে হবে। আবার আপনি যদি ২ বছরের অধিক সময় যুক্তরাজ্যে বসবাস ও কাজ করতে আগ্রহী থাকেন, আপনার বয়স আঠারো থেকে ত্রিশের মধ্যে হয় এবং আপনার নিকটে প্রায় ২ হাজার পাউন্ড বা প্রায় ২ লাখ টাকা সঞ্চয় থাকে, তবে স্পন্সরশিপ ছাড়াই ইয়ুথ মোবিলিটি স্কিম ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আপনার সঙ্গে কিংবা আপনার অধীনে কোনো শিশু যুক্তরাজ্যে রাখতে চাইলে, এই ভিসা আবেদন করার জন্য আপনি অগ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। মোটামুটিভাবে পৃথিবীর অধিকাংশ দেশের নাগরিকদেরই ইয়ুথ মোবিলিটি স্কিম ভিসার জন্য আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।

কোন ধরনের চাকরির জন্য আপনি যোগ্য?
চাকরির যোগ্যতা মূলত ব্যক্তির নিজস্ব দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও কোয়ালিফিকেশনের উপরে নির্ভর করে থাকে। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ বাহিরের দেশের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অস্থায়ীভাবে নিয়োগ ও স্পন্সরশিপ দিয়ে থাকে। আবার কিছু প্রতিষ্ঠান স্থায়ীভাবেও স্পন্সরশিপ দিতে পারে। আপনাকে অনলাইনে বিভিন্ন চাকরির বিজ্ঞপ্তিগুলো খোঁজ করতে হবে।
তারপর আপনারা যোগ্যতা ও দক্ষতা অনুযায়ী আবেদন পত্র জমা দিয়ে কাজ করার সুযোগ অর্জন করতে হবে। আপনি প্রতিষ্ঠানের নিয়োগকর্তাদের কাছে যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হলে, খুব সহজেই যুক্তরাজ্যে ক্যারিয়ার শুরু করতে পারবেন।আপনি যুক্তরাজ্যে কর্মজীবন শুরু করতে চাইলে, এসব বিষয়ের প্রতি খেয়াল রেখে কর্মপন্থা গ্রহণ করুন, তবে খুব সহজেই আপনার স্বপ্ন পূরণ করতে সক্ষম হবেন

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর প্রতি অবমাননাঃ সকল মাধ্যমে নিন্দার ঝড়

ফ্রান্সে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাঃ এর ব্যঙ্গচিত্র তৈরি করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন মহলে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

ফ্রান্সের সকল পন্য বর্জনের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আন্দোলন গড়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে ফ্রান্সের সকল পন্য বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন কুয়েত সরকার। মুসলিম সম্প্রদায় এর অনুসারীরা ফেসবুক, টুইটার সহ বিভিন্ন মাধ্যমে হ্যাশট্যাগ (#Boycott_French_Products) ব্যাবহার করে ফ্রান্সের সকল পন্য বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

গত ১৬ অক্টোবর ফ্রান্সের প্যারিসের শহরতলী এলাকায় এক স্কুলশিক্ষককে গলা কেটে হত্যা করা হয়। বার্তা সংস্থা রয়টার্স পুলিশের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, হামলাকারীর বয়স ১৮ বছর। তিনি চেচেন জাতিগোষ্ঠীর এবং জন্ম রাশিয়ার মস্কোতে। নিহত ওই শিক্ষক রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়াতেন। ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ ক্লাসে তিনি শিক্ষার্থীদের মহানবী মুহাম্মদ (সা.)-এর কার্টুন দেখিয়ে ছিলেন। তারপর তাকে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনার পর ফ্রান্সের পুলিশ দেশটির অন্তত ৫০টি মসজিদ ও মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকায় ভয়াবহ অভিযান চালায়।

সাড়ে পাঁচ বছর আগে হজরত মুহাম্মদ (সা.) বিতর্কিত কার্টুন ছাপানোর পর ফ্রান্সের ব্যঙ্গাত্মক ম্যাগাজিন শার্লি এবদোতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। আবারও সেটি ছাপিয়েছে ম্যাগাজিনটি। এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠলেও এর পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

সুত্রঃ ডেইলি সাবেহ।

সাবেক এটর্নি জেনারেল রফিক উল হক এর ইন্তেকাল

ব্যারিষ্টার রফিক উল হক, প্রতিবেদকঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম
সাবেক এটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক উল হক ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।।

শনিবার সকালে রাজধানীর আদ দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাকে গত ১৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় আদ-দ্বীন হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। জানা গেছে, রক্তশূন্যতা, ইউরিন সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।

তিনি ১৯৩৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬০ সালে আইন পেশায় যুক্ত হন এবং ১৯৯০ সালে তিনি এটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পান।

তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, জামায়াতের আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।

আজ জাতিসংঘ দিবস

প্রতিবেদকঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম
আজ ২৪ শে অক্টোবর জাতিসংঘের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৪৫ সালের ২৪ শে অক্টোবর বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় গঠিত হয় জাতিসংঘ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তৎকালীন বিশ্ব নেতারা একটি আন্তর্জাতিক শান্তি সংগঠন এর উদ্যোগ নেয়। ১৯৪৩ সালে তেহরানে তৎকালীন ৪ টি প্রধান শক্তিধর রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলনে বিশ্বনেতারা জাতিসংঘ গঠনের উদ্যোগ নেয়। অবশেষে ১৯৪৫ সালের ২৪ শে অক্টোবর জাতিসংঘ নামে এটি আত্মপ্রকাশ করে।

বিশ্বের সকল স্বাধীন রাষ্ট্র এর সদস্য। শুরুতে জাতিসংঘের সদস্য ছিল ৫০ টি রাষ্ট্র। বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩ টি স্বাধীন রাষ্ট্র এর সদস্য। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ ই সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেন।

জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয় হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে। এই সংস্থার পতাকা হচ্ছে হালকা নীল রঙের। মাঝখানে সাদা জমিনের মতো বিশ্বের মানচিত্র রয়েছে।

জাতিসংঘের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাসচিব। জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব হচ্ছেন নরওয়ের নাগরিক ট্রিগভেলি। বর্তমানে এর মহাসচিব হচ্ছেন পর্তুগালের নাগরিক আ্যন্টনিও গুতেরেস।

ইউনিসেফ, ইউনেস্কো, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা, বিশ্ব মানবাধিকার কমিশন জাতিসংঘের অন্যতম সহযোগী সংস্থা। বিশ্ব মানবতার কল্যাণে এই সংস্থাগুলো কাজ করে যাচ্ছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় জেলা ছাত্রলীগ সভাপতির মায়ের মৃত্যু

প্রতিবেদকঃ মেশকাতুল ইসলাম সিয়াম
সড়ক দুর্ঘটনায় লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন শরীফ মা সহিদা বেগম মৃত্যু বরণ করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

বৃহস্পতিবার রাত ৩ টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যু বরণ করেন। জানা যায় গতকাল বুধবার বিকেলে লক্ষ্মীপুর এর বাসা থেকে তিনি তার নাতিন কে সাথে নিয়ে তাদের পুরাতন বাড়ি দেখা শুনা করতে বের হন। পথে জকসিন বাজার থেকে আসা পিকআপ তাদের ধাক্কা দেয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে লক্ষ্মীপুর ওয়েলকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে ডাক্তার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠান। রাত ৩ টার সময় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন।

এইদিকে তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুর ৩ আসনের সাংসদ একেএম শাহজাহান কামাল এমপি, লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু, সাধারণ সম্পাদক নূর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন, লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিজবুল বাহার রানা, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল করিম নিশান, সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব ইমাম, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি জাকির হোসেন আজাদ প্রমুখ।